মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্তটা বোধহয় খুব একটা কাজে লাগাতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ইনিংসের শুরু থেকেই বাংলাদেশি পেসারদের তোপে রীতিমতো কোণঠাসা হয়ে পড়েছে সফরকারীরা। বিশেষ করে গতিতারকা নাহিদ রানার জোড়া আঘাতে পাওয়ার প্লের প্রথম ১০ ওভারেই মাত্র ২৮ রান তুলতে ২ উইকেট হারিয়ে চরম চাপে পড়েছে নিউজিল্যান্ড।
তাসকিন-শরিফুলের নিয়ন্ত্রিত শুরু
ইনিংসের শুরু থেকেই কিউই ব্যাটারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। প্রথম চার ওভারে এই দুই পেসার একটি করে মেডেন ওভার আদায় করে নেন। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সুবাদে প্রথম ২৪ বলে নিউজিল্যান্ডের স্কোরবোর্ডে জমা হয় মাত্র ৩ রান।
খেলার পঞ্চম ওভারে গিয়ে কিছুটা হাত খোলার চেষ্টা করে কিউইরা। তাসকিনের পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে কেলি টানা দুটি বাউন্ডারি হাঁকান। পরের ওভারের প্রথম বলে শরিফুলকেও বাউন্ডারি মারেন তিনি। টানা তিন বলে তিনটি চার এলেও রানের চাকায় খুব একটা গতি আনতে পারেনি সফরকারী ব্যাটাররা।
নাহিদের জোড়া আঘাত ও কিউইদের বিপর্যয়
ইনিংসের অষ্টম ওভারে প্রথমবারের মতো বোলিং আক্রমণে এসেই বাজিমাত করেন নাহিদ রানা। নিজের প্রথম ওভারেই হেনরি নিকোলসকে (১৩ রান) এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে বাংলাদেশকে প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দেন তিনি।
পরের ওভারে বল করতে এসে প্রথম বলেই আরেক ব্যাটার উইল ইয়াংকে (৭ রান) সাজঘরের পথ দেখান নাহিদ। ইয়াংয়ের শটটি দুর্দান্তভাবে তালুবন্দি করেন সৌম্য সরকার। দলীয় ২৫ ও ২৮ রানে পরপর দুই উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় নিউজিল্যান্ড।
পাওয়ার প্লেতে একনজরে পরিসংখ্যান:
টস: নিউজিল্যান্ড (ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত)
পাওয়ার প্লের স্কোর: ১০ ওভার শেষে ২৮/২
পতন হওয়া উইকেট: হেনরি নিকোলস (১৩) ও উইল ইয়াং (৭)
নাহিদ রানার অনবদ্য স্পেল: প্রথম ২ ওভারে ১টি মেডেন দিয়ে মাত্র ১ রান খরচায় তুলে নেন মহামূল্যবান ২ উইকেট।
দারুণ এই বোলিং সূচনার পর বোলাররা এই চাপ কতক্ষণ ধরে রাখতে পারেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তরা।