বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, শিল্পায়ন এবং দৈনন্দিন নাগরিক জীবনের সবচেয়ে অপরিহার্য জ্বালানি প্রাকৃতিক গ্যাসের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বিপজ্জনক গতিতে হ্রাস পাচ্ছে। যুগ যুগ ধরে মাটির নিচ থেকে উত্তোলন করা সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী গ্যাসের ওপর ভর করে যে শিল্প ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো গড়ে উঠেছিল, তা আজ এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। পেট্রোবাংলার সর্বশেষ বার্ষিক পর্যালোচনা এবং আর্থিক প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, দেশের গ্যাস উত্তোলনে যুক্ত শীর্ষ পাঁচটি পরিচালনা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারটিরই উৎপাদন গত এক বছরে আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। একমাত্র ব্যতিক্রম ছাড়া দেশীয় ও আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থাই নিজেদের পুরোনো ক্ষেত্রগুলো থেকে পূর্বের উৎপাদন হার ধরে রাখতে পারছে না। এই ক্রমাগত পতন শুধু জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তাকেই বিঘ্নিত করছে না, বরং অভ্যন্তরীণ ঘাটতি মেটাতে গিয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারকে অত্যন্ত ব্যয়বহুল তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির এক ভয়াবহ চক্রের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেশের খনিজ সম্পদ উত্তোলনের এই সংকটজনক চিত্রটি স্পষ্টভাবে অনুধাবন করা যায়। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের প্রধান পাঁচটি গ্যাস উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত আহরণের পরিমাণ ছিল ১৭ হাজার ৬৬৯ মিলিয়ন ঘনমিটার। অথচ তার ঠিক আগের অর্থবছরে, অর্থাৎ ২০২৪-২৫ অর্থবছরেও এই কোম্পানিগুলো সম্মিলিতভাবে ১৯ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস জাতীয় সরবরাহ ব্যবস্থায় যোগ করেছিল। মাত্র বারো মাসের ব্যবধানে মোট গ্যাস উত্তোলনের পরিমাণ কমেছে প্রায় ১ হাজার ৯৩১ মিলিয়ন ঘনমিটার, যা হিসাবের মানদণ্ডে প্রায় ৬৮ বিলিয়ন ঘনফুট বা বিসিএফের সমতুল্য। শতকরা হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে দেশীয় ক্ষেত্রগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন প্রায় ৯ দশমিক ৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। একটি উন্নয়নশীল অর্থনীতির জন্য নিজস্ব প্রাথমিক জ্বালানির প্রায় দশ শতাংশ হারানো কোনো সাধারণ ঘটনা নয়; এটি মূলত জাতীয় উৎপাদন সক্ষমতার ওপর এক প্রচণ্ড ধাক্কা।
দেশের জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় সিংহভাগ জোগান দিয়ে থাকে মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি শেভরন। কিন্তু সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, উৎপাদনের সবচেয়ে বড় পতনটি ঘটেছে তাদের পরিচালিত গ্যাসক্ষেত্রগুলোতেই। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শেভরন একাই উত্তোলন করেছিল ১১ হাজার ৩৬৮ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস, যা পরের অর্থবছরে নেমে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ১৫ মিলিয়ন ঘনমিটারে। অর্থাৎ এককভাবে কেবল এই একটি বিদেশি কোম্পানির উৎপাদন কমেছে ১ হাজার ৩৫৩ মিলিয়ন ঘনমিটার। হবিগঞ্জের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রটিকে বলা হয় দেশের জ্বালানি সরবরাহের প্রাণভোমরা, যা থেকে জাতীয় গ্রিডের মোট চাহিদার প্রায় অর্ধেকটা সংগৃহীত হয়। ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বছরের পর বছর ধরে লাগাতার এবং অতিরিক্ত মাত্রায় গ্যাস তোলার কারণে এই বিশালাকার গ্যাসক্ষেত্রটির ভূগর্ভস্থ রিজার্ভার প্রেশার বা চাপ স্বাভাবিকভাবেই দ্রুত কমে আসছে। শেভরন উন্নত প্রযুক্তি ও বিশেষায়িত কম্প্রেসর ব্যবহার করে উৎপাদন ধরে রাখার বিভিন্ন কারিগরি প্রচেষ্টা চালিয়ে গেলেও দীর্ঘমেয়াদে এই পতনের গতি রোধ করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। বিবিয়ানার উৎপাদন হ্রাস পাওয়া মানেই জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের হাহাকার তৈরি হওয়া, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং ভারী কলকারখানাগুলোতে।
