• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন
Headline
ইরান, ইউক্রেন যুদ্ধ ও পররাষ্ট্রনীতিতে কী প্রভাব পড়বে বেসরকারি খাতে ঋণের খরা: কেবল পদক্ষেপে নয়, প্রয়োজন আস্থার সংকট দূরীকরণ ব্যথামুক্ত জীবন ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফরেন পলিসি এ্যাডভাইজারের সাক্ষাৎ কোটালীপাড়ার প্রবীণ শামসুল হকের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা, প্রযুক্তিসহ বহুমুখী সহযোগিতা বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় হবে: শিক্ষামন্ত্রী বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশ-চীনের আলোচনা অর্থনৈতিক ও অবকাঠামো সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের সমঝোতা স্মারক সই মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর

ইরান, ইউক্রেন যুদ্ধ ও পররাষ্ট্রনীতিতে কী প্রভাব পড়বে

Reporter Name / ০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ লাভ করেছে, যা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মসূচির ওপর দলটিকে আরও বেশি প্রভাব বিস্তারের সুযোগ করে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সিএনবিসিকে বলেছেন, ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ইরান ও ইউক্রেন বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের ওপর আরও কঠোর তদারকি এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ নিয়ে আসতে পারে। তবে আইনি কারণে যুদ্ধ বন্ধে ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পকে বাধ্য করতে পারবে না। এই ফলাফল ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দুই বছরের পররাষ্ট্রনীতির চেহারা বদলে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

গত ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে ভোটারদের অসন্তোষই ডেমোক্র্যাটদের এই জয়ের পেছনে কাজ করেছে। মূল্যস্ফীতি, শুল্ক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তথ্যকেন্দ্র এবং ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের নীতির ওপর ভোটারদের ক্ষোভ ছিল বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম। ডেমোক্র্যাটরা উত্তর ক্যারোলাইনা, দক্ষিণ ক্যারোলাইনা, ওহাইও, টেক্সাস, কানসাস ও আইওয়ায় রিপাবলিকানদের সিনেট আসন ছিনিয়ে নিয়েছে। ১০০ আসনের সিনেটে দলটির আসন এখন ৫৪, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৫১টি। প্রতিনিধি পরিষদেও ৪৩৫ আসনের মধ্যে ২১৮ আসনের গণ্ডি পার করেছে ডেমোক্র্যাটরা। বারাক ওবামার দ্বিতীয় মেয়াদের পর এই প্রথম কোনো ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের পক্ষে কংগ্রেসের কোনো কক্ষই থাকল না। ট্রাম্প নিজেও স্বীকার করেছেন, তাঁর প্রতিপক্ষরা তাঁর দলের চেয়ে ভালো প্রচার চালিয়েছে। নতুন কংগ্রেস দায়িত্ব নেবে আগামী ৩ জানুয়ারি।

তবে এই জয় ট্রাম্পকে যুদ্ধ বন্ধে বাধ্য করার ক্ষমতা দেবে না। ৩০১ ধারার কারণে পররাষ্ট্রনীতির ওপর ট্রাম্পের যথারীতি যথেষ্ট কর্তৃত্ব বজায় থাকবে। তবে কংগ্রেস আইন প্রণয়ন, ব্যয় এবং তদারকির ক্ষেত্রে নিজেদের ক্ষমতা ব্যবহার করে প্রশাসনকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে। ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর মেয়াদের শেষ দুই বছরে পররাষ্ট্রনীতির ওপর মনোযোগ আরও বাড়াতে পারেন এবং একই সঙ্গে ইরান ও ইউক্রেনের যুদ্ধ নিয়ে আরও কঠোর তদন্তের মুখোমুখি হতে পারেন বলেও বিশেষজ্ঞরা সিএনবিসিকে জানিয়েছেন।

ইরান যুদ্ধই ছিল এই নির্বাচনের অন্যতম প্রধান বিষয়। চ্যাথাম হাউসের ইউএস অ্যান্ড নর্থ আমেরিকা প্রোগ্রামের পরিচালক লরেল র‌্যাপ সিএনবিসির স্কোয়াক বক্স ইউরোপকে বলেন, আমরা এমন একজন রাষ্ট্রপতিকে দেখতে যাচ্ছি, যিনি তদারকি ও তদন্তের বিষয়ে কিছুটা সীমাবদ্ধ থাকবেন, কিন্তু পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে তাঁর হাতে এখনো যথেষ্ট স্বাধীনতা রয়েছে। র‌্যাপ বলেছেন, আকাশছোঁয়া জ্বালানির দাম, খাদ্যপণ্যের মূল্য এবং মুদ্রাস্ফীতির মধ্যে এই নির্বাচনী চক্রে ইরান যুদ্ধ একটি প্রধান বিষয় ছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ হামলা শুরু করলে এই যুদ্ধ শুরু হয়।

