• বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ন
Headline
গ্রামে মারাত্মক লোডশেডিং: জ্বালানি সংকট উত্তরণে মন্ত্রীদের আরও তৎপর হওয়ার আহ্বান রিজভীর আরও ১০০০ মাদ্রাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালুর ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর বিবি আছিয়া: নারী সমাজের এক অনন্য অনুপ্রেরণা যুদ্ধের প্রভাবে ইরানে ২০ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর সবার মনোনয়ন বৈধ আদর্শের লড়াইয়ে বিজেপিকে কেবল কংগ্রেসই হারাতে পারে: রাহুল গান্ধি বিধানসভা নির্বাচন: পশ্চিমবঙ্গবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রী মোদির বিশেষ বার্তা দুই দশক পর গাজার দেইর আল-বালাহ শহরে পৌর নির্বাচন হরমুজ প্রণালীতে টোল আদায়: ইরানের কোষাগারে জমা হলো প্রথম আয়

ক্রেতাশূন্য ঢাকার বাজার: হুড়মুড় করে কমছে সবজি, মাংস ও ইলিশের দাম

Reporter Name / ৫৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা ছুটির পর রাজধানী ঢাকার কাঁচাবাজারগুলোতে রীতিমতো স্বস্তির সুবাতাস বইছে। উৎসবের আমেজ শেষে শহরে এখনো মানুষের ভিড় জমেনি, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে নিত্যপণ্যের চাহিদায়। ক্রেতা না থাকায় এবং অবিক্রীত পুরোনো মাল দ্রুত শেষ করার তাগিদে বিক্রেতারা বাধ্য হয়েই সবজি, মাংস ও মাছের দাম বেশ খানিকটা কমিয়ে দিয়েছেন। খুচরা ব্যবসায়ীদের মতে, আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে বাজারে নতুন সবজির চালান প্রবেশ করবে, আর তার আগেই মজুত থাকা পণ্যগুলো বিক্রি করে দিতে চাইছেন তারা।

কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঈদের আগে যেসব সবজির দাম আকাশছোঁয়া ছিল, তা এখন অনেকটাই হাতের নাগালে। বিশেষ করে পটল, বেগুন ও করলার দাম প্রায় অর্ধেকের কাছাকাছি নেমে এসেছে। ঈদের আগে ১০০ টাকা কেজির পটল এখন বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৬০ টাকায়। একইভাবে ৮০ থেকে ১০০ টাকার বেগুন ৫০ টাকায় এবং ১০০ থেকে ১২০ টাকার করলা পাওয়া যাচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। পিছিয়ে নেই টমেটো আর কাঁচা মরিচও; টমেটোর কেজি ২০-২৫ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ৭৫-৮০ টাকায় নেমে এসেছে। এমনকি প্রতিটি লেবুর দামও পাঁচ টাকার মতো কমেছে।

সবজির পাশাপাশি নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে মাংসের বাজারেও। ঈদের ঠিক আগে যে গরুর মাংসের দাম ৮৫০ টাকা পর্যন্ত ছুঁয়েছিল, তা এখন কমে ৬৮০ থেকে ৭৬০ টাকার মধ্যে চলে এসেছে। ব্রয়লার ও দেশি মুরগির দামও কেজিতে কিছুটা কমেছে, অন্যদিকে সোনালি মুরগির বাজার মোটামুটি স্থিতিশীল। শেওড়াপাড়া বাজারের বিক্রেতারা জানান, ছুটির কারণে ক্রেতার অভাবে তাদের বিক্রি তলানিতে ঠেকেছে। সকাল গড়িয়ে দুপুর হতে চললেও অনেকেরই এক কেজি মাংসও বিক্রি হয়নি বলে আক্ষেপ করেন তারা।

এদিকে, উৎসবের সময় সাধারণ মাছের চাহিদা কম থাকলেও ইলিশ ও চিংড়ির কদর থাকে তুঙ্গে। ঈদের আগে এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম তিন হাজার টাকা পর্যন্ত উঠলেও, বর্তমানে তা দুই হাজার থেকে ২২০০ টাকায় নেমে এসেছে। তবে চিংড়ির দাম আগের মতোই কেজিপ্রতি ১২০০ টাকার ঘরে স্থির রয়েছে। বাজারে এখন মূলত ঢাকার স্থানীয় বাসিন্দা, রেস্তোরাঁর মালিক এবং ছুটি কাটিয়ে সদ্য গ্রাম থেকে ফেরা মানুষেরাই কেনাকাটা করতে আসছেন। বাসায় মেহমান আসার প্রস্তুতি হিসেবে বাজার করতে আসা এমন অনেক ক্রেতাই হঠাৎ দাম কমার এই চিত্র দেখে বেশ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category