দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য বা ভিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, বাস্তবে তার বিন্দুমাত্র প্রতিফলন চোখে পড়ছে না। মেধা, যোগ্যতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয় এবং দলীয় আনুগত্যই এখন উপাচার্য হওয়ার প্রধান মাপকাঠি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে উপাচার্য নিয়োগের জন্য একটি সার্চ কমিটি গঠন করা হলেও সেটি কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ ছিল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও সেই একই চর্চা অব্যাহত রয়েছে। সার্চ কমিটি পুনর্গঠন করা হলেও নিয়োগের ধরনে কোনো গুণগত পরিবর্তন আসেনি। মূলত ‘কর্তার ইচ্ছায় কর্ম’ নীতিতেই চলছে শীর্ষ এই পদগুলোর বণ্টন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে কারা উপাচার্যের দায়িত্ব পাচ্ছেন এবং তাদের যোগ্যতা কতটুকু, তা নিয়ে শিক্ষাঙ্গন থেকে শুরু করে সুশীল সমাজে তীব্র সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
উপাচার্য নিয়োগে চরম অব্যবস্থাপনা ও অদ্ভুত সিদ্ধান্তের অন্যতম বড় উদাহরণ হয়ে উঠেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। গত বছরের মে মাসে শিক্ষার্থীদের টানা ২৮ দিনের তুমুল আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয়টির তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানি এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মামুন অর রশিদকে তাদের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভের মুখে বিদায় নেওয়া এই শিক্ষকদের পরবর্তীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে রীতিমতো পুরস্কৃত করা হয়েছে, যা அனைকেই হতবাক করেছে। আন্দোলনকারীদের তোপের মুখে অব্যাহতি পাওয়া অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানিকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো, যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে অধ্যাপক ড. মামুন অর রশিদকে কোষাধ্যক্ষ পদ ছাড়তে হয়েছিল, তাকেই পরবর্তীতে সেই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়েরই উপাচার্য হিসেবে বসানো হয়েছে।
একইভাবে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ক্ষেত্রেও দেখা গেছে চরম স্ববিরোধিতা। গত বছরের ২৪ এপ্রিল শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলন ও অনশন কর্মসূচির মুখে কুয়েটের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ মাছুদকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পদ থেকে অব্যাহতি দিতে বাধ্য হয়েছিল। অথচ বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর চলতি বছরের ২৪ মার্চ তাকেই পুনরায় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে সসম্মানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। অন্যদিকে, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার। তার অতীত রেকর্ড মোটেও মসৃণ নয়। ২০২৪ সালে তিনি যখন নিজ বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, তখন তার বিরুদ্ধে অ্যাকাডেমিক, প্রশাসনিক ও আর্থিক অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ তুলে ২১ জন শিক্ষক লিখিতভাবে অনাস্থা জানিয়েছিলেন। এমন বিতর্কিত অতীত থাকা সত্ত্বেও তাকে একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ পদে বসানো হয়েছে।
শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের উচ্চশিক্ষার এই করুণ দশার পেছনে মূল কারণ হলো উপাচার্য নিয়োগের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট ও যুগোপযোগী নীতিমালা না থাকা। ১৯৭২ সালের অধ্যাদেশ দ্বারা পরিচালিত দেশের শীর্ষ চারটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্যান্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য নিয়োগের কোনো স্পষ্ট নির্দেশিকা বা যোগ্যতার মাপকাঠি নেই। এমনকি যে সামান্য নিয়মকানুন রয়েছে, তা-ও পদে পদে লঙ্ঘিত হচ্ছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আইনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, এসব প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে স্বনামধন্য ও প্রতিষ্ঠিত কোনো শিক্ষককেই উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে। অথচ সাম্প্রতিক সময়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন শিক্ষকদের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাদের অ্যাকাডেমিক ক্যারিয়ারের সঙ্গে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কোনো দূরতম সম্পর্কও নেই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সূত্র থেকে জানা যায়, বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের প্রায় ৩০টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পদে রদবদল এনে নতুন নিয়োগ দিয়েছে। এই নিয়োগের তালিকাটি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে একটি বিষয় অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্যদের প্রায় সকলেই বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন ‘সাদা দল’ অথবা ‘ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (ইউট্যাব)-এর সক্রিয় সদস্য। এর বাইরে যোগ্যতাসম্পন্ন নিরপেক্ষ কোনো শিক্ষাবিদকে এই পদে বিবেচনা করা হয়নি বললেই চলে।
দেশের শিক্ষাব্যবস্থার নানা অনিয়ম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার থাকা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বরেণ্য শিক্ষক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ উপাচার্য নিয়োগের এই প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা ব্যক্ত করেছেন। তিনি গভীর আক্ষেপের সঙ্গে জানান, অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, সম্পূর্ণ অযোগ্য, অদক্ষ ও অথর্ব ব্যক্তিদের দেশের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার মতে, বর্তমান আমলে নিয়োগপ্রাপ্তদের মান পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্তদের চেয়েও অনেক ক্ষেত্রে খারাপ। তিনি অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চলমান বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পগুলো থেকে লুটপাট করার হীন উদ্দেশ্যেই মূলত একটি সংঘবদ্ধ চক্র এসব অযোগ্য ব্যক্তিদের ভিসি পদে বসানোর জন্য কাজ করছে। অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, সবার প্রত্যাশা ছিল নতুন বিএনপি সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক মানোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। দলটির ভেতরেও অনেক যোগ্য, দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষক রয়েছেন, যাদের নিয়োগ দিলে সবাই সাধুবাদ জানাত। কিন্তু মেধার বদলে স্রেফ রাজনৈতিক বিবেচনায় অযোগ্যদের এই শীর্ষ পদে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
