• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
Headline
নামাজে দরুদ শরিফ পড়ার সঠিক নিয়ম ও ফজিলত খালেদা জিয়ার পক্ষে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন জাইমা রহমান কর কাঠামোতে সারচার্জ বাতিল করে ‘সম্পদ কর’ চালুর পরিকল্পনা দেশে হাম পরিস্থিতির চরম অবনতি: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ শিশুর প্রাণহানি হজের প্রথম ফ্লাইট শুক্রবার দিবাগত রাতে সংশোধনের মাধ্যমে শিগগিরই চূড়ান্ত হচ্ছে সম্প্রচার নীতিমালা: পে-চ্যানেল হবে বেসরকারি টিভি দিল্লির প্রস্তাব সুকৌশলে ওড়ালেন শেখ হাসিনা দেড় মাসেই ব্যাংক থেকে সরকারের ৭৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ: ধুঁকছে অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান ব্যাংক একীভূতকরণই কি বাংলাদেশের ভঙ্গুর অর্থনীতির রক্ষাকবচ? ইরানের ১০০ বিলিয়ন ডলারের জব্দ করা সম্পদ: কী, কেন এবং কোথায়?

নামাজে দরুদ শরিফ পড়ার সঠিক নিয়ম ও ফজিলত

ইসলাম ডেস্ক / ১ Time View
Update : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

নামাজ মুমিনের মিরাজ এবং মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। নামাজের প্রতিটি রুকন ও আমলের রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য। এর মধ্যে নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদের পর দরুদ পাঠ করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ, যা ‘দরুদে ইবরাহিম’ নামে পরিচিত। নবী করিম (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের শ্রেষ্ঠতম উপায় হলো দরুদ শরিফ। এই দরুদ মুমিনের আমলনামায় অসংখ্য সওয়াব যোগ করে।

নামাজে দরুদ পড়ার শরয়ি বিধান

শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদের পর দরুদ শরিফ পড়া সুন্নতে মুআক্কাদা। যদি কোনো ব্যক্তি ভুলে বা বিশেষ কারণে এটি ছেড়ে দেয়, তবে তার নামাজ হয়ে যাবে এবং সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হবে না। কিন্তু এর ফলে নামাজের সওয়াব কিছুটা কমে যায়। তবে কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে বা নিয়মিত অভ্যাস হিসেবে এটি ছেড়ে দেয়, তবে সে সুন্নাত ত্যাগের কারণে গুনাহগার হবে।

কীভাবে দরুদ পড়তে হবে?

হজরত কাব ইবনে উজরা (রা.) বর্ণনা করেন, একদিন সাহাবায়ে কেরাম রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, “হে আল্লাহর রাসুল, আপনার ওপর আমরা কীভাবে দরুদ পড়ব?” জবাবে তিনি ‘দরুদে ইবরাহিম’ পড়ার নির্দেশ দেন। এই দরুদটি সবচেয়ে বিশুদ্ধ ও শক্তিশালী বর্ণনার মাধ্যমে প্রমাণিত, যা বুখারি ও মুসলিম শরিফে স্থান পেয়েছে।

কেন দরুদে ইবরাহিম শ্রেষ্ঠ?

সকল দরুদ শরিফের মধ্যে দরুদে ইবরাহিমকে শ্রেষ্ঠ বলার কারণ হলো, এটি স্বয়ং রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর সাহাবিদের শিক্ষা দিয়েছেন। নামাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতে এই দরুদটি নির্ধারিত হওয়ায় এর মাহাত্ম্য অন্য যেকোনো দরুদের চেয়ে অনেক বেশি।

নবীজি (সা.)-এর প্রতি যথাযথ সম্মান ও ভালোবাসা প্রদর্শনের মাধ্যমে আমরা যেন কিয়ামতের দিন তাঁর শাফায়াত লাভ করতে পারি, মহান আল্লাহ আমাদের সেই তৌফিক দান করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category