• মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
Headline
ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশ একক ভ্যাট হার চালুর লক্ষ্য আসামে দুই দিনে ১,১০০ মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ; গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো বাড়িঘর ও ১০ মসজিদ নতুন অধ্যাদেশে সৌরবিদ্যুৎ চুরির দায়ে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ডের বিধান ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযানে আপত্তি নেই, তবে অস্ত্র হাতে নেওয়া ঠিক হয়নি: জামায়াত আমির রাজনীতিবিদদের রাজনীতি হতে হবে জনকল্যাণমুখী : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বেইজিংয়ে ‘বাংলাদেশ ডে’ অনুষ্ঠিত: চীনা ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর আহ্বান টোকিওতে ২৭ অক্টোবর তারেক-তাকাইচি বৈঠক বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি ও সহিংসতা হ্রাস পেয়েছে: যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিবেদন অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কার্যক্রমের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

৯ মাসে ফিরেছেন ১,৬৮৭ নারী শ্রমিক: ৫৮ শতাংশই ফিরেছেন সৌদি নির্যাতনের শিকার

Reporter Name / ৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬

পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে এবং প্রিয়জনদের একটু ভালো রাখার সোনালী স্বপ্ন বুকে নিয়ে মরুর দেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন হাজারো নারী। কিন্তু সেই স্বপ্ন অচিরেই রূপ নেয় দুঃসহ এক বাস্তবতায়। সীমাহীন নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন, দাসত্বের মতো বন্দিজীবন আর চরম বঞ্চনা সহ্য করতে না পেরে শূন্য হাতে নিঃস্ব হয়ে দেশে ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন নারী অভিবাসী শ্রমিকরা। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাত্র নয় মাসেই বিভিন্ন দেশ থেকে এক হাজার ছয়শত সাতাশি জন নারী কর্মী দেশে ফেরত আসতে বাধ্য হয়েছেন। উদ্বেগের বিষয় হলো, ফিরে আসা এসব নারী শ্রমিকের অর্ধেকেরও বেশি বা শতকরা প্রায় ঊনষাট ভাগই ফিরেছেন এককভাবে সৌদি আরব থেকে। বিমানবন্দর প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের আউটপাসসংক্রান্ত পরিসংখ্যানে অভিবাসী নারীদের এই মর্মান্তিক বাস্তবতার তথ্য উঠে এসেছে।

হাজার মাইল দূরে অচেনা পরিবেশে গৃহকর্মীর আড়ালে যে কী পরিমাণ অমানবিক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, ফিরে আসা নারীদের বয়ানে তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ভাইবোনের পড়ার খরচ আর পরিবারের মুখে দুমুঠো অন্ন জোগাতে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে সৌদি আরবে গৃহকর্মী হিসেবে গিয়েছিলেন সাভারের শিলা বেগম। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর তাঁর জীবনের ওপর নেমে আসে বিভীষিকা। দিন-রাত একটানা অমানুষিক খাটুনির পরও তাঁকে পর্যাপ্ত খাবার দেওয়া হতো না। এমনকি একটু বিশ্রাম নেওয়ার মতো জায়গা পর্যন্ত তাঁর ছিল না; ঘুমাতে হতো রান্নাঘরের মেঝেতে। বাড়ির বাইরে বের হওয়ার কোনো অনুমতি ছিল না, চার দেয়ালের ভেতর খাঁচায় বন্দি কয়েদির মতো কেটেছে তাঁর প্রতিটি মুহূর্ত। একপর্যায়ে শারীরিক ও মানসিক সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেলে তিনি আর সেখানে টিকতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত দেশ থেকে স্বজনদের মাধ্যমে টাকা আনিয়ে কোনোমতে বিমান টিকিট কেটে গত এপ্রিলে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হন।

