• বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
Headline
গ্রামে মারাত্মক লোডশেডিং: জ্বালানি সংকট উত্তরণে মন্ত্রীদের আরও তৎপর হওয়ার আহ্বান রিজভীর আরও ১০০০ মাদ্রাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালুর ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর বিবি আছিয়া: নারী সমাজের এক অনন্য অনুপ্রেরণা যুদ্ধের প্রভাবে ইরানে ২০ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর সবার মনোনয়ন বৈধ আদর্শের লড়াইয়ে বিজেপিকে কেবল কংগ্রেসই হারাতে পারে: রাহুল গান্ধি বিধানসভা নির্বাচন: পশ্চিমবঙ্গবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রী মোদির বিশেষ বার্তা দুই দশক পর গাজার দেইর আল-বালাহ শহরে পৌর নির্বাচন হরমুজ প্রণালীতে টোল আদায়: ইরানের কোষাগারে জমা হলো প্রথম আয়

রাজারবাগে হামলা না হলে স্বাধীনতার ঘোষণা আসত আরও পরে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Reporter Name / ২৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনী রাজারবাগে হামলা না করলে হয়তো স্বাধীনতার ঘোষণা আসতে আরও দু-এক দিন দেরি হতো। রাজারবাগের এই নির্মম হামলাই জাতিকে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে এবং প্রতিরোধে বাধ্য করেছিল।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৭টায় রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এ সময় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজারবাগে পুলিশের আত্মত্যাগ ও ঘোষণার প্রেক্ষাপট

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২৫ মার্চের কালরাতে সবচেয়ে বেশি শহীদ হয়েছেন রাজারবাগের অকুতোভয় পুলিশ সদস্যরা। এখানেই প্রথম বড় ধরনের গণহত্যা শুরু হয়, যা পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। রাজারবাগে পুলিশের এই মহান আত্মত্যাগ ও রক্তদানই মূলত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণার প্রথম ভিত্তি তৈরি করেছিল।

শহীদ জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ও স্বাধীনতার ঘোষণা

স্বাধীনতার ঘোষণার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন পাকিস্তানি কমান্ডারের নির্দেশে চট্টগ্রাম বন্দরের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি রাজারবাগে গণহত্যা শুরুর খবর পান। পাকিস্তানি বাহিনীর এই বর্বর আক্রমণের কথা জানতে পেরে তিনি দ্রুত মনস্থির করেন এবং ষোলশহরে নিজের সামরিক ঘাঁটিতে ফিরে গিয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। এরপর ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তিনি প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং বিশ্ববাসীর সমর্থন কামনা করেন। পরবর্তীতে জাতীয় নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে তিনি সংশোধিতভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের প্রত্যাশা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, দিনের শুরুতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। স্মৃতিসৌধের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতেও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর এবার স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করতে পারার বিষয়টিকে অত্যন্ত আনন্দের বলে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ও জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী দেশে নতুনভাবে যে গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু হয়েছে, আগামী দিনগুলোতেও সব ক্ষেত্রে সেই গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির চর্চা অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category