• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন
Headline
আলোচনার টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র ও হামাস ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ: স্বাধীনতার আঁতুড়ঘরে এবার নেই কোনো সরকারি আয়োজন বিরিয়ানিতে মেশানো হচ্ছে ডায়ালাইসিসের কেমিক্যাল: রাজধানীতে অভিযানে চাঞ্চল্যকর তথ্য অনলাইনে কালোবাজারি: ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে প্রতি লিটার তেল বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ৩৫০ টাকায় মুজিবনগর দিবস আজ: সরকার বদলালেও সংস্কার হয়নি, ধ্বংসস্তূপেই পড়ে আছে স্বাধীনতার স্মারক ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুত উৎপাদনের মেগাপরিকল্পনা সরকারের পুলিশে সরাসরি ৪ হাজার উপপরিদর্শক নিয়োগের উদ্যোগ বিষাক্ত আবর্জনা ও দূষণে মৃত্যুর মুখে ঢাকার লেকগুলো: চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে নগরবাসী এআই কি কেড়ে নেবে শিল্পীর জায়গা? হলিউড-বলিউডের তারকারা যা বলছেন মাঠের জাদুকর এবার মালিকের চেয়ারে: স্প্যানিশ ক্লাব কিনে নিলেন লিওনেল মেসি

নামাজের বিধান হজের সফরে

Reporter Name / ৪৪৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১ জুন, ২০২৩

হজের সফরে কখন? কোথায়? কত রাকাত নামাজ পড়তে হয় ইত্যাদি নিয়ে অনেকে সংশয়ে পড়ে যান।

এমনকি মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতের মাঠেও এ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তাই আগে সফর সম্পর্কিত কিছু মাসআলা জানা দরকার-

(ক) আটচল্লিশ (৪৮) মাইল দূরত্বগামী যাত্রীকে শরিয়তে মুসাফির বলা হয়।
(খ) নিজের এলাকা অতিক্রম করা মাত্রই মুসাফির হয়ে যাবেন এবং মুসাফিরের বিধান মতো চলতে হবে।

(গ) মুসাফির হয়ে কোথাও গিয়ে ১৫ দিন বা তার ঊর্ধ্বে অবস্থানের নিয়ত করলে ‘মুকিম’ হয়ে যাবেন, এর কমে মুকিম হবে না।

(ঘ) অনুরূপ ভিন্ন ভিন্ন দুই স্থানে ১৫ দিন থাকার নিয়ত করলে মুকিম হবে না বরং মুসাফির থেকে যাবে। যেমন কেউ মক্কা
মোকাররমায় ১০ দিন এবং মিনায় ৫ দিন থাকার নিয়ত করল, এতে সে মুকিম হবে না বরং মুসাফিরই থেকে যাবে।

সুতরাং যে হাজিরা মক্কায় এমন সময় পৌঁছেন যে ৮ জিলহজ (হজের প্রথম দিন) পর্যন্ত ১৫ দিন হয় না, তারা যদি মক্কায় ১৫ দিন বা এর চেয়ে বেশি দিন একামাতের (অবস্থান) নিয়ত করেন তাহলে সে নিয়ত ছহিহ হবে না; বরং মুসাফিরই থেকে যাবেন, কারণ তারা ১৫ দিনের মধ্যে মিনা-আরাফাতে অবশ্যই যাবেন, যেতে হবে। তাই এ অবস্থায় তাদের মুকিম হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এমন ব্যক্তিদের মিনা, আরাফাত ও মুজদালিফায় কসর করতে হবে।
কসরের মাসআলা

মুসাফির সফর অবস্থায় কোনো মুকিম (স্থানীয়) ইমামের পেছনে নামাজের নিয়ত না করলে, তার জন্য চার রাকাতবিশিষ্ট ফরজ নামাজ দুই রাকাত পড়া জরুরি। এটাকে কসরের নামাজ বলে।

মুসাফির চার রাকাতবিশিষ্ট ফরজ নামাজ একাকী পড়লে বা তার মতো মুসাফির ইমামের পেছনে আদায় করলে, নামাজ কসর করা জরুরি। এক্ষেত্রে পূর্ণ নামাজ পড়া ঠিক নয়।

মুসাফির ব্যক্তি স্থানীয় ইমামের পেছনে ইকতিদা করলে সে ইমামের অনুসরণে পূর্ণ নামাজই আদায় করবে। (আল মাবসুত, সারাখসি ১/২৪৩)।

আর মাগরিব, বিতর ও ফজরের নামাজ পূর্ণই আদায় করতে হবে। এগুলোর কসর নেই। তেমনিভাবে সুন্নত নামাজেরও কসর হয় না। তাই সুন্নত পড়লে পুরোটাই পড়বে।

মরহুম শেখ গোলাম মুহীউদ্দীন (রহ.) রচিত কিতাবুল হজ অবলম্বনে

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category