• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
Headline
অতিরিক্ত বাসভাড়া নিলে জরিমানা, বাতিল হবে রুট পারমিট: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী সরকারি হাসপাতালের সামনে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না বিরোধী দলগুলো আত্মস্বীকৃত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হচ্ছে: রিজভী দূরপাল্লা ও মহানগরে বাসভাড়া বাড়ল নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষা প্রদানে বিশেষ জোর দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিমার টাকা হাতাতে নিজেদের বাসেই আগুন দিচ্ছে আওয়ামী লীগ চক্র চাকরির চূড়া থেকে নামার প্রস্তুতি ফিফা সংস্কারের প্রস্তাব ইনফান্তিনোর

নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা: ভ্রমণকালীন ভোগান্তি এড়াতে যেসব সতর্কতা জরুরি

Reporter Name / ১৩৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

দরজায় কড়া নাড়ছে মুসলমানদের আনন্দ উৎসব ঈদুল ফিতর। দৈনন্দিন জীবনের সব ব্যস্ততা ও যান্ত্রিকতা পেছনে ফেলে পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন অসংখ্য মানুষ। নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার এই দীর্ঘ যাত্রাপথে প্রতিবছরই ঘরমুখো মানুষকে নানা ধরনের ভোগান্তি ও শারীরিক অসুস্থতার ঝুঁকিতে পড়তে হয়, যা অনেক সময় উৎসবের আনন্দকে ম্লান করে দেয়। তাই যাত্রাপথে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ও অসুস্থতা এড়াতে ভ্রমণকারীদের বেশ কিছু বিষয়ে আগাম ও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ভ্রমণকালীন স্বস্তি নিশ্চিত করার প্রথম ধাপ হলো পরিকল্পিতভাবে লাগেজ বা ব্যাগ গোছানো। ছুটির দিনগুলোর কথা মাথায় রেখে অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রে ব্যাগ ভারী করা থেকে বিরত থাকা উচিত, কারণ অতিরিক্ত বোঝা যাত্রাপথে ভোগান্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। যাত্রাসঙ্গী হিসেবে শিশু বা বয়স্ক কেউ থাকলে তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সহজে হাতের কাছে রাখা জরুরি। অন্যদিকে, আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে আগামী কয়েকদিন গরমের তীব্রতা থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে সুতি বা লিনেন কাপড়ের হালকা ও আরামদায়ক পোশাক পরিধান করা উচিত। পাশাপাশি শারীরিক অস্বস্তি এড়াতে হাইহিলের পরিবর্তে সমতল ও নরম জুতা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘ দূরত্বের যাত্রায় পথিমধ্যে ইফতার বা সাহরি করার প্রয়োজন হতে পারে। পানিবাহিত রোগ ও পেটের পীড়া থেকে বাঁচতে বাইরের খোলা ও অস্বাস্থ্যকর খাবারের পরিবর্তে বাসা থেকে তৈরি করা খাবার, রুটি, ফলমূল ও পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি সঙ্গে রাখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য ঘরে তৈরি খাবার নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। যেকোনো আপৎকালীন স্বাস্থ্যগত পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি ছোট ফার্স্ট এইড বক্স এবং প্যারাসিটামল, গ্যাসের ওষুধ, বমির ওষুধ, খাবার স্যালাইন, তুলা ও ব্যান্ডেজের মতো অতি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী ছোট হ্যান্ডব্যাগে রাখা উচিত, কারণ চলতি পথে সবসময় ফার্মেসি পাওয়া নাও যেতে পারে।

যাতায়াতের মাধ্যম বাস, ট্রেন বা লঞ্চ—যাই হোক না কেন, শিশুদের নিরাপত্তার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। তারা যেন কোনোভাবেই জানালার বাইরে হাত বা মাথা বের না করে এবং বাইরের কোনো অস্বাস্থ্যকর পানীয় না খায়, সেদিকে অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে হবে। উৎসবের এই প্রচণ্ড ভিড়কে পুঁজি করে যাত্রাপথে মলম পার্টি, অজ্ঞান পার্টি, ছিনতাইকারী ও ডাকাত চক্রের আনাগোনা মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়। তাই যাত্রীদের মূল্যবান জিনিসপত্রের বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার এবং যাত্রাপথে অপরিচিত কারও দেওয়া পানীয় বা খাবার গ্রহণ থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেকোনো অপ্রত্যাশিত বিপদে মাথা ঠান্ডা রেখে পরিস্থিতি মোকাবিলার মানসিক প্রস্তুতি রাখাই একটি নিরাপদ ঈদযাত্রার পূর্বশর্ত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category