ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক, জুলাই যোদ্ধা ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ-সদস্য পদপ্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। তাকে বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা। গঠন করা হয়েছে ১৩ সদস্যের চিকিৎসকের সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড। ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিনের সিনিয়র কনসালটেন্ট ও বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. জাফর ইকবালের নেতৃত্বে এ বোর্ড গঠন করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, হাদির অবস্থা সংকটাপন্ন। তার মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আঘাত আছে ফুসফুসেও। অস্ত্রোপচার শেষে তাকে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টের আওতায় ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়েছে। অবস্থা ভালো নয় উল্লেখ করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে এক চিকিৎসক হাদির জন্য সবার দোয়া কামনা করেছেন। এছাড়া স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাসহ দেশের বহু মানুষ হাদির জন্য দোয়া কামনা করেছেন। অনেকে রাখছেন রোজাও। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। হাদির কখন কী হয়, তা নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় প্রহর গুনছেন স্বজনরা। হাদির সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিদেশে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। তার চিকিৎসায় সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ।
হাদির চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালের বিবৃতিতে বলা হয়, রোগীর মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেহেতু সার্জিক্যাল হস্তক্ষেপ সম্পন্ন হয়েছে, তাই বর্তমানে তাকে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রাখা হয়েছে। ব্রেন প্রোটেকশন প্রটোকল অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সব সাপোর্ট চালু থাকবে। শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে পুনরায় ব্রেনের সিটি স্ক্যান করা হতে পারে। হাদির ফুসফুসে ইনজুরি বিদ্যমান। চেস্ট ড্রেইন টিউব দিয়ে অল্প পরিমাণ রক্ত নির্গত হওয়ায় তা আপাতত চালু রাখা হয়েছে। ফুসফুসে সংক্রমণ ও এআরডিএস প্রতিরোধের বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে ভেন্টিলেটর সাপোর্ট অব্যাহত রাখা হবে।
এদিকে হাদিকে হত্যাচেষ্টা ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে শনিবার রাজধানীসহ সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাধারণ শিক্ষার্থী, ইনকিলাব মঞ্চ, জুলাই যোদ্ধা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা। দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধীদের ধরতে না পারলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা। ঘটনার দুদিন পেরিয়ে গেলেও হত্যাচেষ্টায় জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে। জড়িতদের ধরতে ইতোমধ্যে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণাও দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হাদির ওপর গুলিবর্ষণকারী একজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তার নাম ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা তিনি। কিছুদিন আগে অস্ত্র মামলায় গ্রেফতার হয়েও জামিনে ছাড়া পান। তাকে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। সংগ্রহ করা হচ্ছে গোয়েন্দা তথ্য। ফয়সাল যাতে বিদেশে পালাতে না পারেন, সেজন্য জল-স্থল ও আকাশপথে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার থেকে সারা দেশে শুরু করা হয়েছে ডেভিল হান্ট ফেস-২ অপারেশন।
শুক্রবার জুমার পর রাজধানীর বিজয়নগরের কালভার্ট রোডে গুলিবিদ্ধ হন হাদি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে সিটি স্ক্যান এবং অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ওইদিন রাতেই তাকে স্থানান্তর করা হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। এ ঘটনায় শনিবার রাত ৯টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হাদিকে হত্যাচেষ্টায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়নি। এদিন সকালে হাদির পরিবারের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করেন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়। এ সময় হাদির সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সারা দেশ তার জন্য দোয়া করছে। তার সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিতে সবাই চেষ্টা করছে। তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় যদি দেশের বাইরে পাঠাতে হয়, সরকার তার চিকিৎসার জন্য পাঠাবে।
হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার প্রতিবাদে শনিবার দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘বিক্ষুব্ধ নাগরিক সমাবেশ ও গণপ্রতিরোধ’ কর্মসূচির আয়োজন করে ইনকিলাব মঞ্চ। কর্মসূচি থেকে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়। না হলে ১৫ ডিসেম্বর শহীদ মিনার থেকে এই অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এতে অংশ নিয়ে আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, এই সরকার জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। হাদির ওপর হঠাৎ করেই আক্রমণ হয়নি। তার ওপর যে আক্রমণ হবে, সেটা বারবার জানান দেওয়া হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেফতার করতে না পারলে ১৫ ডিসেম্বর শহীদ মিনার থেকে এই সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, যারা ওসমান হাদির নামটা পর্যন্ত সুন্দর করে উচ্চারণ করতে পারেন না, যারা ইনকিলাব মঞ্চের নাম শোনেননি, তারা আগামী দিনের বাংলাদেশে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবেন। এটাই হচ্ছে আগামী দিনের রাজনীতির মূল তত্ত্বকথা। তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের সঙ্গে বেইমানি করে, বাংলাদেশকে আবার নতুন করে দিল্লির কাছে বেচে দেওয়ার সেই নাটক মঞ্চস্থ চলছে।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেন, বর্বরোচিত কাপুরুষোচিত হামলা শুধু ওসমান হাদির ওপর হয়নি, হামলা হয়েছে বাংলাদেশের ওপর। হামলা হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ওপর, হামলা হয়েছে জুলাই বিপ্লবের ওপর।
শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে দায় চাপানোর একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। আর হাদির ওপর বর্বরোচিত হামলার নিন্দা জানিয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, সে আমার সন্তান সমতুল্য। সে গুলিবিদ্ধ হওয়ার সংবাদ পেয়ে আমি মানসিকভাবে আহত হয়েছি। এটি গণতন্ত্রের ওপর আঘাত। যারা এ আঘাত করেছে, তাদের কালো হাত ভেঙে দিতে হবে। হাদি আমার নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, প্রতিযোগী উল্লেখ করে আব্বাস বলেন, সে রাজপথের সাহসী সৈনিক। তাকে আমি নির্বাচনি মাঠে আবারও সক্রিয় পাব, সেই প্রত্যাশা করি।
হাদিকে গুলির ঘটনায় জড়িতদের ধরিয়ে দিতে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে এ ঘোষণা দেন তিনি। বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। তাদের বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে সরকারের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, জুলাইয়ে লুট হওয়া এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চলমান। অভিযান জোরদার ও বেগবান করার জন্য এবং ফ্যাসিস্ট টেরোরিস্টদের দমনের লক্ষ্যে কমিটি অপারেশন ‘ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরলে তার নিরাপত্তায় কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, তারেক রহমানের নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো শঙ্কা নেই। তার নিরাপত্তার বিষয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি আমরা নেব। প্রার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নেব। তারা চাইলে আমরা তাদের হাতিয়ারের লাইসেন্স দেব।
জড়িত ব্যক্তিদের খোঁজা হচ্ছে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। শনিবার রাজধানীর রাজারবাগে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় বক্তব্য দেওয়ার পর তিনি এ কথা জানান। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমরা প্রাইম সাসপেক্টকে খুঁজছি। হোপফুলি আমরা হিট করতে পারব। আমরা জনগণের সহযোগিতা চাই।’
দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র প্রবেশ, প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ ও সন্ত্রাসীদের নির্বিঘ্নে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রমাণ করে যে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাব্যবস্থায় বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়ে সমন্বিতভাবে একটি বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনার দাবি জানান তিনি। শনিবার বিকালে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে তিনি এসব কথা বলেন। দলের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেধ খান বলেন, আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যার জন্য লিস্ট করেছে। সরকার এতকিছু জেনেও হাদির নিরাপত্তা দিতে পারেনি।
হাদিকে হত্যাচেষ্টার সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও ভারতের জড়িত থাকার ইঙ্গিত করে করে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, দিল্লিতে বসে আওয়ামী লীগ সব পরিকল্পনা করছে। তারা এ ধরনের তৎপরতা, জঙ্গি তৎপরতা করছে। ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ মদদ ছাড়া আওয়ামী লীগ এই ধরনের পরিকল্পনা করতে পারে না। শনিবার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
সতর্ক বিজিবি : জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলাকারীরা যেন দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করেছে বিজিবি। হামলাকারীদের দেশত্যাগ রোধে সর্বোচ্চ সতর্কতা গ্রহণ করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন ও পূর্বাঞ্চল সীমান্ত। ৬০ বিজিবি অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল মো. জিয়াউর রহমান যুগান্তরকে জানান, ঢাকায় ঘটে যাওয়া নাশকতা কার্যকলাপে জড়িত কোনো সন্ত্রাসী যাতে সীমান্ত অতিক্রম করতে না পারে, সীমান্তে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ও অপতৎপরতা রোধে সম্পূর্ণ প্রস্তুত ও সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে বিজিবি। সীমান্ত এলাকায় যে কোনো অপরিচিত লোকসমাগম এবং যানবাহন তল্লাশির মাধ্যমে অপরধীদের শনাক্ত করার কার্যক্রম চলছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন বড়লেখা উপজেলার সীমান্তবর্তী ডিমাইবাজার, উত্তর শাহবাজপুর, কুমারশাইল, বিওসি, পাল্লাথল, অফিসবাজারসহ বিভিন্ন পয়েন্টে বিজিবিকে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন ও সন্দেহজনক ব্যক্তিদের তল্লাশি অভিযান চালাতে দেখা গেছে। বিভিন্ন এলাকায় টহল কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল হক চৌধুরী।
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার প্রায় ৩২ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার ও সতর্কতা অবলম্বন করেছে। হাদির ওপর গুলিবর্ষণকারী কেউ যাতে মাধবপুর সীমান্ত দিয়ে দেশ ছাড়তে না পারে, এজন্যই এই সতর্কতা। ১৩ ডিসেম্বর রাত থেকে সীমান্তে টহল ব্যবস্থা করা হয়।