• সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
Headline
বাড়ছে সশস্ত্র ছিনতাই-হত্যা, ওপারে পাচারের শিকার নারীরা পাবিপ্রবিতে কর্মকর্তাদের ‘অফিস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড প্রফেশনালিজম’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ চিকিৎসক নাসিরের ওপর হামলার প্রতিবাদ: কর্মস্থলে নিরাপত্তার দাবিতে পাবনায় চিকিৎসকদের মানববন্ধন মসজিদে মানত দিতে গিয়ে অপহৃত তরুণ-তরুণী: ২৪ ঘণ্টার যৌথ অভিযানে উদ্ধার, পালাল দুর্বৃত্তরা গবেষণাধর্মী ও সবুজ ক্যাম্পাসের প্রত্যয়ে পাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ড. শামীম স্লিপ ডিভোর্স নোটিশ ছাড়াই ফোনে ডাক: ডিসি নিয়োগের ফিটলিস্ট ঘিরে প্রশাসনে তোলপাড় সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা তলানিতে ঠেকছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ সব বাধা কাটল আইভীর: ১২ মামলাতেই জামিন বহাল, শিগগিরই কারামুক্তি প্রবাসীদের অধিকার আদায়ে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি: দক্ষিণ কোরিয়ায় আসিফ মাহমুদকে নাগরিক সংবর্ধনা

সরকারি নজরদারির বাইরে কওমি মাদ্রাসা: শিক্ষার ভবিষ্যৎ ও শিশুর সুরক্ষা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

Reporter Name / ৪ Time View
Update : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

দেশের আনাচে-কানাচে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে হাজার হাজার কওমি মাদ্রাসা। বারবার সরকারি উদ্যোগ নেওয়া সত্ত্বেও এই বিশাল শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি বা কাঠামোর আওতায় আনার চেষ্টা বারবারই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। এর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত লাখ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ, নিরাপত্তা এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে শিক্ষাবিদ, গবেষক এবং সুশীল সমাজের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাষ্ট্রের একটি বিশাল জনগোষ্ঠীকে এভাবে মূল স্রোতের বাইরে এবং সরকারি নজরদারির আড়ালে রেখে দিলে তা দীর্ঘমেয়াদে দেশ ও সমাজের জন্য নানাবিধ জটিলতার জন্ম দিতে পারে।

কওমি মাদ্রাসাগুলোর প্রকৃত সংখ্যা বা সেখানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সঠিক পরিসংখ্যান খোদ সরকারের কাছেও নেই, যা এই খাতের সবচেয়ে বড় একটি সংকট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) ২০১৫ সালের একটি জরিপ অনুযায়ী, সে সময় দেশে কওমি মাদ্রাসার সংখ্যা ছিল ১৩ হাজার ৯০২টি এবং সেখানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৩ লাখ ৯৮ হাজার ২৫২ জন। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় এই সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের ছয়টি কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে অন্যতম বৃহত্তম বোর্ড ‘বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ’-এর সহকারী মহাপরিচালক ইসমাইল হোসেনের দেওয়া তথ্যমতে, বর্তমানে কেবল তাদের বোর্ডের অধীনেই প্রায় ৩০ হাজার কওমি মাদ্রাসা পরিচালিত হচ্ছে। অন্যান্য পাঁচটি বোর্ডের অধীনে ঠিক কতগুলো মাদ্রাসা বা কত লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দিতে পারেননি। অন্যদিকে, ব্যানবেইসের ২০২৪ সালের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকারের সরাসরি নজরদারি ও নিবন্ধনের আওতায় রয়েছে মাত্র ৪ হাজার ৪২৫টি ইবতেদায়ি (প্রাক-প্রাথমিক থেকে প্রাথমিক) এবং ৯ হাজার ২৬৯টি মাধ্যমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তরের (আলিয়া) মাদ্রাসা। এই বিশাল তথ্যগত শূন্যতা প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্র তার একটি বৃহৎ প্রজন্মের শিক্ষাগত গতিপথ সম্পর্কে প্রায় অন্ধকারেই রয়ে গেছে।

