• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন
Headline
প্রশাসনে রদবদল: (৪ অক্টোবর-২২ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত ) ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে মানুষ নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়ার কাছে খাদ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব সরকারের প্রস্তুতি আছে বলেই আইজিপি ক্রসফায়ারের কথা বলেছেন: আখতার ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবালসহ পাঁচজনকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ সাগর-রুনি হত্যা মামলায় জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সংশ্লিষ্টতার তথ্য সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২০ জানুয়ারি ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে ৩১ অক্টোবর

বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য পর্তুগালে দুঃসংবাদ

Reporter Name / ২৯৬ Time View
Update : শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪

পর্তুগালের অভিবাসন আইনে ব্যাপক পরিবর্তন আসছে। বলা যায়, খুব সহজে বৈধ পথে টুরিস্ট বা যেকোনো ভিসা বা অবৈধপথে পর্তুগালে প্রবেশ করতে পারলেই দেশটিতে বসবাস অনুমতি পাওয়ার সুযোগ আর থাকছে না। এ আবেদন প্রক্রিয়াটি অভিবাসীদের কাছে ‘সেফ এন্ট্রি’ হিসেবে পরিচিত ছিল; যা ইতোমধ্যে বাতিল হয়ে গেছে।

গত ৩ জুন পর্তুগিজ প্রধানমন্ত্রী মনটিনিগ্রো মন্ত্রিসভার মিটিং শেষে তারা নতুন সরকারের অভিবাসন নীতি উপস্থাপন করেন। নতুন অভিবাস নীতিতে ৪১টি প্রস্তাবনা রয়েছে; যা বর্তমানে পর্তুগালের অভিবাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্সি মন্ত্রী আন্তোনিও লেইতাও আমারো বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন।

ফলে যেসব অভিবাসী পর্তুগালে কাজ করতে চান তাদের নির্দিষ্ট ভিসার জন্য এখন থেকে পর্তুগিজ কনস্যুলেটে আবেদন করতে হবে, অন্যথায় তারা পর্তুগালে নিয়মিত হতে পারবেন না। তবে পর্তুগিজ ভাষাভাষী দেশগুলোর জন্য বর্তমান অবস্থান বজায় থাকবে। তাছাড়া দক্ষ কর্মীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করতে যাচ্ছে এ প্রস্তাবনায়।

শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সরকার আরও সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করবে। তবে শিক্ষার কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর তৃতীয় দেশের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত হওয়ার কি প্রক্রিয়া হবে সে বিষয়টি স্পষ্ট করেনি। তবে পর্তুগিজ ভাষাভাষী দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়ে নিশ্চিত করেছে সরকার।

নতুন প্রস্তাবনায় বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে পর্তুগিজ কনস্যুলেটর সেবার মান বৃদ্ধি, বর্তমান অভিবাসন সংস্থা আইমার পুনর্গঠন, অভিবাসীদের জন্য পুলিশের একটি আলাদা ইউনিট তৈরি, বর্ডার নিয়ন্ত্রণের কার্যকর ব্যবস্থা এবং আশ্রয় প্রার্থীদের জন্য বিভিন্ন সেন্টার তৈরি করা এবং তাদের আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী দ্রুত সাড়া দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

আইন কার্যকর হওয়ার পর অন্যান্য দেশের নাগরিকদের পর্তুগালের নিয়মিত হওয়া অনেকটাই কঠিন হবে বলে মনে করছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তানসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে ইতোমধ্যে যারা উল্লেখ্যযোগ্যসংখ্যক হারে পর্তুগাল এসেছেন।

সরকারের পরিকল্পনাটি উপস্থাপনের দুই ঘণ্টার মধ্যে রাষ্ট্রপতি এ ডিক্রি অনুমোদন করেন। রাষ্ট্রপতির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ডিক্রি অনুমোদনের পরদিন অর্থাৎ চলতি বছরের ৪ জুন থেকে এ আইনের প্রক্রিয়াগুলো কার্যকর হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category