• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৪ অপরাহ্ন
Headline
নারীস্বাস্থ্য রূপান্তরে বৈশ্বিক অংশীদারত্ব ও উদ্ভাবনী অর্থায়নের আহ্বান জুবাইদা রহমানের অবৈধ অভিবাসন বন্ধে বাংলাদেশ-ইইউ একসঙ্গে কাজ করবে দেশের কারাগারে বন্দি মায়েদের সঙ্গে ৩০৩ শিশু ৫ ধাপে হবে ইউপি নির্বাচন, ২১ জানুয়ারি শুরু বিএনপির নেতাকর্মীদের ফ্যাসিবাদী আচরণ না করার আহ্বান রিজভীর সারা দেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ ঘোষণা কমফোর্ট জোন: কারার ঐ লৌহকপাট… গুরুত্বপূর্ণ খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে কানাডার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির আইএমএফের ঋণ নিয়ে আলোচনা চলছে : অর্থমন্ত্রী

কমফোর্ট জোন: কারার ঐ লৌহকপাট…

বাদল সৈয়দ / ২ Time View
Update : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক সেবা সংগঠন ‘কেমিস্টস উইদাউট বর্ডারস’-এর স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কিছুদিন কাজ করেছিলাম।
এ উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট, ডক্টর রে কনকুইস্ট মাঝে মাঝে আমাদের সাথে ভার্চুয়াল সভা করতেন।
তিনি বারবার কমফোর্ট জোন ভাঙার কথা বলতেন। বলতেন, শুধু স্বেচ্ছাসেবা নয়, জীবনের সব ক্ষেত্রেই কিছু পেতে হলে আরামের বৃত্ত ভাঙতে হবে।
তাঁর কথার মূল পয়েন্ট এবং আমার নিজের উপলব্ধি তুলে ধরলাম।
১) নরম বিছানায় তুলতুলে কম্বলের নিচে শুয়ে তুমি যা চাও, তা কখনোই পাবে না। আলাদিনের প্রদীপ আছে রূপকথায়—বাস্তবে নয়।
২) যে কাজগুলো তুমি করতে ভয় পাও—সচেতনভাবে সেগুলো করো। যেমন, অপরিচিত লোকের সাথে তোমার কথা বলতে অস্বস্তি হয়—তাহলে প্রতিদিন একজন অপরিচিত লোকের সাথে আলাপ পাতাও। ছোট ভয় জয় করা দিয়েই কমফোর্ট জোন ভাঙা শুরু করতে হয়।
৩) ব্যর্থ হও, সমস্যা নেই। ব্যর্থ হওয়া আর ব্যর্থ মানুষ এক ব্যাপার নয়। ব্যর্থতা হচ্ছে সফলতার ধাপ—আর ব্যর্থ মানুষ হচ্ছে যে চেষ্টাই করেনি।
৪) ছোট হওয়ার সাহস রাখো। আমরা কেন পিছিয়ে পড়ি জানো? কারণ নতুন কিছু শিখতে আমরা লজ্জা পাই। ভাবি, সবাই আমার অজ্ঞতা নিয়ে উপহাস করবে। টোটালি বোগাস ফিলিং। নিজেকে অত বড় না ভেবে শেখার জন্য প্রয়োজনে হাঁটুর বয়সী বাচ্চার কাছে যাও।
৫) কমফোর্ট জোন বলতে আমরা বুঝি পরিচিত পরিবেশ, অভ্যাস, কাজ। ব্যাপারটি ঠিক নয়। আসল কমফোর্ট জোন হচ্ছে মাইন্ডসেট। আমাদের খায় মনের বাঘ—বনের বাঘ নয়। বদ্ধ মনের দরজা ভাঙো। দেখবে, দুনিয়া দুহাত ভরে তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।
৬) চ্যালেঞ্জ নাও। যে কাজটি পারবে না বলে ভয় হয়, তা করার চেষ্টা করো। যদি সাঁতার না জানো—কারও সাহায্য নিয়ে পানিতে ঝাঁপ দাও। দেখবে, সাঁতার শেখা হয়ে যাবে। নিরাপদে পাড়ে দাঁড়িয়ে পুকুর দেখা থেকে সেখানে দাপিয়ে বেড়ানোর ক্ষমতা অর্জন মানে তুমি ঝুঁকি নেওয়া শুরু করলে। আরামের বৃত্তে হাতুড়ি চালালে।
৭) তবে একটা কথা মনে রেখো, প্লেন এক লাফে আকাশে ওঠে না। আগে মাটিতে দৌড়ায়। একইভাবে এক লাফে কমফোর্ট জোন পার হওয়ার চেষ্টা করো না। পা মচকে যেতে পারে। একটু একটু করে এগোও—বৃত্তের প্রান্তে চক্কর দাও, গতি বাড়াও, তারপর লাফ দাও।
পাখা মেলো — উড়াল দাও।
দেখবে, আকাশ তোমার হাতের মুঠোয় ধরা দেবে।

#আসুন মায়া ছড়াই


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category