যুদ্ধের লক্ষ্য ছিল তেহরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা, সেই সঙ্গে সরকার পরিবর্তনকেও উৎসাহ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু জুন মাসের পর থেকে সংঘাতটি মূলত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। শান্তিকালে এই সরু জলপথ দিয়ে বিশ্বের তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হতো। যুদ্ধের প্রথম মাসগুলোতে জ্বালানি পরিবহন প্রায় শূন্যে নেমে এলেও মার্কিন নৌবাহিনীর সহায়তায় ট্যাংকার কনভয়ের মাধ্যমে তা এখন যুদ্ধ-পূর্ব স্তরের প্রায় ৮০ শতাংশে ফিরেছে। তবু তেলের দাম যুদ্ধ-পূর্ব স্তরের চেয়ে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি রয়েছে। হামলা শুরুর আগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৬৫ ডলার, জুন মাসে তা এক পর্যায়ে ১২৬ দশমিক ৪১ ডলারে উঠেছিল।

ভোটারদের কাছে যুদ্ধের মূল্য চুকাতে হয়েছে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স নিজেই মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয়ের জন্য ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেছেন। এ নিয়ে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ ভ্যান্সকে কটাক্ষ করেছেন। ট্রাম্প অবশ্য সামরিক অভিযানের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা রাজনৈতিক ক্ষতির চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি নির্বাচনের ফলে যুদ্ধ ভূমিকা রেখেছে বলে স্বীকার করলেও যুদ্ধ-পরবর্তী অভিযান আবার শুরুর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি। ফলে তেহরান এখনো সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

ডেমোক্র্যাটরা রিপাবলিকানদের এবং ইরানের যুদ্ধ ক্ষমতার বিষয়ে প্রশাসনকে সংযত করতে হাউস ও সিনেটে ভোটের চেষ্টা করবে। কিন্তু তা প্রশাসনকে বাধ্য করতে পারবে কি না, সেটা অন্য বিষয়। ডেমোক্র্যাটরা যুদ্ধের জন্য অর্থায়ন সীমিত করার চেষ্টা করতে কংগ্রেসের ব্যয় ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারে। মার্কিন সম্পৃক্ততা শেষ করার জন্য ট্রাম্পকে নির্দেশ দেওয়া যেকোনো বিলকে রাষ্ট্রপতির ভেটো বাতিল করতে উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থনের প্রয়োজন হবে। এদিকে বুধবারের এক নোটে বেরেনবার্গের প্রধান অর্থনীতিবিদ হোলগার শ্মিডিং ইরানে চূড়ান্ত দফা বোমা হামলার পূর্বাভাসও দিয়ে রেখেছেন। রয়টার্সের বিশ্লেষণ বলছে, দুর্বল হয়ে পড়া ট্রাম্পের সামনে এখন চুক্তি অথবা আরও হামলার মধ্যে একটি বেছে নেওয়ার প্রশ্ন। কাতার ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনায় মধ্যস্থতা করছে। আর চীন একটি সমঝোতা করাতে তৎপরতা বাড়িয়েছে।

ট্রাম্প কর্তৃত্ব ধরে রেখেছেন বলে মনে করেন জার্মান মার্শাল ফান্ডের ভিজিটিং সিনিয়র ফেলো জেসি লিন্টজেনিখ। তিনি বুধবার সিএনবিসির স্কোয়াক বক্স ইউরোপকে বলেন, মনে রাখবেন, এই নির্বাচন কংগ্রেসকে পরিবর্তন করে, কিন্তু রাষ্ট্রপতিকে পরিবর্তন করে না। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এখনো অনেক ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব রয়েছে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের সঙ্গে মার্কিন হিসাব-নিকাশ এখনো অমীমাংসিত। সবচেয়ে বড় কথা হলো কংগ্রেস পরিবর্তিত হলেও মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি এখনো রাষ্ট্রপতি এবং তাঁর নিযুক্ত কর্মকর্তাদের দ্বারাই পরিচালিত হয়। তিনি বলেন, আমরা এখন যা দেখব তা হলো, তহবিল প্রয়োগের ক্ষেত্রে কংগ্রেসের তদারকি আরেকটু বাড়বে, এর বেশি কিছু নয়।