বিশেষজ্ঞরা আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে অত্যন্ত মেধাবী ও জনপ্রিয় হলেই যে তিনি প্রশাসনিক পদেও সমান দক্ষ হবেন, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। মূলত একজন অধ্যাপককে যখন উপাচার্যের আসনে বসানো হয়, তখন রাতারাতি তার কাজের ধরন ও দায়িত্বের পরিধি সম্পূর্ণ বদলে যায়। দীর্ঘদিনের শিক্ষকতা জীবনে যার প্রধান কাজ ছিল শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা, গবেষণাপত্র তৈরি করা এবং অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া, তাকেই হঠাৎ করে গোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল প্রশাসনিক কাঠামোর দায়িত্ব নিতে হয়। উপাচার্য হওয়ার পর তাকে অর্থ ব্যবস্থাপনা, মেগা উন্নয়ন প্রকল্প তদারকি, লোকবল নিয়োগ, ভারী যন্ত্রপাতি কেনাকাটা, টেন্ডার প্রক্রিয়া, নানা জটিল আইনি বিষয়, অ্যাকাডেমিক নীতি নির্ধারণ এবং সরকারের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ দপ্তরের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয়ের কাজ করতে হয়।
উদ্বেগের বিষয় হলো, উপাচার্যের মতো এত বড় ও স্পর্শকাতর দায়িত্ব গ্রহণের আগে কোনো শিক্ষককেই প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা, সরকারি আর্থিক বিধিমালা, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (পিপিআর), মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার আইনকানুন বিষয়ে ন্যূনতম কোনো আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় না। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকেন, পাশাপাশি থাকে শত শত কোটি টাকার বিশাল বাজেট ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকায় নতুন দায়িত্ব নেওয়া একজন উপাচার্যকে এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে বাধ্য হয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর, প্রকৌশল শাখা, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা কিংবা আগে থেকেই প্রভাবশালী হয়ে ওঠা শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করতে হয়। এই অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোতে জবাবদিহির অভাব দেখা দেয় এবং দুর্নীতি ও অনিয়মের বিস্তীর্ণ সুযোগ তৈরি হয়।
বর্তমান সরকারের আমলে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়া একজন অধ্যাপক নিজের পরিচয় গোপন রাখার শর্তে এই চরম বাস্তবতার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, অতীতে তার কেবল একটি বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা ছিল, কিন্তু একটি গোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে কাজ করা সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জগত। সরকারি কেনাকাটার নিয়ম বা পিপিআর সম্পর্কে তার বিন্দুমাত্র ধারণা নেই এবং বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতাও তার ঝুলিতে নেই। শিক্ষক হিসেবে ছোটখাটো কিছু গবেষণার প্রজেক্ট পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকলেও বর্তমানে তিনি এক বিশাল ও জটিল কর্মযজ্ঞের মাঝে দিশেহারা বোধ করছেন। ওই উপাচার্য মনে করেন, উপাচার্য হিসেবে কাউকে নিয়োগ দেওয়ার পর তাদের একটি নির্দিষ্ট পুলে রেখে অন্তত তিন থেকে ছয় মাসের নিবিড় প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনার প্রশিক্ষণ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। তা না হলে বিশ্ববিদ্যালয় সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য পদে পদে অন্যদের ওপর নির্ভর করা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না, যা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম কয়েক মাস একজন উপাচার্যকে কেবল ফাইলের গতিবিধি, আটকে থাকা প্রকল্পের অবস্থা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার জটিলতা বুঝতেই পার করতে হয়। এ সময় তাকে পুরোপুরি কর্মকর্তাদের মর্জির ওপর নির্ভর করতে হয়। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি বা সরকারি অর্থব্যয়ের নিয়মাবলি সম্পর্কে না জানার কারণে অনেক সময় তারা ভুল ফাইলে স্বাক্ষর করে বসেন। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ মনে করেন, উপাচার্য পদে আসীন হওয়ার আগে শিক্ষকদের যদি যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত করে পাঠানো যেত, তবে দেশের উচ্চশিক্ষার চিত্র অনেক বেশি ইতিবাচক হতো। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, উপাচার্য পদটি একটি বিশাল ও অত্যন্ত সংবেদনশীল দায়িত্ব। আর্থিক ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার মতো জটিল বিষয়গুলোতে যদি উপাচার্যকে অন্যদের ওপর অন্ধভাবে নির্ভর করতে হয়, তবে তা ভবিষ্যতে বড় ধরনের আইনি ও কাঠামোগত বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সার্বিক এই নৈরাজ্য ও বিতর্কের বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে শিক্ষা সচিব আব্দুল খালেক ভবিষ্যতে পরিস্থিতি উত্তরণের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণের ঘাটতির বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে অনুধাবন করছে এবং ভবিষ্যতে এসব বিষয় কঠোরভাবে বিবেচনায় নেওয়া হবে। দেশে একটি উচ্চশিক্ষা কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই কমিশন গঠিত হলে উপাচার্য নিয়োগ ও তাদের প্রশিক্ষণের বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করে কাজ করা হবে। একই সঙ্গে যোগ্য ও মেধাবী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ পদে বসানোর জন্য সার্চ কমিটি নিরলসভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।