• মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ

মালয়েশিয়ায় মানবপাচার নিয়ন্ত্রণে নেই: এনএসআই

Reporter Name / ১৯৭ Time View
Update : রবিবার, ৭ মে, ২০২৩

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক নিয়োগের নামে পাচারকারী নিয়োগকর্তা ও শ্রম সরবরাহকারীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। মানবপাচার বন্ধ করতে পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছে নর্থ-সাউথ ইনিশিয়েটিভ (এনএসআই)।

শ্রম ও অভিবাসন বিষয়ে কাজ করে এনএসআই। এর নির্বাহী পরিচালক আদ্রিয়ান পেরেইরা এক সাক্ষাৎকারে বলেন, পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী অভিবাসীকর্মী নিয়োগ থেকে অবৈধ মুনাফা অর্জনকারীদের শনাক্ত করতে সক্ষম হবেন।

পেরেইরা মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে ব্যক্তিগতভাবে মানবপাচার এবং বাধ্যতামূলক শ্রমের শিকার ব্যক্তিদের সঙ্গে যুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের ২০২২ সালের ট্রাফিকিং ইন পারসন্স (টিআইপি) রিপোর্টে মালয়েশিয়াকে যে টায়ার ৩ র্যাংকিংয়ে অবনমন করা হয়েছে সে সম্পর্কে বলেছেন।

এ বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বললে প্রধানমন্ত্রী এমন এজেন্টদের শনাক্ত করতে পারেন যারা অভিবাসী কর্মী নিয়োগ থেকে অবৈধভাবে লাভবান হয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা অতিরিক্ত অভিবাসন খরচ, পাসপোর্ট ও ডকুমেন্ট আটকে রাখা, প্রাপ্য বেতন ও সুবিধা না দেওয়া, বাজে অভিবাসনকে মানবপাচার এবং জোরপূর্বক শ্রম বলে চিহ্নিত করেছে।

এসব দোষে মালয়েশিয়ার কতিপয় উৎপাদকের ওপর সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ফলে মালয়েশিয়ার সরকার শ্রম অবস্থার উন্নয়নে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।

এ বিষয়ে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল বলেন, সরকার গত বছরের টিআইপি রিপোর্টে টায়ার তিন র্যাংকিং থেকে মালয়েশিয়ার অবস্থা উন্নত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

২০১৭ সালে মালয়েশিয়াকে টায়ার ২-এ রাখা হয়েছিল, যার অর্থ হলো যদিও মালয়েশিয়া সরকার যুক্তরাষ্ট্রের ন্যূনতম মানগুলো মেনে চলেনি, তবে তারা উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা করেছে।

২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত র্যাংকিং টায়ার-২ ওয়াচ লিস্টে নেমে এসেছে। এর মানে সরকার ন্যূনতম মানগুলো মেনে চলার জন্য উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা করেছে, তবে একই সঙ্গে পাচারের শিকারের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

মালয়েশিয়া ২০২১ ও ২০২২ সালে টায়ার ৩-এর সর্বনিম্ন র্যাংকিংয়ে নেমে এসেছে। টিআইপি রিপোর্ট টায়ার ৩-এ র্যাংকিং করা মানে সরকার মানদণ্ড মেনে চলে না এবং মানবপাচার মোকাবিলায় ন্যূনতম মানগুলো মেনে চলার জন্য উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টাও করে না।

পেরেইরা বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই মাঠে এসে কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে হবে। আমি নিশ্চিত যে নিয়োগকর্তা এবং এজেন্টরা সরকারের ভেতরে ও বাইরে উভয় দিক থেকে কারা কাকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন তা খুঁজে বের করতে সক্ষম হবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category