এই বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী সরকারি কোনো পরিসংখ্যান বা ডেটাবেসে না থাকার বিষয়টিকে একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমেদ। তিনি মনে করেন, দেশে হাফিজিয়া বা ফোরকানিয়া থেকে শুরু করে নিম্ন, মধ্যম এবং উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত নানা ধরনের কওমি প্রতিষ্ঠান ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। সঠিক সংখ্যা জানা না থাকলেও এটি নিশ্চিত যে, মাধ্যমিক স্কুলগামী বয়সী শিশুদের অন্তত এক-চতুর্থাংশ এই কওমি ধারায় পড়াশোনা করছে। জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ (সিআরসি) অনুযায়ী, প্রতিটি শিশুর নিরাপত্তা, মানসম্মত শিক্ষা এবং তার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার দায়বদ্ধতা সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রের। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকার এসব শিক্ষার্থীর দায়িত্ব নিচ্ছে না বা তাদের কোনো খোঁজখবরও রাখছে না। রাষ্ট্র যখন তার নাগরিকদের একটি বিশাল অংশের দায়িত্ব এড়িয়ে যায়, তখন স্বভাবতই সেই নাগরিকরা তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার তুলনায় মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যানবেইসের ২০২৪ সালের শিক্ষা পরিসংখ্যান বলছে, গত কয়েক বছরে মাধ্যমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তর পর্যন্ত সাধারণ স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা আনুপাতিক হারে কমলেও মাদ্রাসায় তা ক্রমাগত বাড়ছে। গণসাক্ষরতা অভিযানের (ক্যাম্পে) নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী এই প্রবণতার পেছনে বেশ কিছু আর্থসামাজিক কারণের কথা উল্লেখ করেছেন। এডুকেশন ওয়াচের গবেষণার বরাত দিয়ে তিনি জানান, গত পাঁচ বছরে দেশে কওমি মাদ্রাসার সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। আগে দেশের মোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাত্র ৪ থেকে ৫ শতাংশ ছিল কওমি মাদ্রাসা, যা বর্তমানে বেড়ে ১০ থেকে ১২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারির সময় দারিদ্র্যের হার বৃদ্ধি, মাত্রাতিরিক্ত মূল্যস্ফীতি এবং সাধারণ শিক্ষার ব্যয়ভার বহন করতে না পেরে অনেক অভিভাবক বাধ্য হয়ে তাদের সন্তানদের কওমি মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছেন। এছাড়া ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং কওমি মাদ্রাসাগুলোতে থাকা-খাওয়ার তুলনামূলক সহজলভ্য বা অবৈতনিক ব্যবস্থাও এই স্থানান্তরের অন্যতম প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে।

কওমি মাদ্রাসাগুলোর পরিচালনা ও অর্থায়ন প্রক্রিয়া নিয়েও রয়েছে ব্যাপক ধোঁয়াশা। রাশেদা কে চৌধুরী জানান, এই মাদ্রাসাগুলো সম্পূর্ণ নিজস্ব নিয়মে পরিচালিত হয় এবং মূলত স্থানীয় সমাজের দান, জাকাত ও অনুদানের অর্থে টিকে থাকে। কিন্তু এই বিপুল পরিমাণ অর্থের উৎস কী, তা কীভাবে ব্যয় হয়—তার কোনো স্বচ্ছ হিসাব বা জবাবদিহিতা নেই। এ কারণেই শিক্ষাবিদরা বারবার একটি ‘সমন্বিত শিক্ষা আইন’ (Uniform Education Act) প্রণয়নের দাবি জানিয়ে আসছেন, যার অধীনে ইংরেজি মাধ্যম থেকে শুরু করে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—সবাইকে নিবন্ধনের আওতায় আসতে হবে। একটি আইনি কাঠামোর অধীনে নিবন্ধন থাকলে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান তাদের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের সংখ্যা, সিলেবাসের ধরন, শিক্ষকদের যোগ্যতা এবং আয়ের উৎস সম্পর্কে সরকারকে তথ্য দিতে বাধ্য থাকবে। আইনি কাঠামোর এই অভাব এবং সরকারি নজরদারির অনুপস্থিতি মাদ্রাসার ভেতরে এক ধরনের বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করে, যা অনেক সময় শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের রূপ নেয়। এসব প্রতিষ্ঠানে আবদ্ধ পরিবেশে আবাসিক ব্যবস্থা থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই শিশু নির্যাতন, যৌন হয়রানি এবং অমানবিক শাস্তির ঘটনাগুলো চার দেয়ালের ভেতরেই ধামাচাপা পড়ে যায়। সম্প্রতি গত ৬ মে নেত্রকোনার মদন উপজেলায় একটি কওমি মাদ্রাসায় ১১ বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগে এক শিক্ষককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনাগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, সরকারি নজরদারি ছাড়া কোমলমতি শিশুদের কতটা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রাখা হয়েছে।