বহুজাতিক কোম্পানির পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত গ্যাস কোম্পানিগুলোর সক্ষমতাও এখন তীব্র প্রশ্নের মুখে। দেশের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) তাদের ঐতিহ্যবাহী ক্ষেত্রগুলো থেকে গ্যাস তোলার স্বাভাবিক প্রবাহ ধরে রাখতে চরমভাবে ব্যর্থ হচ্ছে। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি ৫ হাজার ৩১৪ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস উত্তোলন করতে সক্ষম হলেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৮৪৩ মিলিয়ন ঘনমিটারে। ফলে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তাদের বার্ষিক উৎপাদন কমেছে ৪৭১ মিলিয়ন ঘনমিটার। দীর্ঘদিন ধরে নতুন কোনো বড় রিজার্ভ আবিষ্কার না হওয়া এবং তিতাস, বাখরাবাদের মতো পুরোনো ও পরিপক্ব ক্ষেত্রগুলোর দ্রুত শক্তি হ্রাস পাওয়ার কারণেই বিজিএফসিএলের এই করুণ দশা তৈরি হয়েছে। ক্ষেত্রগুলোতে পর্যাপ্ত ওয়ার্কওভার বা সংস্কারকাজ সময়মতো সম্পন্ন না হওয়ায় গ্যাস উত্তোলনের স্বাভাবিক প্রবাহ ধরে রাখা দিনে দিনে আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।
অন্যদিকে, দেশের একমাত্র তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড বা বাপেক্সের অবস্থাও তথৈবচ। মাঠপর্যায়ে নতুন গ্যাস অনুসন্ধানের গুরুদায়িত্ব যাদের কাঁধে, তাদের নিজেদের গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন গ্রাফও নিচের দিকে নামছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাপেক্সের নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন কূপ থেকে মোট ১ হাজার ১৫৫ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছিল। অথচ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেই উত্তোলনের পরিমাণ নেমে এসেছে ১ হাজার ৫৭ মিলিয়ন ঘনমিটারে। এক বছরের ব্যবধানে তাদের উৎপাদন প্রায় ৯৮ মিলিয়ন ঘনমিটার কমে যাওয়া প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্রীয় এই সংস্থাটি প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা, আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা এবং পর্যাপ্ত বিনিয়োগের অভাবে প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে পারছে না। এমনকি দেশে সীমিত পরিসরে গ্যাস উত্তোলনে নিয়োজিত ব্রিটিশ কোম্পানি তাল্লোর মতো বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তাদের আহরণ ছিল ৩৬৯ মিলিয়ন ঘনমিটার, যা পরের বছর ৩৯ মিলিয়ন ঘনমিটার হ্রাস পেয়ে ৩৩০ মিলিয়ন ঘনমিটারে এসে ঠেকেছে।
দেশজুড়ে চার প্রতিষ্ঠানের এই ক্রমাগত ব্যর্থতা ও হতাশার ভিড়ে একমাত্র আশার আলো হয়ে দাঁড়িয়েছে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (এসজিএফএল)। চারটি প্রধান প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন যেখানে ব্যাপক মাত্রায় হ্রাস পেয়েছে, সেখানে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস নিজেদের সক্ষমতা দেখিয়ে উৎপাদন উল্টো কিছুটা বাড়িয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই প্রতিষ্ঠানটির গ্যাস উত্তোলনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৩৯২ মিলিয়ন ঘনমিটার। অত্যন্ত সতর্ক পরিকল্পনা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তারা এই উৎপাদন বাড়িয়ে ১ হাজার ৪২৪ মিলিয়ন ঘনমিটারে উন্নীত করেছে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে এসজিএফএল তাদের বার্ষিক উত্তোলন বাড়িয়েছে প্রায় ৩২ মিলিয়ন ঘনমিটার। পুরো জ্বালানি খাতে যখন তীব্র মন্দা চলছে, তখন সিলেটের এই ইতিবাচক অগ্রগতি প্রমাণ করে যে, সঠিক ভূগর্ভস্থ সমীক্ষা, নিয়মিত পরিচর্যা এবং সদিচ্ছা থাকলে দেশীয় ক্ষেত্রগুলো থেকেও সরবরাহ বাড়ানো পুরোপুরি অসম্ভব নয়।
