• বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
Headline
ধুলোর আস্তরণে ঢাকা সোয়া শ কোটি টাকার স্বপ্ন: চুয়েটে আইটি ইনকিউবেটরের করুণ পরিণতি অভ্যন্তরীণ সংকটে ধুঁকছে দেশীয় পোশাক খাত: সুপরিকল্পিত প্রণোদনায় বাজার ধরছে প্রতিবেশী ভারত কাশির ওষুধের আড়ালে মাদকের ছায়া: ডেক্সট্রোমেথরফেন নিয়ে দেশে নতুন শঙ্কা মেট্রোরেলের মেগা ধাক্কা: হু হু করে বাড়ছে জাপানি ঋণের সুদ ও প্রকল্প ব্যয় আওয়ামী লীগের মেগা প্রকল্পে কাটছাঁট: কমছে অপচয়, বাঁচবে সরকারি কোষাগার ভোরের রাজধানী ভয়ংকর নতুন পে-স্কেল: বেতন বাড়ছে, দুর্নীতি কমবে কি? কৃষকের হাহাকার, মজুত পর্যাপ্ত: সারের বাজারে নেপথ্যের খেলা বেসরকারি খাতের জ্বালানি আমদানির বিপক্ষে বিপিসি বড় ঋণখেলাপিদের ১৫ বছরের ছাড়: অর্থনীতিতে ৬০ হাজার কোটির তহবিল

নামাজে দরুদ শরিফ পড়ার সঠিক নিয়ম ও ফজিলত

ইসলাম ডেস্ক / ১২২ Time View
Update : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

নামাজ মুমিনের মিরাজ এবং মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। নামাজের প্রতিটি রুকন ও আমলের রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য। এর মধ্যে নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদের পর দরুদ পাঠ করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ, যা ‘দরুদে ইবরাহিম’ নামে পরিচিত। নবী করিম (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের শ্রেষ্ঠতম উপায় হলো দরুদ শরিফ। এই দরুদ মুমিনের আমলনামায় অসংখ্য সওয়াব যোগ করে।

নামাজে দরুদ পড়ার শরয়ি বিধান

শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদের পর দরুদ শরিফ পড়া সুন্নতে মুআক্কাদা। যদি কোনো ব্যক্তি ভুলে বা বিশেষ কারণে এটি ছেড়ে দেয়, তবে তার নামাজ হয়ে যাবে এবং সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হবে না। কিন্তু এর ফলে নামাজের সওয়াব কিছুটা কমে যায়। তবে কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে বা নিয়মিত অভ্যাস হিসেবে এটি ছেড়ে দেয়, তবে সে সুন্নাত ত্যাগের কারণে গুনাহগার হবে।

কীভাবে দরুদ পড়তে হবে?

হজরত কাব ইবনে উজরা (রা.) বর্ণনা করেন, একদিন সাহাবায়ে কেরাম রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, “হে আল্লাহর রাসুল, আপনার ওপর আমরা কীভাবে দরুদ পড়ব?” জবাবে তিনি ‘দরুদে ইবরাহিম’ পড়ার নির্দেশ দেন। এই দরুদটি সবচেয়ে বিশুদ্ধ ও শক্তিশালী বর্ণনার মাধ্যমে প্রমাণিত, যা বুখারি ও মুসলিম শরিফে স্থান পেয়েছে।

কেন দরুদে ইবরাহিম শ্রেষ্ঠ?

সকল দরুদ শরিফের মধ্যে দরুদে ইবরাহিমকে শ্রেষ্ঠ বলার কারণ হলো, এটি স্বয়ং রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর সাহাবিদের শিক্ষা দিয়েছেন। নামাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতে এই দরুদটি নির্ধারিত হওয়ায় এর মাহাত্ম্য অন্য যেকোনো দরুদের চেয়ে অনেক বেশি।

নবীজি (সা.)-এর প্রতি যথাযথ সম্মান ও ভালোবাসা প্রদর্শনের মাধ্যমে আমরা যেন কিয়ামতের দিন তাঁর শাফায়াত লাভ করতে পারি, মহান আল্লাহ আমাদের সেই তৌফিক দান করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category