• বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক ভিড়ছে জ্বালানিবাহী জাহাজ, সংকটের শঙ্কা নেই: বন্দর কর্তৃপক্ষ

Reporter Name / ৭৮ Time View
Update : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

দেশে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের খবরের মাঝেই স্বস্তির বার্তা দিল চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দর সূত্রে জানা গেছে, কাতার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে আজ বুধবার (১১ মার্চ) চতুর্থ চালানের একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে। একই দিনে মালয়েশিয়া থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বোঝাই আরেকটি জাহাজও বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এছাড়া, আগামী ১২ ও ১৪ মার্চ যথাক্রমে আরও দুটি এলএনজি ও ডিজেলবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসবে বলে নিশ্চিত করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। পর পর জ্বালানিবাহী জাহাজ আসার এই খবরে সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আজ বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি তেল ও গ্যাস আমদানি পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানান বন্দরের সদস্য (হারবার ও মেরিন) ক্যাপ্টেন আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, “জ্বালানি আমদানির পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। এ পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি নিয়ে মোট ১৮টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এর মধ্যে আটটি জাহাজ এরই মধ্যে পণ্য খালাস শেষ করে বন্দর ছেড়ে চলে গেছে এবং বর্তমানে ৬টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম পুরোদমে চলছে।”

বন্দর কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) কাছে বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে, ফলে দেশে জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই। এছাড়া, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচলেও এখন আর কোনো বাধা নেই। পাইপলাইনে থাকা জাহাজগুলো নির্ধারিত সময়ে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে কোনো সমস্যা হবে না বলে আশা প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। ক্যাপ্টেন আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ বলেন, “সরকারের সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকেও জ্বালানিবাহী জাহাজগুলো দ্রুত খালাসে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।”

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, কনটেইনার ডিপো ও লাইটারেজ জাহাজে ডিজেল সংকট এবং চাহিদা-সংক্রান্ত সব তথ্য বিপিসির কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলকে জানানো হয়েছে। বিপিসি বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের পাশাপাশি পাইপলাইনে থাকা জাহাজগুলো দ্রুত আনার উদ্যোগ নিয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং জনসচেতনতামূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে সম্ভাব্য যেকোনো জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category