• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
Headline
চাকরি, টিউশনি ও সঙ্গীত পেশা: শিক্ষক ও শিল্পীর কর নির্ধারণে নতুন নির্দেশিকা টেকনাফে সশস্ত্র মানব পাচারকারীদের বন্দিশালা: পাহাড়ের গহিনে যমদূত সড়ক দুর্ঘটনায় সৌদি আরবে নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত এনআইসিইউ ওভারহিট হয়ে নবজাতক দগ্ধ প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় ১১২ দক্ষ কর্মী পাঠাচ্ছে বোয়েসেল রবি মৌসুমে ১৪ লাখ ৬০ হাজার কৃষক পাবেন প্রণোদনা, বরাদ্দ প্রায় ৯৬ কোটি টাকা যে কারণে বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, জানাল দূতাবাস নারীর ক্ষমতায়নে উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিতে হবে: শামা ওবায়েদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

টেকনাফে সশস্ত্র মানব পাচারকারীদের বন্দিশালা: পাহাড়ের গহিনে যমদূত

Reporter Name / ০ Time View
Update : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

সীমান্তবর্তী জনপদ কক্সবাজারের টেকনাফের গহিন ও দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল মানব পাচারকারী এবং সশস্ত্র ডাকাত চক্রের কাছে দীর্ঘদিন ধরে এক অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষের সরলতা ও দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে কর্মসংস্থানের লোভ দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নিরীহ মানুষকে ফাঁদে ফেলে টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ে জিম্মি করে রাখা হয়। সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে এক ভয়ংকর মৃত্যুপুরী ও গোপন বন্দিশালা, যা জিম্মিদের ভাষায় সাক্ষাৎ এক যমদূত। সম্প্রতি এই ভয়ংকর আস্তানার সন্ধান পেয়ে যৌথ বাহিনী সাঁড়াশি অভিযানে গেলে সশস্ত্র পাচারকারীদের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পাচারকারী চক্রের এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন নির্ভীক সদস্য সৈনিক মো তিতাস শেখ। এই মর্মান্তিক ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই পাহাড়ে আবারও তিন ব্যক্তির রক্তাক্ত লাশের সন্ধান পাওয়ার খবরে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে যখন সেনাবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথ দল টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালীর গভীর পাহাড়ে অভিযান পরিচালনা করে। সেখানে পাহাড়ি ঝোপঝাড়ের আড়ালে অত্যন্ত সুকৌশলে গড়ে তোলা একটি সশস্ত্র মানব পাচারকারী চক্রের ডেরায় যৌথ বাহিনী হানা দিলে সন্ত্রাসীরা গুলি চালাতে শুরু করে। দায়িত্ব পালনকালে পাচারকারীদের ছোড়া গুলিতে মারাত্মকভাবে জখম হয়ে ফরিদপুরের সন্তান সৈনিক মো তিতাস শেখ শাহাদাতবরণ করেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর বা আইএসপিআরের তথ্যানুযায়ী, যৌথ বাহিনীর তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় প্রতিরোধ অভিযানে ঘটনাস্থল থেকেই মানব পাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্যদের আটক করা সম্ভব হয়। সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একটি বিদেশি পিস্তল, একটি দেশীয় তৈরি বন্দুক এবং চার রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

সেনাসদস্য নিহত হওয়ার এই ঘটনার পর থেকে টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড় ও সীমান্ত অঞ্চলে যৌথ বাহিনীর চিরুনি অভিযান আরও জোরদার করা হয়। এর মধ্যেই শুক্রবার বিকেলে হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া ও লেদা ক্যাম্পের পূর্বাঞ্চলীয় গহিন পাহাড়ের ভেতরে তিনটি অজ্ঞাত লাশের সন্ধান পাওয়ার চাঞ্চল্যকর খবর আসে। কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান সাংবাদিকদের কাছে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় লাশগুলোর অবস্থান শনাক্ত করে তা উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দল কাজ করছে। তিনি আরও জানান যে পাহাড়ে অপরাধীদের মূলোৎপাটন না করা পর্যন্ত এই সমন্বিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। স্থানীয়দের ধারণা, মানব পাচার, অভ্যন্তরীণ কোন্দল কিংবা পাচারকারীদের নিজেদের মধ্যকার ভাগাভাগির জেরে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।

