• রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
Headline
টাকা ধার না দেওয়ায় সেই শিশুকে হত্যা স্লিপ ডিভোর্স নওগাঁয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন: ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্য ‘হতে পারে কোয়েল ভুল সিঁড়িতে পা দিয়েছিলেন’: রুদ্রনীল ঘোষ ফ্রিজ ছাড়াই দীর্ঘদিন আম তাজা রাখার দারুণ কিছু কৌশল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইরানের কোনো আস্থা নেই, জানালেন প্রধান বিচারপতি পতাকা বৈঠকেও হয়নি সমাধান, দুই দিন ধরে সীমান্তে শিশুসহ ১২ জনের মানবেতর জীবন সৌদিতে ফেলে আসা লাগেজ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তুমুল সংঘর্ষ, আহত ১৫ রাউজানে যুবদল নেতাকে মাথায় গুলি করে হত্যা: কাপ্তাই সড়ক অবরোধ করে তুমুল বিক্ষোভ ভারতীয় হাইকমিশনারের ‘এক হয়ে যাওয়া’ বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাইলেন জামায়াত আমির

নতুন রক্তের গ্রুপ শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা

Reporter Name / ২৩২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫

দীর্ঘ সময় পর ফ্রান্সের বিজ্ঞানীরা বিশ্বের ৪৮তম নতুন রক্তের গ্রুপ চিহ্নিত করেছেন। নতুন রক্তের গ্রুপটি গোয়াডেলুপ নামক ক্যারিবীয় অঞ্চলের এক নারীর শরীরে। বিজ্ঞানীরা এই রক্তের গ্রুপের নাম দিয়েছেন ‘গোয়াদা নেগেটিভ’, যা ওই নারীর আঞ্চলিক পরিচয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস থেকে জানা যায়, ২০১১ সালে ওই নারী একটি সার্জারির আগে রুটিন রক্ত পরীক্ষায় অংশ নেন। তখনই তার রক্তে একটি বিরল অ্যান্টিবডি শনাক্ত করা হয়। কিন্তু তখন পর্যাপ্ত প্রযুক্তি ও গবেষণা সামর্থ্য না থাকায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান সম্ভব হয়নি। পরে, ২০১৯ সালে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ডিএনএ সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তির মাধ্যমে গবেষকরা এই বিরল জিনগত বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করতে সক্ষম হন

এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে ফ্রেঞ্চ ব্লাড এস্টাবলিশমেন্ট (EFS), যেটি ফ্রান্সের জাতীয় রক্ত সঞ্চালন সংস্থা। তারা এটিকে “বিশ্বে প্রথম” বলেও উল্লেখ করেছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে ওই নারীই এই রক্তের গ্রুপের একমাত্র পরিচিত বাহক। এর অর্থ হলো, তার শরীরে যদি কখনো রক্ত দেয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে কেবল নিজের রক্তই তার জন্য উপযোগী।

গবেষকদের মতে, এটি বংশগত রোগ, যার ফলে ধারণা করা হচ্ছে, তার মা ও বাবা উভয়েই সংশ্লিষ্ট জিনের রূপান্তরিত রূপ বহন করেন।এই রক্তের গ্রুপটি সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ ব্লাড ট্রান্সফিউশনকর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত হয়েছে। ফ্রেঞ্চ ব্লাড এস্টাবলিশমেন্ট-এর বায়োলজিস্ট থিয়েরি পেয়ারার মতে, রক্তের নতুন গ্রুপ শনাক্ত করা মানে হচ্ছে  বিরল রক্তধারী রোগীদের জন্য আরও উন্নত চিকিৎসা ও যত্ন নিশ্চিত করা।

বর্তমানে গবেষকরা চেষ্টা করছেন বিশ্বজুড়ে আরও এমন ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে, যাদের শরীরেও ‘গোয়াদা নেগেটিভ’ রক্তধারা থাকতে পারে। এমন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা গেলে, ভবিষ্যতে এই বিরল গ্রুপধারীদের চিকিৎসায় অনেকটা সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category