• রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন

নূর-ই গুলশান খাদ্যের অস্কার পুরস্কারের তালিকায়

Reporter Name / ৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৪

‘অস্কার অব ফুড’ বা খাদ্যের অস্কার হিসেবে পরিচিত জেমস বিয়ার্ড ফাউন্ডেশন পুরস্কারের তালিকায় ঠাঁই করে নিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন শেফ নূর-ই গুলশান রহমান। রন্ধনশিল্পে শৈল্পিক নৈপুণ্য ও উদ্ভাবনে অবদানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে বলেছে, মিড আটলান্টিক বিভাগে সেরা শেফ বা বাবুর্চির ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত হয়েছেন ৬৫ বছর বয়সী নূর-ই গুলশান। নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের জার্সি শহরে ‘কড়াই কিচেন’ নামের রেস্তোরাঁ আছে তার। এটি খাঁটি বাংলাদেশি খাবারের জন্য বিখ্যাত।

প্রতিবেদনে বলা হয়, খুবই সাদামাটাভাবে এই রেস্তোরাঁর যাত্রা শুরু হলেও রন্ধনশিল্পে প্রাণবন্ত চিহ্ন রেখেছে এটি। গুলশান রহমানের খাবারের দোকানটি খাঁটি বাংলাদেশি স্বাদ ও ঘরোয়া রীতির রান্নার জন্য প্রশংসা পেয়েছে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৩১ বছর বয়সি সর্বকনিষ্ঠ মেয়ে নূর-ই ফারহানা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি এই রেস্তোরাঁ চালু করেন।

পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রেস্তোরাঁর পক্ষ থেকে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তার মেয়ে।

এতে বলা হয়, ‘আম্মা আজ জেমস বিয়ার্ড অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছেন! মা ও আমাদের চমৎকার টিমের জন্য এ যে কত গর্বের, তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না! বাংলাদেশি খাবার ও আমার অসম্ভব মেধাবী মায়ের জন্য এ এক সুন্দর মুহূর্ত! তিনি পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই শিল্পে নৈপুণ্য দেখিয়ে আসছেন।’

কড়াই কিচেনের প্রশংসা করে নিউইয়র্ক টাইমস লিখেছে, বাংলাদেশি বাড়িতে খাওয়ার মতোই ঘরোয়া ও উষ্ণ অভিজ্ঞতা দেয় এই রেস্তোরাঁ। এতে ভর্তা ও হালকা তরকারিসহ বৈচিত্র্যময় মেনুর বুফে রয়েছে। আর এসব মেনু তৈরিতে গুলশান রহমানের সতর্ক দৃষ্টি থাকে। যত্নে সঙ্গে তিনি খাবার তৈরি করেন।

১৯৯০ সালে জেমস বিয়ার্ড অ্যাওয়ার্ড দেওয়া শুরু হয়। এটি রন্ধনশিল্পের শ্রেষ্ঠত্বের জন্য একটি মানদণ্ড নির্ধারণ করে দিয়েছে। যারা রান্নার মান বজায় রাখার সঙ্গে সঙ্গে সহকর্মী ও কমিউনিটির ওপর ইতিবাচক এবং উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে, তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

রন্ধনশিল্পে নিবেদন ও দক্ষতার কারণেই গুলশান রহমানকে মনোনীত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রন্ধনশিল্পে বাংলাদেশের খাবারের স্বাদকে তিনি সঠিক রূপে তুলে ধরতে পেরেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category