এর আগেও চলতি বছরের এক এপ্রিল টেকনাফের পাহাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। পুলিশের দীর্ঘ তদন্ত ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সেই সময় নিহত ব্যক্তিরা কুখ্যাত ডাকাত এবং মানব পাচারকারী সিন্ডিকেটের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিল। অপহরণ ও পাচারের অর্থের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে পাহাড়ি চক্রগুলোর মধ্যকার অভ্যন্তরীণ বিরোধ থেকেই এই ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। বিগত বছরেও পাচারকারীদের নির্যাতন সইতে না পেরে রামুর বাসিন্দা করিম উদ্দিন নামের এক তরুণ আস্তানা থেকে পালানোর সময় ধরা পড়ে নির্মমভাবে নিহত হন। একের পর এক এমন লোমহর্ষক ঘটনা প্রমাণ করে যে টেকনাফের পাহাড়ে গড়ে ওঠা এই অপরাধী নেটওয়ার্ক কতটা বেপরোয়া এবং হিংস্র হয়ে উঠেছে।

অভিযানের সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো রঙ্গিখালীর দুর্গম পাহাড়ের সেই গোপন ঝুপড়ি ঘর থেকে ছাপ্পান্ন জন নিরীহ জিম্মিকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধারকৃত এসব ভাগ্যবিড়ম্বিত বন্দিদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দীর্ঘ বন্দিদশার পর মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এই মানুষগুলোর মুখে যে নারকীয় অত্যাচারের বর্ণনা পাওয়া গেছে, তা যে কারও বিবেককে নাড়া দিতে বাধ্য। পাচারকারীদের আস্তানা থেকে উদ্ধার হওয়া ফরিদপুরের বাসিন্দা আসাদুজ্জামান থানার প্রাঙ্গণে কান্নায় ভেঙে পড়ে জানান তাঁর ওপর ঘটে যাওয়া চরম অমানবিক নির্যাতনের গল্প। তিনি জানান যে প্রায় আট দিন ধরে এক অন্ধকার ঝুপড়িতে তাঁকে অন্য বন্দিদের সঙ্গে আটকে রাখা হয়েছিল। পাহাড়ি আস্তানার চারপাশে প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ জনের একটি ভারী অস্ত্রধারী পাহারাদার দল সার্বক্ষণিক পাহারা বসিয়ে রেখেছিল, যার ফলে কারও পক্ষেই সেখান থেকে পালানোর কোনো সুযোগ ছিল না।

আসাদুজ্জামানের দেওয়া তথ্যমতে, কাজের সন্ধানে কক্সবাজারে একটি সেতু নির্মাণ প্রকল্পে কাজ করার সুবাদে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইমামুল নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর সাধারণ পরিচয় ও সখ্য গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে কুতুপালং ক্যাম্পে আকর্ষণীয় বেতনের লোভনীয় চাকরির কথা বলে তাঁকে কৌশলে ডেকে নেওয়া হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছামাত্রই ইমামুল ও তার সহযোগীরা অস্ত্রের মুখে আসাদুজ্জামানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, টাকা-পয়সা এবং সঙ্গে থাকা যাবতীয় কাপড়চোপড় ছিনিয়ে নেয়। এরপর গভীর রাতে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চোখ বেঁধে তাঁকে পাহাড়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সরাসরি এই আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী সিন্ডিকেটের সশস্ত্র সদস্যদের হাতে বিক্রি করে দেওয়া হয়।

পাহাড়ের সেই বন্দিশালায় গিয়ে আসাদুজ্জামান দেখতে পান যে তাঁর মতো আরও অর্ধশতাধিক নিরীহ বাঙালি যুবককে সেখানে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তিনি বুঝতে পারেন যে কাজের লোভ দেখিয়ে তাঁকে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচার করার এক ভয়ংকর ফাঁদে ফেলা হয়েছে। আসাদুজ্জামান আরও জানান যে দুই দিন আগেই শতাধিক ছোট নৌকা ও একটি বড় ট্রলার ব্যবহার করে সাগরপথে বিপজ্জনক যাত্রার জোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল পাচারকারীরা। তাঁকেসহ ছয়জনকে সেই ট্রলারে তোলার চেষ্টা করা হলেও শেষ মুহূর্তে স্থানাভাবের কারণে তোলা সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাতে তাঁদের সবাইকে জোরপূর্বক নৌকায় তোলার চূড়ান্ত পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু তার আগেই যৌথ বাহিনী সময়মতো অভিযান পরিচালনা করায় অলৌকিকভাবে তাঁরা পাচারের হাত থেকে রক্ষা পান।

