• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন

শিক্ষকদের জন্য আসছে নতুন বিধি

Reporter Name / ২ Time View
Update : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দেশের শিক্ষাঙ্গনকে সম্পূর্ণভাবে রাজনীতিমুক্ত করা এবং শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক যুগান্তকারী ও কাঠামোগত সংস্কারের পথে হাঁটছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকতার চেয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের যে অপসংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, তার লাগাম টানতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট, স্বচ্ছ ও কঠোর আচরণবিধি প্রণয়নের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রস্তাবিত এই নতুন আচরণবিধিতে শিক্ষকতা পেশার পাশাপাশি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে যুক্ত থাকা কিংবা শিক্ষাবহির্ভূত অন্য কোনো লাভজনক পেশায় সম্পৃক্ত হওয়ার ওপর সুস্পষ্ট সীমারেখা টেনে দেওয়া হচ্ছে। একজন আদর্শ শিক্ষকের পেশাগত সম্মান, গাম্ভীর্য ও মর্যাদার সঙ্গে ঠিক কোন ধরনের কর্মকাণ্ডগুলো সরাসরি সাংঘর্ষিক এবং চাকরিতে বহাল থেকে একজন শিক্ষক কী কী করতে পারবেন আর কী কী থেকে তাঁকে আবশ্যিকভাবে বিরত থাকতে হবে, তার একটি বিশদ ও সুনির্দিষ্ট রূপরেখা এই বিধিমালার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করা হবে। মূলত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রকৃত জ্ঞানচর্চা ও মেধা বিকাশের নিরাপদ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার চরম তাগিদ থেকেই সরকারের নীতিনির্ধারকরা এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর ১৫ দফা অনুশাসন ও শিক্ষার মানোন্নয়ন

শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক ও টেকসই উন্নয়ন, বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের আশঙ্কাজনক হারে ঝরে পড়া কমানো, শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কঠোর শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর এই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পরিদর্শনের সময় মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার নানামুখী সমস্যা, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং আশু করণীয় নিয়ে শিক্ষা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গভীর ও বিশদ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে শিক্ষার্থীদের স্কুল থেকে মাঝপথে ঝরে পড়ার পেছনের মূল আর্থসামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক কারণগুলো। বিশেষ করে গ্রামীণ দারিদ্র্য, উদ্বেগজনক হারে বাল্যবিবাহ বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের গাইডবই ও কোচিংনির্ভর হয়ে পড়া, প্রযুক্তির অপব্যবহার তথা অতিরিক্ত স্মার্টফোন আসক্তি এবং আনন্দময় ও শিশুবান্ধব শিক্ষাদানের চরম ঘাটতির মতো বিষয়গুলো নিয়ে সভায় বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হয়। এসব জটিল সমস্যা সমাধানে এবং শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে সরকারপ্রধানের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট ১৫ দফা অনুশাসন প্রদান করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ওই সভার ‘রেকর্ড অব নোটস’ এবং বিস্তারিত কার্যবিবরণী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠানো হয়। এই অনুশাসনগুলোর যথাযথ ও দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে এখন ব্যাপক ও বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

শ্রেণিকক্ষের বদলে রাজনীতি: অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে নতুন বিধিনিষেধ

