• মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
Headline
ব্যয় মেটাতে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রাইজমানি আরও বাড়াচ্ছে ফিফা এসি ঘরে বসে কাজ করলেও হতে পারে ডিহাইড্রেশন! কীভাবে সতর্ক থাকবেন? মুকুটে নতুন পালক: ‘গ্লোবাল ভ্যানগার্ড অনার’ পাচ্ছেন গ্লোবাল আইকন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী হত্যা: লাশ গুমের উপায় চ্যাটজিপিটিতে খুঁজেন ঘাতক, বৃষ্টির সন্ধানে নেমে মানবদেহের খণ্ডিতাংশ উদ্ধার এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখল ইসি, যাবেন হাইকোর্টে বাবার স্মৃতিবিজড়িত যশোরের সেই উলাসী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রান্নার কষ্ট লাঘবে নারীদের এলপিজি কার্ড দেওয়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর হামের টিকা দ্রুত নিশ্চিত করার নির্দেশ হাইকোর্টের আগামী সপ্তাহ থেকেই লোডশেডিং কমার আশ্বাস বিদ্যুৎমন্ত্রীর ফিলিস্তিনের পৌর নির্বাচনে আব্বাসপন্থিদের বড় জয়: দুই দশক পর গাজায় ভোট

এআই-এর জনক জিওফ্রে হিন্টনের কঠোর হুঁশিয়ারি

Reporter Name / ১১৯ Time View
Update : সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর অন্যতম পথিকৃৎ এবং এই প্রযুক্তির ‘জনক’ হিসেবে পরিচিত জিওফ্রে হিন্টন সম্প্রতি এআই-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে তার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার মতে, যদিও এআই উদ্ভাবন করা হয়েছে মানুষের ভালোর জন্য, তবুও এর অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার সমাজে ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে জিওফ্রে হিন্টন বলেন, “আমি এআই-এর জনক জিওফ্রে হিন্টন। এআইয়ের উদ্ভাবন ভালোর জন্য হলেও ভবিষ্যতে ব্যাপক বেকারত্ব সৃষ্টি করতে পারে এবং ধনীদের আরও ধনী করে তুলবে, যা সমাজে বৈষম্য বাড়াবে।”

হিন্টনের এই মন্তব্য প্রযুক্তি বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তিনি আরও বলেন, তার সবচেয়ে বড় শঙ্কা হলো, “এআই সাধারণ মানুষের হাতে পারমাণবিক বোমা বা বায়ো-ওয়েপন তৈরির ক্ষমতা তুলে দিতে পারে।” এই উক্তি এআই-এর সম্ভাব্য অপব্যবহার এবং বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

গত বছর গুগল থেকে পদত্যাগ করার পর থেকেই হিন্টন এআই-এর বিপদ সম্পর্কে ক্রমাগত সতর্ক করে আসছেন। তিনি মনে করেন, এআই মডেলগুলো মানব মস্তিষ্কের চেয়ে দ্রুত গতিতে শিখতে ও কাজ করতে সক্ষম এবং একসময় এগুলো মানুষের নিয়ন্ত্রণ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিন্টনের এই সতর্কতা এআই ডেভেলপার, সরকার এবং নীতি নির্ধারকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। এআই প্রযুক্তির নৈতিক ব্যবহার, নিয়ন্ত্রণ এবং এর দীর্ঘমেয়াদী সামাজিক প্রভাব নিয়ে এখনই গভীর আলোচনা ও নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি। তা না হলে, যে প্রযুক্তি মানবজাতির কল্যাণার্থে সৃষ্টি হয়েছিল, তা অদূর ভবিষ্যতে এক অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category