এদিকে উদ্ধার হওয়া উখিয়ার ছেপটখালী এলাকার দুই যুবক মো সাইফুল ও মিজানুর রহমান সাগর জানান তাঁদের নিদারুণ অভিজ্ঞতার কথা। নূরআলী নামের এক স্থানীয় দালালের মাধ্যমে ভালো কাজের প্রলোভনে পড়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু পাহাড়ে নেওয়ার পর তাঁরা জানতে পারেন যে নূরআলী দালাল তাঁদের দুজনকে মাত্র এক লাখ টাকার বিনিময়ে পাচারকারীদের কাছে হস্তান্তর করে দিয়েছে। পাঁচ দিন ধরে বন্দি থাকাকালে তাঁরা দেখেছেন কীভাবে প্রতিদিন নতুন নতুন মানুষকে চার-পাঁচজন করে ধরে এনে সেই ঝুপড়িতে গাদাগাদি করে রাখা হতো। বন্দিদের মধ্যে কেউ সামান্য টু শব্দ বা প্রতিবাদ করলেই তাঁর ওপর নেমে আসত পৈশাচিক নির্যাতন। সাইফুল ও সাগর পালানোর সামান্য চেষ্টা করায় তাঁদের লোহার ভারী শিকল দিয়ে বেঁধে দিনরাত মারধর করা হয়েছিল। খাবারের নামে তাঁদের দিনে মাত্র দুই বেলা দেওয়া হতো সামান্য ডাল আর কাঁচা কদু, যা খেয়ে জীবন বাঁচানোই কঠিন হয়ে পড়েছিল।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত এসআরবি-১৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার মো মাহমুদুর রহমান জানান যে টেকনাফের সুবিশাল পাহাড়ি ভৌগোলিক অবস্থানের সুযোগ নিয়ে বেশ কয়েকটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী ও মানব পাচারকারী চক্র বহু বছর ধরে এখানে শিকড় গেড়েছে। সাধারণ স্থানীয় মানুষজন ও পর্যটকরাও এদের আতঙ্কে দিনাতিপাত করছেন। অতীতের নানা সময়ে অভিযান চালিয়ে অপরাধীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হলেও দুর্গম জঙ্গলের ভিন্ন ভিন্ন স্থানে তারা নতুন আস্তানা গড়ে তোলে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অনীক চৌধুরী দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়েছেন যে পাহাড়ে লুকিয়ে থাকা প্রতিটি পাচারকারী ও তাদের দোসরদের আইনের আওতায় আনতে যৌথ বাহিনীর সমন্বিত পদক্ষেপ চলমান রয়েছে। অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

কক্সবাজার ও টেকনাফ অঞ্চলে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা এবং মাদক ও মানব পাচার নির্মূলের লড়াইয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ত্যাগ ও আত্মদানের ইতিহাস অত্যন্ত দীর্ঘ ও গৌরবোজ্জ্বল। বিভিন্ন সময়ে দেশপ্রেমিক বহু কর্মকর্তা ও সদস্য এই অঞ্চলে নিজেদের অমূল্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। ডুলাহাজারায় সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের অপতৎপরতা রুখতে গিয়ে শহীদ হয়েছিলেন নির্ভীক তরুণ সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজীম ছারোয়ার। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে দুর্গম অভিযানে শহীদ হন বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার রেজোয়ান রুশদী। আর এবার মানব পাচারকারীদের নির্মূল করার অভিযানে দেশমাতার সেবায় শহীদ হলেন তরুণ সেনাসদস্য তিতাস শেখ। এই আত্মত্যাগ দেশের নিরাপত্তা বাহিনীকে অপরাধীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ করে তুলছে।

পাহাড়ে মানব পাচারকারীদের গুলিতে সেনাসদস্য শহীদ হওয়ার ঘটনায় টেকনাফসহ পুরো কক্সবাজার জেলাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও চরম উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। মানব পাচার ও ডাকাতির এই স্থায়ী সিন্ডিকেট চিরতরে নিশ্চহ্ন করার দাবিতে সাধারণ নাগরিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমে এসেছেন। জুমার নামাজের পর টেকনাফের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়, যেখান থেকে অবিলম্বে পাহাড়ে সাঁড়াশি অভিযান সমাপ্ত করে অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন যে পাহাড়ের এই রক্তচক্ষু উপড়ে ফেলতে না পারলে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কখনোই নিরাপদ হতে পারে না।

পাহাড়ি এলাকায় অপরাধীদের ক্রমাগত দৌরাত্ম্য বন্ধে এবং সীমান্ত নিরাপত্তাকে আরও নিশ্ছিদ্র করতে সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ টেকনাফের কৌশলগত হ্নীলা ও নোয়াখালী পাড়া এলাকায় নতুন করে স্থায়ী সেনাক্যাম্প স্থাপনের সরকারি ঘোষণা দিয়েছেন। মন্ত্রীর এই ঘোষণাকে স্থানীয় জনগণ আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন এবং তারা দাবি তুলেছেন যে এই সেনাক্যাম্পগুলো যেন কোনো ধরনের কালক্ষেপণ ছাড়াই দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয়। স্থায়ী সেনা উপস্থিতির মাধ্যমে পাহাড়ি সীমান্ত অবরুদ্ধ করে ফেলা সম্ভব হলে মানব পাচার, মাদক কারবার এবং অবৈধ অস্ত্রধারীদের অবাধ বিচরণ স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে বলে দৃঢ় বিশ্বাস সকলের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category