• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৩ অপরাহ্ন
Headline
১২ নভেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের পথে যাবে না সরকার: আইনমন্ত্রী ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা করের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন ‘লেডি মীর জাফর’ বলে ফেসবুকে পোস্ট: ডিএজির বিরুদ্ধে রুমিন ফারহানার অভিযোগ ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন: উত্তরে জামায়াতের প্রার্থী সেলিম, দক্ষিণে সাদিক দেশের বিমা খাতে বিশাল অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি হয়েছে: অর্থমন্ত্রী সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে : প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রতিবেশীদের সতর্কবার্তা ইরানের: “শত্রুকে ভূমি ব্যবহারের সুযোগ দিলেই হামলা”

Reporter Name / ১৪৪ Time View
Update : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ যদি তাদের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহার করে ইরানের শত্রুদের (যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল) আগ্রাসনে সহায়তা করে, তবে সেসব দেশকেও ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

শনিবার (৭ মার্চ) ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্ব পরিষদের সদস্য এবং বিচার বিভাগীয় প্রধান গোলাম হোসেন মোহসেনি এযেই এই কঠোর বার্তা প্রদান করেন।

মোহসেনির হুঁশিয়ারি: ‘লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য হবে’

বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্য অনুযায়ী, মোহসেনি এযেই জানান, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ রয়েছে যে, এই অঞ্চলের কিছু দেশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে শত্রুপক্ষকে তাদের ভূমি ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে। তিনি বলেন:

“যেসব জায়গা থেকে ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালানোর রসদ বা সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোকে আমরা বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করব। নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরান সেসব স্থানে শক্তিশালী আক্রমণ চালাতে দ্বিধা করবে না।”

সংকট কেন গভীর হচ্ছে?

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এটি ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে স্পষ্ট ও সরাসরি হুমকি। এর আগে ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানালেও, আজ তারা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিল যে— ‘নিরপেক্ষতার অভাব’ সহ্য করা হবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই হুঁশিয়ারি মূলত তিনটি কারণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ: ১. ভৌগোলিক নিরাপত্তা: মার্কিন বাহিনীর মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলোকে অকেজো করে দিতে ইরান কোনো ছাড় দিতে রাজি নয়। ২. প্রতিবেশীদের ওপর চাপ: ইরান চায় না তাদের পাশের দেশগুলো ওয়াশিংটন বা তেল আবিবের ‘প্রক্সি’ হিসেবে কাজ করুক। ৩. যুদ্ধ বিস্তৃতির ঝুঁকি: এই ঘোষণার ফলে ওমান, জর্ডান, কুয়েত বা সৌদি আরবের মতো দেশগুলো নতুন করে এক ভয়াবহ কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকটের মুখে পড়ল।

আন্তর্জাতিক মহলে শঙ্কা

ইরানের এই হুমকির ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য নতুন এক অস্থিরতার দিকে মোড় নিল। এতদিন যুদ্ধের আঁচ মূলত ইরান-ইসরায়েল বা ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার কথা থাকলেও, এখন তা আঞ্চলিক যুদ্ধের দিকে ধাবিত হওয়ার স্পষ্ট আলামত পাওয়া যাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category