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ১৫ দফা অনুশাসনের অন্যতম প্রধান ও দূরদর্শী দিক হলো পবিত্র শিক্ষাঙ্গন থেকে দলীয় রাজনীতির অশুভ প্রভাব সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা এবং শিক্ষকদের সব ধরনের শিক্ষাবহির্ভূত কর্মকাণ্ড থেকে মুক্ত রাখা। অতীতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এমন অসংখ্য অভিযোগ উঠেছে, যেখানে শিক্ষকরা তাঁদের মূল দায়িত্ব শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ দিয়ে পাঠদানের চেয়ে স্থানীয় বা দলীয় রাজনীতিতে অনেক বেশি সময়, শ্রম ও মেধা ব্যয় করেছেন। রাজনৈতিক পরিচয় বা স্থানীয় প্রভাবকে অনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অনেক শিক্ষক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার করেছেন, যা শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশকে বারবার কলুষিত করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই প্রসঙ্গের গভীরতা ব্যাখ্যা করে জানান, শিক্ষকদের রাজনীতিতে মাত্রাতিরিক্ত মনোযোগ দেওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন পড়াশোনা এবং সামগ্রিক ফলাফলের ওপর অত্যন্ত নেতিবাচক ও ধ্বংসাত্মক প্রভাব পড়েছে। এমন এক বাস্তবতায় শিক্ষকদের যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা থেকে পুরোপুরি দূরে রাখা এবং শ্রেণিকক্ষের প্রতি তাঁদের শতভাগ জবাবদিহি নিশ্চিত করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় ও যৌক্তিক দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। নতুন এই আচরণবিধি চূড়ান্ত হলে কোনো শিক্ষকের পক্ষে আর রাজনৈতিক দলের পদ-পদবি ধারণ করা, দলীয় কোনো কর্মসূচিতে বা মিছিলে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা কিংবা নিজের শিক্ষকতা পেশার প্রভাব খাটিয়ে রাজনৈতিক কোনো উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। শুধু দলীয় রাজনীতিই নয়, স্থানীয় সরকার কিংবা জাতীয় নির্বাচনে কোনো শিক্ষকের সরাসরি প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রেও আসতে পারে কঠোর আইনি বিধিনিষেধ। কোনো শিক্ষক যদি সরাসরি দলীয় রাজনীতি না করেও কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তবে তাঁর মহান পেশাগত অবস্থানের সঙ্গে সেই রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা কীভাবে সাংঘর্ষিক হবে, তা এই নতুন বিধিতে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হবে।

অন্য পেশায় নিষেধাজ্ঞা ও প্রযুক্তিনির্ভর নিবিড় তদারকি

রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার পাশাপাশি শিক্ষকদের অন্য কোনো লাভজনক পেশা বা ব্যবসায় যুক্ত থাকার ক্ষেত্রেও নতুন আচরণবিধিতে অত্যন্ত কঠোর নিষেধাজ্ঞা আসার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শিক্ষকতাকে কেবল একটি খণ্ডকালীন পেশা হিসেবে নিয়ে এর পাশাপাশি এমন কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা বা অন্য কাজে যুক্ত থাকা, যা বিদ্যালয়ের নিয়মিত পাঠদান এবং অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনে সরাসরি ব্যাঘাত ঘটায়, তা এই বিধিমালার আওতায় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হতে পারে। সরকারের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো শিক্ষকরা যেন তাঁদের মেধা, সময় এবং মনোযোগের সবটুকু কেবল শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের কল্যাণে ব্যয় করেন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের ওপর প্রশাসনিক নজরদারিও বহুগুণে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী সারা দেশে সময়ভিত্তিক ও অভিন্ন পাঠপরিকল্পনা এবং রুটিন বাস্তবায়নের ওপর সর্বোচ্চ প্রশাসনিক জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান মনিটরিং করার এক যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) নবপ্রণীত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সার্বিক তথ্য ডিজিটাল মাধ্যমে হালনাগাদ করার পাশাপাশি এখন থেকে মাউশির সহকারী পরিচালকরা ‘ডিএমএস অ্যাপ’ (DMS App) ব্যবহার করে সরাসরি ভিডিও কলের মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্তের শ্রেণিকক্ষের পাঠদান কার্যক্রম লাইভ মনিটরিং করবেন। এর ফলে শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি, ক্লাসে আন্তরিকতার সঙ্গে পাঠদান এবং শ্রেণিকক্ষের সামগ্রিক পরিবেশ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির আওতায় চলে আসবে।

বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক সংকট নিরসন ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের প্রসার

