• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৯:১২ পূর্বাহ্ন
Headline
নবদম্পতিদের ৭টি ভুল অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের সিজারে নিরুৎসাহিত করতে চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী আত্মসমর্পণের আগেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করতে পারে: আইনমন্ত্রী ৮৬ ডেপুটি ও ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ আগস্টেই মালয়েশিয়া যাওয়া শুরু করবে বাংলাদেশি শ্রমিকরা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগ-দখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী তিন দিনের সফরে ঢাকায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর ব্রাজিলের সঙ্গে আমার সময় শেষ: নেইমার সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে সম্পদ ও দায় বুঝিয়ে দিয়েছে এক্সিম ব্যাংক

স্বস্তিতে শুরু মাধ্যমিকের লড়াই: প্রশ্নফাঁসের শঙ্কা উড়িয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

Reporter Name / ৯৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

দেশজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ও উৎসবমুখর পরিবেশে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর দেশবাসীকে স্বস্তির খবর দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ২টার দিকে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নিশ্চিত করেছেন যে, প্রথম দিনের পরীক্ষায় দেশের কোথাও কোনো ধরনের প্রশ্নপত্র ফাঁস বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। অত্যন্ত সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে জানিয়ে তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সব ধরনের গুজব থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান।

পরীক্ষাকেন্দ্রে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিতে এবার প্রযুক্তির ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। দেশব্যাপী প্রায় চার হাজার কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হওয়া এই বিশাল কর্মযজ্ঞে কোনো ধরনের অনিয়ম যেন প্রশ্রয় না পায়, সেজন্য সব কেন্দ্রকে আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় আনা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি সুস্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন যে, পরীক্ষা নিয়ে কোনো ধরনের অভিযোগ এলেই তাৎক্ষণিকভাবে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর ফলে পরীক্ষার্থী থেকে শুরু করে কেন্দ্রসচিব—সবাইকেই একটি জবাবদিহির কাঠামোর মধ্যে আনা সম্ভব হচ্ছে।

দেশব্যাপী ১৮ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীর এই পরীক্ষায় গণমাধ্যমের ইতিবাচক ও সতর্ক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন ড. মিলন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, সমাজের দর্পণ হিসেবে গণমাধ্যমকর্মীরা যদি সজাগ থাকেন এবং বস্তুনিষ্ঠ তথ্য তুলে ধরেন, তবে কেন্দ্রগুলোতে নকল বা জালিয়াতির মতো অপরাধ অনেকাংশেই নির্মূল করা সম্ভব। প্রথম দিনের এই সাফল্যের পর আত্মতুষ্টিতে না ভুগে আগামী ২০ মে পর্যন্ত চলা প্রতিটি পরীক্ষাতেই একইভাবে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রাখা হবে বলে তিনি নিশ্চয়তা দিয়েছেন। শিক্ষা প্রশাসনের এই আপসহীন মনোভাব ও জিরো টলারেন্স নীতির ফলে বিগত বছরগুলোর প্রশ্নফাঁসের আতঙ্ক কাটিয়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এবার আস্থার এক নতুন পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category