• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন
Headline
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বে আর কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি সওজের ৪০০ স্থাপনায় বসছে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল রুফটপ সোলারে অর্থায়নে ইডকল ও সরকারের মধ্যে ৫০০ কোটি টাকার ঋণচুক্তি জাল সনদ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চায় এপিইউবি ৩২৯ কোটি টাকা বরাদ্দ পেল ২৫৩ ইউনিয়ন পরিষদ বিএনপির মুখে হচ্ছে জুলাই সনদ আর অন্তরে আ. লীগ: হাসনাত ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলো গ্রামীণ কল্যাণ সেনাসদস্যদের ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন: সাভারে প্রধানমন্ত্রী অস্ত্র উঁচিয়ে ধরার ব্যাখ্যা দিলেন ইশরাক হোসেন পিস্তল হাতে অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, আইনের ব্যত্যয় হলে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান

ভাইভা বোর্ডে চাকরি প্রার্থী বিষের বোতল হাতে নিয়ে!

Reporter Name / ৩১৬ Time View
Update : সোমবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৩

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) মালী পদে চাকরির জন্য বিষের বোতল নিয়ে ভাইভায় অংশ নিয়েছেন এক প্রার্থী।

ভিসির বাংলোয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মালী পদের নিয়োগ বোর্ড চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। আবেদনকারী ওই চাকরি প্রার্থীর নাম হাসমত। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় বাস করেন। চাকরি পাওয়া নিশ্চিত করতে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নেন বলে জানিয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিয়োগ বোর্ডে উপস্থিত থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচএম আলী হাসান।

জানা যায়, হাসমত ২০ থেকে ২২ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রি শাখায় দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে কাজ করেন। এ সূত্র ধরে তিনি স্থায়ী মালীর পদে আবেদন করেন। ভাইভাতে উপস্থিত হয়ে তিনি আবেগের বশে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে জানা যায়।

এ সময় বোর্ডে ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম, প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন ভুঁইয়া, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচএম আলী হাসান ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রফেসর ড. রুহুল কেএম সালেহ উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর তার কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তার মুচলেকা ও বিষের বোতল সিলগালা করে প্রক্টর অফিসে রেখে দেওয়া হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আলী হাসান বলেন, উনি নিয়োগ পাওয়ার জন্য বিষের বোতল নিয়ে ভাইভা দিতে আসেন। পরে আমরা ইবি থানার ওসিকে খবর দিয়ে তার উপস্থিতিতে তার কাছে অঙ্গীকারনামা লিখে নেওয়া হয় এবং পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রক্টর প্রফেসর ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ বলেন, ঘটনার সময় ভিসি স্যারের পিএস আমাকে ফোনে জরুরি ডাকেন। দুজন সহকারী প্রক্টর নিয়ে আমি গিয়ে দেখলাম টেবিলের ওপর একটা বিষের বোতল রাখা আছে। বোর্ডের সদস্যদের মাধ্যমে জানতে পারলাম ওই লোক নিয়োগ পাওয়ার জন্য বিষের বোতল নিয়ে ভাইভা দিতে এসেছেন। এমনকি তাকে নিয়োগ না দিলে তিনি বিষ খেতেও উদ্যত হন। পরে আমরা ইবি থানার ওসির উপস্থিতিতে বিষের বোতল এবং ওই লোকের অঙ্গীকারনামা লিখে প্রক্টর অফিসে জমা রেখেছি।

এ বিষয়ে ইবি থানার ওসি আননূর যায়েদ বিপ্লব বলেন, তাকে আমাদের কাছে ইবি প্রশাসন হস্তান্তর করেনি। হস্তান্তর করলে আমরা আইনি প্রক্রিয়ায় পদক্ষেপ নিতে পারব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category