• সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১১ অপরাহ্ন
Headline
ক্যাম্পাসে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ: নেপথ্যে আধিপত্য বিস্তার ও ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ বিতর্ক ছয় মাসে বাজেট বাস্তবায়ন হার বেড়ে ৩২.৬৮ শতাংশ, তবে পিছিয়েছে এডিপি অর্থের লোভে কোমলমতি শিশুদের মুখে বিষ: মিড ডে মিলে পচা খাবার হাসিনাকে প্রত্যর্পণ: অবস্থান বদলাচ্ছে দিল্লি? সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের বিশ্লেষণ উচ্চশিক্ষাই যেন গলার কাঁটা: বেকার যুবকদের ৩২ শতাংশই উচ্চশিক্ষিত, সামগ্রিক বেকারত্ব বেড়ে ৪.৬৩% আ.লীগের ৯ হেভিওয়েটের তদন্তে ৩ মাস সময় বাড়াল ট্রাইব্যুনাল প্রশাসনে বড় রদবদল: ১১ অধিদপ্তর-সংস্থায় নতুন ডিজি, ৩ কর্তৃপক্ষে চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের ১০ম বৈঠক অনুষ্ঠিত: ৭ হাজার কোটি টাকার ১৭ প্রকল্প উপস্থাপন স্বস্তির বৃষ্টি শুরু বিভিন্ন স্থানে: বিকেলে ঢাকায়ও বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপপ্রবাহ এপ্রিলের শেষ নাগাদ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১৯৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: স্বস্তির আশা

১৫ হাজার কোটির পৈতৃক সম্পত্তি হারাচ্ছেন সাইফ আলি খান

Reporter Name / ৩৪৪ Time View
Update : শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫

মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট ভোপালে নবাব পরিবারের সম্পত্তি নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাইফ আলি খানের আপিল খারিজ করে দিয়েছে। ২০১৪ সালে রাজ্য সরকার অভিনেতার পৈতৃক সম্পত্তিগুলিকে ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসাবে চিহ্নিত করেছিল। এর অর্থ এই সম্পত্তিগুলি এখন বিদেশী সম্পত্তি হিসাবে বিবেচিত হবে এবং সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। গত ২৫ বছর ধরে সইফ এই মামলা লড়ছিলেন। শুক্রবার তাঁর আবেদন খারিজ করেছে হাই কোর্ট।

২০১৪ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার ঘোষণা করেছিল যে ভোপালের শেষ নবাবের সম্পত্তি ১৯৬৮ সালের ‘শত্রু সম্পত্তি আইন’-এর অধীনে অধিগ্রহণ করা হবে। ২০১৫ সালে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আবেদন করেন সইফ। রাজ্য সরকারে সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দেয় হাই কোর্ট। ২০২৪ সালে ১৩ ডিসেম্বর সেই নির্দেশ তুলে নেয় হাই কোর্ট। এদিন সইফের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

ভোপালের কোহেফিজা থেকে চিকলোড় পর্যন্ত বিস্তৃত সইফের সম্পত্তি। যেটির আনুমানিক বাজার দর ১৫ হাজার কোটি টাকা। ভোপালের শেষ নবাব ছিলেন হামিদুল্লাহ খান। সইফ তাঁরই প্রপৌত্র। হামিদুল্লাহর কন্যা আবিদা সুলতান ১৯৫০ সাল থেকে পাকাপাকি ভাবে পাকিস্তানে বসবাস শুরু করেন। এর পর থেকে পতৌদিদেরই ছিল ভোপালের ওই সম্পত্তি। কিন্তু ১৯৬৮ সালে পাশ হয় ‘শত্রু সম্পত্তি আইন’ অনুযায়ী, ১৯৪৭-এ দেশ ভাগের পর অনেক মানুষই পাকিস্তান ও চীনে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের জমি, বাড়ি এবং শেয়ারের মতো সম্পত্তি এখনও এ দেশে রয়ে গিয়েছে। সেই সম্পত্তিগুলোকেই ‘শত্রুর সম্পত্তি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। অর্থাৎ, স্থায়ী ভাবে পাকিস্তান ও চীনে চলে যাওয়া ভারতীয়দের সম্পত্তিতে তাঁদের বংশধরদের আর কোনও অধিকার থাকবে না। সরকার সেই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে বিক্রিও করতে পারবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category