• মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
তরমুজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরা চরফ্যাশনে ৬ হাজার ৪৩৭ একর জমিতে মালয়েশিয়ায় দুই বাংলাদেশি পেলেন ‘সিআইপি’ মর্যাদা পাঁচ বছরে প্রায় ৯ লাখ ভারতীয় নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন তফসিলে সাময়িক স্বস্তি হলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া ইনকিলাব মঞ্চের সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশের ডাক সুদানে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী হতাহতের ঘটনায় জাতিসংঘের নিন্দা রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি পুতিন-হাসিনা বৈঠকের কিচ্ছা: ভারতে বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচারের ধুম  সারা দেশে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ, ওসমান হাদি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সালাহ রেকর্ড গড়েই কি লিভারপুল অধ্যায় ‘শেষ’ করলেন?

যুবকের পেট থেকে অপারেশন ছাড়াই আস্ত ১৫ কলম বের করলেন চিকিৎসক

Reporter Name / ৩৭৮ Time View
Update : রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩

অপারেশন ছাড়াই সিরাজগঞ্জে মোতালেব হোসেন (৩৫) নামে এক যুবকের পেট থেকে ১৫টি আস্ত কলম বের করেছেন চিকিৎসক। দেশে প্রথমবারের মতো অপারেশন ছাড়াই এন্ডোস্কপির মাধ্যমে ওই যুবকের পেট থেকে এসব কলম বের করেন চিকিৎসকরা।

সিরাজগঞ্জ শহিদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের একদল চিকিৎসক তার এন্ডোস্কপি সম্পন্ন করেন।

মোতালেব হোসেন জেলার এনায়েতপুর থানাধীন খুকনী আটারদাগ গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন।

সিরাজগঞ্জ শহিদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে এন্ডোস্কপি করেন সেখানকার সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. জাহিদুল ইসলাম, কনসালট্যান্ট ডা. আমিনুল ইসলাম খান ও তাদের দল। ১৬ মে হাসপাতালে ভর্তি হন মোতালেব।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শহিদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান ও এন্ডোস্কপি করা চিকিৎসক জাহিদুল ইসলাম ও কনসালট্যান্ট ডা. আমিনুল ইসলাম খান।

এ বিষয়ে শহিদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ডা. আমিনুল ইসলাম খান বলেন, রোগীটি প্রথমে পেটে ব্যথা নিয়ে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছিল। পরে মেডিসিন ওয়ার্ডের চিকিৎসকরা এক্সরে ও আল্ট্রাসনোগ্রাম করেও পেটে কি সমস্যা সেটি শনাক্ত করতে পারছিলেন না। পরে কনসালট্যান্ট হিসেবে রোগীটি আমার কাছে পাঠানো হয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা এন্ডোস্কপির মাধ্যমে পরীক্ষা করে তার পেটের ভেতর ১৫টি কলম দেখে প্রথমে চমকে যাই, এটা কীভাবে সম্ভব। পরে এন্ডোস্কপির মাধ্যমেই অপারেশন ছাড়াই আমরা কলমগুলো বের করার সিদ্ধান্ত নিই।  তবে বিষয়টি মোটেও ছোট ছিল না, আমাদের জন্য দারুণ চ্যালেঞ্জিং ছিল কাজটা। কলমগুলো একে একে পাকস্থলীতে সেট হয়ে গিয়েছিল। কলমগুলো বের করতে আমাদের প্রথমে মাথায় চিন্তা ছিল যেন কলমগুলোর কারণে কোনোভাবেই শ্বাসনালিতে গিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ না হয়ে যায়। এ ছাড়া রক্তক্ষরণের একটা চিন্তাও মাথায় ছিল। অতঃপর প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আমরা কলমগুলো বের করে নিয়ে আসতে সক্ষম হই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category