শ্রেণিকক্ষের পড়াশোনাকে কেবল একঘেয়ে বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষার্থীদের মানসিক, শারীরিক ও নান্দনিক বিকাশের জন্য সহশিক্ষা কার্যক্রম ব্যাপক হারে বাড়ানোর সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী ও পড়াশোনায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে আগ্রহী করে তুলতে খেলাধুলা, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক চর্চা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং গণিত অলিম্পিয়াডের মতো সৃজনশীল কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রণালয়। বিশেষ করে বিজ্ঞান, গণিত ও ইংরেজির মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও যুগোপযোগী বিষয়গুলোতে সারা দেশে যে প্রকট শিক্ষক সংকট বিরাজ করছে, তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে মোকাবিলা করার একটি বাস্তবসম্মত রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়েছে। এই বিষয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের চিরাচরিত ভীতি দূর করতে এবং শিক্ষকদের পাঠদানের কৌশল আরও আধুনিক ও শিশুবান্ধব করতে বিষয়ভিত্তিক বিশেষায়িত ও মানসম্মত প্রশিক্ষণের ওপর অত্যন্ত গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

নিয়ন্ত্রণ নয়, পেশাগত মর্যাদা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য প্রণীত হতে যাওয়া এই নতুন আচরণবিধি নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, যৌক্তিক ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। তাঁর সুচিন্তিত মতে, শিক্ষকতা কোনো সাধারণ চাকরি বা গতানুগতিক আয়ের উৎস নয়; এটি একটি বিশাল সামাজিক ও নৈতিক দায়বদ্ধতা। একটি পুরো প্রজন্মকে সঠিক জ্ঞান, সময়োপযোগী দক্ষতা, মানবিক মূল্যবোধ ও উন্নত গুণাবলিতে সমৃদ্ধ করে আগামী দিনের বিশ্বমানের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একজন শিক্ষকের ভূমিকাই সমাজে সবচেয়ে বেশি। তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, এই প্রস্তাবিত নতুন আচরণবিধির মূল উদ্দেশ্য কোনোভাবেই শিক্ষকদের অযথা নিয়ন্ত্রণ করা বা তাঁদের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা নয়। বরং এই বিধিমালার প্রধান লক্ষ্য হলো শিক্ষকতা পেশার হারানো মর্যাদা, গাম্ভীর্য ও পবিত্রতাকে পুনরায় সমুন্নত করা এবং শিক্ষকদের পেশাগত দায়িত্ব ও জবাবদিহির একটি অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট, স্বচ্ছ ও কাঠামোগত রূপরেখা তৈরি করা। সরকারের ঐকান্তিক চাওয়া হলো, শিক্ষকরা যেন তাঁদের সব ধরনের মনোযোগ শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত ও গুণগত মানসম্মত পাঠদানের দিকে নিবদ্ধ করেন এবং শিক্ষার্থীদের সুপ্ত মেধা ও সৃজনশীলতার সর্বোচ্চ বিকাশে নিজেদের শতভাগ আত্মনিয়োগ করেন। দেশের প্রতিটি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি অত্যন্ত চমৎকার ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি জানান, এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে যেখানে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর মধ্যকার সম্পর্কটি সম্পূর্ণভাবে পারস্পরিক আস্থা, গভীর সম্মান এবং সুদৃঢ় দায়িত্ববোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত হবে। ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ উপযুক্ত মূল্যায়ন ও উৎসাহ প্রদান করা হলে শিক্ষকরাও নিরুৎসাহিত না হয়ে বরং নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে শিক্ষার্থীদের একটি সুন্দর ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গঠনে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কাজ করবেন। এই সামগ্রিক ও সুদূরপ্রসারী উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে অচিরেই দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এক নতুন ও আলোকিত অধ্যায়ের সূচনা হবে।
তথ্যসূত্র: ঢাকা পোস্ট


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category