একই ধরনের লোমহর্ষক নির্যাতনের শিকার হয়ে ফিরে এসেছেন ঢাকার দোহারের জাহানারা বেগম। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর ভাইয়ের সংসারে বোঝা না হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর আশায় সর্বস্ব বিক্রি এবং ধারদেনা করে সৌদি আরব গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানে গিয়ে পড়েন এক চরিত্রহীন ও হিংস্র গৃহকর্তার খপ্পরে। কাজে যোগ দেওয়ার পর থেকেই ওই গৃহকর্তা তাঁকে অনৈতিক কুপ্রস্তাব দিতে থাকে এবং তাতে রাজি না হওয়ায় শুরু হয় অকথ্য শারীরিক নির্যাতন ও মারধর। জাহানারা জানান, নিজের সম্ভ্রম আর জীবন বাঁচাতেই শেষ পর্যন্ত সব স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে তিনি দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। শিলা কিংবা জাহানারার মতো ভাগ্যবতী যারা, তারা অন্তত নির্যাতন সহ্য করেও জীবিত অবস্থায় পরিবারের কোলে ফিরে আসতে পেরেছেন। কিন্তু সবার কপাল এত ভালো হয় না। বিদেশের মাটি থেকে প্রতি বছরই শত শত নারী কর্মীর নিথর দেহ কফিনবন্দি হয়ে দেশের মাটিতে ফেরে। যাদের মৃত্যুর সনদে দায়সারাভাবে কখনো লেখা থাকে স্বাভাবিক মৃত্যু, আবার কখনো বা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় আত্মহত্যার অপবাদ।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের নয় মাসে যে এক হাজার ছয়শত সাতাশি জন নারী কর্মী আউটপাস বা বিশেষ অনুমতিপত্র নিয়ে দেশে ফিরেছেন, তার মধ্যে কেবল সৌদি আরব থেকেই এসেছেন নয়শত উনআশি জন, যা মোট সংখ্যার ৫৮ দশমিক ৬২ শতাংশ। এছাড়া জর্ডান থেকে ফিরেছেন দুইশত সাতাশ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আটাত্তর জন, ভারত থেকে বায়ান্ন জন এবং মালয়েশিয়া থেকে আটচল্লিশ জন নারী কর্মী। মাসের হিসাব পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে একশত আটাশ জন, ফেব্রুয়ারিতে সাতানব্বই জন, মার্চে ত্রিশ জন, এপ্রিলে দুইশত ছত্রিশ জন, মে মাসে একশত সাতষট্টি জন, জুনে একশত ঊনসত্তর জন, জুলাইয়ে তিনশত একত্রিশ জন, আগস্টে তিনশত নয় জন এবং সেপ্টেম্বরে দুইশত বিশ জন নারী কর্মী দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে কেবল সেপ্টেম্বর মাসেই সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন একশত তিন জন এবং জর্ডান থেকে চৌষট্টি জন।

প্রবাসী কল্যাণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, প্রবাসে নারী কর্মীদের ফিরে আসার পেছনে বহুবিধ কারণ সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় কারণ হলো বিদেশে গিয়ে চুক্তিমোতাবেক কাজ ও নির্ধারিত বেতন না পাওয়া। এর পাশাপাশি রয়েছে ভাষাগত জটিলতা, নতুন সামাজিক পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পারা, অতিরিক্ত কাজের বোঝায় গুরুতর অসুস্থতা, পুষ্টিকর খাদ্যের অভাব এবং পাসপোর্ট ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা। তবে সবচেয়ে আশঙ্কাজনক ও স্পর্শকাতর বিষয় হলো শারীরিক ও যৌন নির্যাতন। চরম যৌন নিপীড়নের শিকার হয়ে অনেক নারী কর্মী অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় দেশে ফিরছেন, যা পরবর্তীতে সমাজে তাদের জন্য আরও বড় সামাজিক ট্র্যাজেডি ডেকে আনছে। অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রাম বা ওকাপের এক গবেষণায় উঠে এসেছে, বাধ্য হয়ে দেশে ফেরা অভিবাসী নারীদের শতকরা চুরানব্বই জনই প্রবাসে নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। এছাড়া শতকরা সাতচল্লিশ ভাগ নারী সরাসরি যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন এবং শতকরা বিরাশি জন নারীকে প্রতিদিন ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত একটানা কাজ করতে হয়েছে।