মাটির নিচের গ্যাসের এই ক্রমহ্রাসমান বাস্তবতা জাতীয় অর্থনীতিকে এক দীর্ঘস্থায়ী ও মারাত্মক বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। অভ্যন্তরীণ কূপগুলো থেকে গ্যাসের জোগান কমতে থাকায় বিকল্প হিসেবে সরকারকে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট ও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির ওপর সর্বাত্মকভাবে ঝুঁকতে হচ্ছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানির চরম অস্থিরতা এবং ডলারের অব্যাহত বিনিময় হারের ঊর্ধ্বগতির কারণে এই আমদানিকৃত গ্যাস দেশের অর্থনীতির জন্য এক বিশাল আর্থিক রক্তক্ষরণের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একদিকে ডলার সংকটের কারণে এলএনজির নিয়মিত কার্গো খালাসে বিলম্ব ঘটছে, অন্যদিকে চড়া মূল্যে কেনা এই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সমন্বয় করতে গিয়ে বারবার বাড়াতে হচ্ছে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের অভ্যন্তরীণ মূল্য। যার মারাত্মক মাশুল গুনতে হচ্ছে সার কারখানা, বস্ত্র কারখানা, সিরামিক শিল্পসহ দেশের সামগ্রিক উৎপাদনশীল খাতকে। জ্বালানির চড়া দামের কারণে একদিকে জীবনযাত্রার ব্যয় আকাশচুম্বী হচ্ছে, অন্যদিকে বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা চরমভাবে মার খাচ্ছে।
এই বিপজ্জনক পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং দেশীয় উৎসের অবক্ষয় ঠেকাতে পেট্রোবাংলা অবশ্য এখন এক উচ্চাভিলাষী অনুসন্ধান পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নেমেছে। ঘাটতি মোকাবিলায় ২০৩১ সালের মধ্যে দেশজুড়ে অন্তত ১৫০টি নতুন অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও ওয়ার্কওভার কূপ খননের একটি দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে রাষ্ট্রীয় সংস্থা বাপেক্সের পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকেও আধুনিক রিগ ও প্রযুক্তি নিয়ে মাঠে নামানো হচ্ছে। পেট্রোবাংলার নীতি নির্ধারকদের মতে, গভীর অনুসন্ধান এবং বিদ্যমান কূপগুলোর আধুনিকায়নের মাধ্যমে গ্রিডে গ্যাসের প্রবাহ ধরে রাখার আর কোনো বিকল্প এখন খোলা নেই।
পেট্রোবাংলার উচ্চপদস্থ দায়িত্বশীলরা এই বাস্তবতাকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে মূল্যায়ন করছেন। সংস্থাটির পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মাইনস) প্রকৌশলী মো. শোয়েব পুরো পরিস্থিতির গভীরতা তুলে ধরে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, স্বাভাবিক ভূগর্ভস্থ অবক্ষয়ের কারণে প্রতি বছরই জাতীয় গ্রিড থেকে গড়ে ১০০ মিলিয়ন ঘনফুটেরও বেশি গ্যাস স্থায়ীভাবে হারিয়ে যাচ্ছে। এই বিশাল শূন্যতা পূরণ করতে না পারলে দেশের জ্বালানি কাঠামো ভেঙে পড়ার উপক্রম হবে। তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন, ঘাটতির এই বিপজ্জনক প্রভাব পুরোপুরি রুখে দিতেই সরকার ১৫০টি নতুন কূপ খননের এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে এবং তারা সেই পথেই দ্রুততার সাথে কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন এই কূপগুলো থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেলে অভ্যন্তরীণ সরবরাহ একটি সহনীয় মাত্রায় ধরে রাখা সম্ভব হতে পারে।
তবে বাস্তবতার নিরিখে জ্বালানি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কেবল প্রকল্প ঘোষণা কিংবা দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করে এই তীব্র সংকট থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না। অতীতেও কূপ খননের বহু প্রকল্প আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, অর্থায়ন সংকট ও পরিকল্পনার দুর্বলতায় মুখ থুবড়ে পড়েছে। বর্তমানে দেশের জ্বালানি খাত যে খাদের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে, সেখান থেকে উত্তরণ ঘটাতে হলে সিলেটের অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে অনুসন্ধান কার্যক্রমকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পরিচালনা করতে হবে। একই সাথে বিদেশি কোম্পানিগুলোর ওপর অন্ধ নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় ভূতাত্ত্বিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং গ্যাস উত্তোলনে আধুনিক কৃত্রিম প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। দেশীয় গ্যাসের মজুত সমৃদ্ধ করার এই চলমান সংগ্রাম যদি দ্রুত সফলতার মুখ না দেখে, তবে আমদানির ওপর অতিমাত্রিক নির্ভরতা বাংলাদেশের গোটা অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বকে দীর্ঘস্থায়ী জিম্মিদশার মধ্যে ফেলে দেবে।
তথ্যসূত্র: বণিক বার্তা