তবে বেরেনবার্গের হোলগার শ্মিডিং মনে করছেন, ট্রাম্প সব সময় মনোযোগ আকর্ষণে বিশ্বাসী, যা তাঁকে বিপজ্জনক ভূ-রাজনৈতিক দুঃসাহসিক অভিযানে আরও বেশি আগ্রহী বানিয়ে দিতে পারে। নির্বাচনে হারের পর তিনি পরাজয়ের ক্ষতিপূরণ করতে সামরিক হামলার পথে যেতে পারেন বলে তেহরানে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আবার অন্যদিকে দুর্বল অবস্থান থেকে তাঁর চুক্তির দিকে যাওয়ার প্রণোদনাও বেড়েছে। সীমিত পরিসরে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে লক্ষ্য পূরণের দাবি করে সংঘাতের ইতি টানার পথও খোলা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকরা এটাও বলছেন, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল ইউক্রেন বিষয়ক একটি চুক্তির জন্য কংগ্রেসের সমর্থন বা তহবিল জোগাড় করার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের সক্ষমতাকে জটিল করে তুলতে পারে, কিন্তু তা তাঁকে কূটনৈতিকভাবে কিয়েভের ওপর চাপ সৃষ্টি করা থেকে বিরত রাখতে পারবে না। তবে নির্বাচনের এই ফল ইউক্রেনের ওপর ট্রাম্পের একটি অগ্রহণযোগ্য চুক্তি চাপিয়ে দেওয়ার ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আশা প্রকাশ করেছেন, ডেমোক্র্যাটদের জয় কিয়েভের জন্য আরও মার্কিন সহায়তা বয়ে আনবে। জার্মান সম্প্রচারমাধ্যম জেডডিএফকে তিনি বলেন, ডেমোক্র্যাটরা ইউক্রেনকে সমর্থন এবং সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে খুব স্পষ্টভাবে কথা বলে। তাঁর মতে, কংগ্রেস এখন শক্তিশালী আর্থিক সহায়তা বা সামরিক সহায়তার কথা বললে তা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর প্রভাব ফেলবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাস আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন কংগ্রেস ইউক্রেনকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে এবং রাশিয়ার ওপর আরও চাপ দেবে। ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ জানিয়েছেন, আগামী ১০ ও ১১ নভেম্বর আবু ধাবিতে ইউক্রেন ও রাশিয়ার প্রতিনিধিদলকে একত্র করা হবে। এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প রাশিয়ার পক্ষে যায় এমন কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার ডিজেল আমদানির চুক্তি এবং কংগ্রেসের বিপুল সমর্থনে অনুমোদিত রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা। ইউক্রেন অভিযোগ করেছে, ওয়াশিংটন প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহেও বিলম্ব করছে।

শ্মিডিং আরও বলেছেন, ট্রাম্প যদি ইউক্রেনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন, তবে ইউরোপ সম্ভবত তাদের সমর্থন বাড়াবে, কিন্তু তা যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও গোয়েন্দা সহায়তার সম্পূর্ণ বিকল্প হতে পারবে না। ২০২৫ সালের শুরুতে বেশিরভাগ সরাসরি মার্কিন সহায়তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নই ইউক্রেনের আর্থিক ও সামরিক সহায়তার প্রধান উৎস হয়ে উঠেছে। তবু গোয়েন্দা তথ্য, আকাশ প্রতিরক্ষা ও সরবরাহ ব্যবস্থার মতো মার্কিন সক্ষমতা ইউরোপ সহজে প্রতিস্থাপন করতে পারবে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আগামী মাসে ক্রেমলিন যুদ্ধ বন্ধে অস্বীকৃতি জানালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার বিরুদ্ধে ১৯তম নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজ এগিয়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

নির্বাচনের ফলের আরেকটি দিক হলো অভিশংসনের প্রশ্ন। ডেমোক্র্যাটরা উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ট্রাম্পের তৃতীয় অভিশংসনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। একটি ভবিষ্যদ্বাণী বাজারে ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ ট্রাম্পের অভিশংসনের সম্ভাবনা ২০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪৯ শতাংশে উঠেছে। তবে অভিশংসন হলেও সিনেটে দোষী সাব্যস্ত করতে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট লাগবে। ডেমোক্র্যাটদের আসন ৫৪টি, তাই রিপাবলিকানদের সমর্থন ছাড়া ট্রাম্পকে পদ থেকে সরানো সম্ভব নয়। ফলে অভিশংসন আলোচনায় থাকলেও আগামী দুই বছরের মূল লড়াই হবে তদন্ত, তহবিল ও তদারকি নিয়ে।

সব মিলিয়ে সামনের দুই বছর যুক্তরাষ্ট্রে বিভক্ত সরকারের সময় হতে যাচ্ছে। দেশের ভেতরে ট্রাম্পের কর্মসূচি কংগ্রেসে বাধার মুখে পড়বে, আর পররাষ্ট্রনীতি হয়ে উঠবে তাঁর সবচেয়ে বড় মঞ্চ। ইরান যুদ্ধে চুক্তি নাকি আরও হামলা, ইউক্রেনে চাপ নাকি সহায়তা, এই দুটি সিদ্ধান্তই ঠিক করবে ট্রাম্পের শেষ দুই বছরের উত্তরাধিকার। ডেমোক্র্যাটরা যুদ্ধ থামাতে পারবে না, কিন্তু যুদ্ধের দাম, তহবিলের হিসাব আর সিদ্ধান্তের জবাবদিহি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রকাশ্যে আসবে।

তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category