এমন নাজুক পরিস্থিতির মধ্যেই সম্প্রতি সৌদি আরবের মক্কায় বাংলাদেশ দূতাবাসকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘটনায় প্রবাসী কর্মীদের কূটনৈতিক সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে দেশে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গত সপ্তাহে মক্কার একটি মসজিদ চত্বরে তথাকথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সৌদি কর্তৃপক্ষ নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আক্তার নামের দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ করে। কিন্তু আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করে বিচার প্রক্রিয়া কিংবা দণ্ড কার্যকর করার আগে বাংলাদেশ সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি। গণমাধ্যমে এই খবর প্রকাশের পর জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট নড়েচড়ে বসে এবং সৌদি পররাষ্ট্র দপ্তরে নোট ভার্বাল পাঠিয়ে ঘটনার পূর্ণ বিবরণ জানতে চায়। এ ঘটনায় সরকারের কূটনৈতিক নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে গত রোববার ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ বিন জাফর এইচ বিন আবিয়াকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ডেকে বৈঠক করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে আগের পাঠানো চিঠির অনুলিপি হস্তান্তর করে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ তার বৈদেশিক শ্রমবাজারের জন্য অতিরিক্ত মাত্রায় সৌদি আরব এবং মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। যেখানে ভারত, ফিলিপাইন বা শ্রীলঙ্কার মতো প্রতিযোগী দেশগুলো দক্ষ ও কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন কর্মী পাঠাতে মনোযোগ দিচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশ এখনো অদক্ষ শ্রমশক্তি রপ্তানির চক্রে আটকা পড়ে আছে। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিগত ২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে মোট ১১ লাখ ৩২ হাজার ৩৬০ জন কর্মী বিদেশে গেছেন, যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বা ৭ লাখ ৫৫ হাজার ১৯৪ জনই গেছেন সৌদি আরবে। আর চলতি বছরেও বিএমইটি থেকে বহির্গমন ছাড়পত্র নেওয়া ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭১৮ জন কর্মীর মধ্যে ৩ লাখ ১৫ হাজার ১৪৩ জনই গেছেন সৌদি আরবে। অর্থাৎ মোট শ্রমবাজারের অর্ধেকেরও বেশি এখনো একক দেশের ওপর নির্ভরশীল।

১৯৯১ সাল থেকে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিদেশে নারী কর্মী পাঠানো শুরু করলেও সৌদি আরবের সঙ্গে বর্তমান গৃহকর্মী চুক্তির প্রেক্ষাপটটি ছিল ভিন্ন। নির্যাতনের ব্যাপক অভিযোগ ওঠার কারণে ২০১১ সালের দিকে ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইন সৌদি আরবে নারী গৃহকর্মী পাঠানো সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। এরপর গৃহকর্মীর তীব্র সংকট তৈরি হলে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। সেই চুক্তির পর থেকেই দেশটিতে ধারাবাহিকভাবে নারী কর্মী পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু যেসব অমানবিক আচরণ ও নির্যাতনের কারণে ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া তাদের নারীদের পাঠানো বন্ধ করেছিল, সেই একই শোষণের শিকার হচ্ছেন বাংলাদেশের গ্রামীণ নারীরা।

অভিবাসন ও শরণার্থী বিষয়ক বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর এ প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশের শ্রমবাজারকে অবিলম্বে বহুমুখী ও সম্প্রসারিত করতে হবে। গৃহকর্মের সামন্ততান্ত্রিক অচলায়তন থেকে বেরিয়ে নারীদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি কাজের ক্ষেত্র তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। তিনি উল্লেখ করেন, জর্ডানের মতো দেশে বাংলাদেশের নারীরা তৈরি পোশাক কারখানায় সম্মানজনক পরিবেশে দলগতভাবে কাজ করছেন। সেখানে তারা ডরমিটরি বা হোস্টেলে থাকেন, ফলে তাদের ওপর ব্যক্তিগত নির্যাতনের ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে। কিন্তু সৌদি আরবে নারীদের গৃহকর্মী হিসেবে পাঠানো হয়, যেখানে তাদের সারাদিন একটি পরিবারের চার দেয়ালের ভেতর বন্দি থাকতে হয়। সেখানে কোনো তদারকি বা আইনি নজরদারি পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, কোনো একক দেশের গৃহকর্মে নারীদের ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখে ঠেলে না দিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার মাধ্যমে গৃহকর্মী পাঠানোর হার ধাপে ধাপে কমিয়ে আনতে হবে। একই সাথে নারীদের আধুনিক কারিগরি, নির্মাণ ও সেবা খাতের মতো পেশায় প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর ওপর কঠোর শর্তারোপ করতে হবে যাতে নারীদের কোনো ব্যক্তির একক বাসাবাড়িতে জিম্মি না রেখে প্রাতিষ্ঠানিক হোস্টেল বা ডরমিটরিতে রাখার ব্যবস্থা করা যায়, যেমনটি বর্তমানে উগান্ডা বা অন্যান্য দেশ সফলভাবে কার্যকর করছে। একই সঙ্গে বিদেশে অবস্থানরত দূতাবাসগুলোর শ্রম উইংয়ের তৎপরতা বৃদ্ধি এবং বিপদে পড়া নারী শ্রমিকদের জন্য তাৎক্ষণিক আইনি সহায়তা ও নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রের পরিসর বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। রেমিট্যান্সের চাকা সচল রাখতে গিয়ে দেশের নারীদের সম্ভ্রম ও জীবনের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেওয়া কোনো সভ্য রাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি হতে পারে না।

তথ্যসূত্র: ঢাকা পোস্ট


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category