• মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
Headline
যারা শাশুড়ি হতে যাচ্ছেন তাঁদের জন্য ১০টি পরামর্শ চিকিৎসার পর ফের কারাগারে দীপু মনি সংসদে ট্যাক্সের টাকায় যেন চরিত্র হনন না হয় বিরোধী দলের নির্বাচনি এলাকায় ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: মির্জা ফখরুল যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গ্রাহকদের জন্যে স্মার্টফোন সাশ্রয়ী করতে বাংলালিংকের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান চাকরির জন্য তরুণদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী কালো টাকা সাদা করার বিধান প্রত্যাহারসহ কর সংস্কারের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর বন্ধ হচ্ছে আবাসিক গ্যাস সংযোগ

ইউক্রেনে ৬৩৭ দিনে নিহত ১০ হাজার, গাজায় ৪৭ দিনে ১৪ হাজার

Reporter Name / ২১১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৩

সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে দুটি যুদ্ধ। ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন এবং গাজায় ইসরাইলের আক্রমণ। প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উভয় যুদ্ধেই ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ দেখেছে বিশ্ব। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শত শত বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, স্থাপনা।

মৌলিক চাহিদাগুলোর সংকট দেখা দিচ্ছে। থমকে গেছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা। প্রতিদিনই বাড়ছে নিরস্ত্র মানুষের মৃত্যুর মিছিল। তাদের মধ্যে রয়েছে নারী, শিশুসহ অসহায় বেসামরিকরা।

তবে গাজায় ইসরাইলের নৃশংসতা হার মানিয়েছে প্রায় দুই বছর ধরে চলা ইউক্রেনের যুদ্ধকেও। ৬৩৭ দিনের যুদ্ধে ইউক্রেনে ১০,০০০ মানুষ (মঙ্গলবার পর্যন্ত) নিহত হলেও গাজায় মাত্র ৪৭ দিনে মৃতের সংখ্যা ১৪,০০০ ছাড়িয়েছে (বুধবার পর্যন্ত)। আলজাজিরা, সিনহুয়া।

মঙ্গলবার জাতিসংঘের প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, ইউক্রেনে গত তিন মাসে অর্ধেক মৃত্যুর ঘটনা ফ্রন্টলাইনে ঘটেছে। আর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ৫৬০-এর বেশি শিশু নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন ১৮,৫০০ জনের বেশি বেসামরিক।

অন্যদিকে গাজার মিডিয়া অফিসের প্রধান ইসমাইল আল-থাওয়াবতার মতে, গাজায় মাত্র কয়েক দিনের যুদ্ধে প্রায় ৫,৮৪০ শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। নিহত নারীর সংখ্যা ৩,৯২০। পাশাপাশি প্রায় ৩৩,০০০ বেসামরিক আহত হয়েছেন।

এমনকি ইসরাইলের অমানবীয় তাণ্ডবে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৬,৮০০ জন। যাদের মধ্যে ৪,৫০০ শিশু ও নারী বোমা হামলায় বিধ্বস্ত কংক্রিটের নিচে চাপা পড়ে আছে।

অন্যদিকে ইউক্রেনে জাতিসংঘের মানবাধিকার পর্যবেক্ষণের প্রধান ড্যানিয়েল বেল বলছেন, ‘ইউক্রেনের কোনো জায়গাই সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। যুদ্ধ এখন ২১তম মাসে প্রবেশ করছে, এখন এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।’

একই অবস্থা গাজায়ও। ইসরাইলিরাও গাজার বেসামরিকদের অবরুদ্ধ অঞ্চলটির এদিক-ওদিক পাঠাচ্ছে। আবার আকস্মিক হামলা চালাচ্ছে স্থানান্তর পথেই। গাজার বেসামরিকদের দাবি, গাজায় কোনো নিরাপদ স্থান নেই। জাতিসংঘও বলছে, গাজার কোনো স্থানই নিরাপদ নয়।

গাজার জনগণকে রক্ষায় বন্দুকের ট্রিগারেই থাকবে আঙুল-হামাস : গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির জন্য ইসরাইল সরকারের সঙ্গে চুক্তি করলেও জনগণের নিরাপত্তার জন্য সশস্ত্র প্রস্তুতি থাকবে বলে সতর্ক করে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক গোষ্ঠী হামাস।

বুধবার এক বিবৃতিতে হামাস জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির সঙ্গে সঙ্গে আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, আমাদের আঙুল বন্দুকের ট্রিগারেই থাকবে। জনগণকে রক্ষায় এবং দখলদার শক্তিকে পরাজিত করতে আমাদের ‘বিজয়ী’ যোদ্ধারা তৎপর থাকবে।’

সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও ইসরাইল ও হামাস-দুই পক্ষই নিজেদের ‘বৃহত্তর লক্ষ্য অপরিবর্তিত থাকবে’ বলে ঘোষণা দিয়েছে। রয়টার্স।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category