শিক্ষার গুণগত মান এবং আধুনিক কর্মক্ষেত্রের চাহিদার সঙ্গে কওমি মাদ্রাসার সিলেবাসের যোজন যোজন দূরত্বের বিষয়টিও ভাবিয়ে তুলছে সমাজবিজ্ঞানীদের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মনে করেন, কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং একজন দায়িত্বশীল আধুনিক নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। তাদের সিলেবাস সবার জন্য উন্মুক্ত নয় বলে তারা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), চতুর্থ শিল্পবিপ্লব (4IR) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) মতো যুগোপযোগী বিষয়গুলো আদৌ শিখছে কি না, তা জানার কোনো উপায় নেই। আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে না পারার কারণে উচ্চ পর্যায়ের বা কারিগরি পেশাগুলোতে কওমি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ একেবারেই চোখে পড়ে না। মূলত সাধারণ ধারার সঙ্গে একীভূত না হওয়ার যে জেদ কওমি কাঠামোর মধ্যে রয়েছে, তা এই বিশাল জনশক্তিকে দেশের উৎপাদনশীল অর্থনীতি থেকে ছিটকে ফেলছে।

সরকার অবশ্য বিভিন্ন সময়ে কওমি শিক্ষাকে মূল স্রোতে আনার চেষ্টা করেছে। ২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সর্বোচ্চ স্তর ‘দাওরায়ে হাদিস’-এর সনদকে সাধারণ শিক্ষায় ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি সাহিত্যে মাস্টার্স (স্নাতকোত্তর) ডিগ্রির সমমান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেন। তবে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়ার মতে, এই একটি স্বীকৃতির বাইরে কওমি মাদ্রাসাগুলোর সঙ্গে সরকারের আর কোনো আনুষ্ঠানিক সংযোগ নেই। কওমি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মধ্যে এক ধরনের অমূলক ভীতি কাজ করে যে, তাদের ডিগ্রি বা সিলেবাস সাধারণ শিক্ষার সমমান করা হলে বা সরকারি কাঠামোর অধীনে গেলে তাদের স্বকীয়তা নষ্ট হবে এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাবে।

সম্প্রতি এই অচলায়তন ভাঙার একটি নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের ৩ মে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের প্রথম দিনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এএনএম এহসানুল হক মিলন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সরকার কওমি শিক্ষাধারাকে আর বিচ্ছিন্ন করে রাখতে চায় না। সরকার চায় কওমি ধারার ডিগ্রিগুলোকে মানসম্মত করে সাধারণ শিক্ষার ডিগ্রির সমতুল্য করতে। ওই সম্মেলনে কওমি মাদ্রাসাগুলোর জন্য একটি জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রস্তাবনায় ধর্মীয় শিক্ষার মূল বিষয়গুলোর পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং বৃত্তিমূলক (ভোকেশনাল) শিক্ষা নিশ্চিত করে কওমি শিক্ষাকে আধুনিকায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়। মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, তিনি ইতিমধ্যে কওমি মাদ্রাসার প্রতিনিধিদের সঙ্গে তিন দফা বৈঠক করেছেন এবং তারা এই বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট লিখিত প্রস্তাবনা জমা দেবেন বলে কথা দিয়েছেন।

তবে অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, এই উদ্যোগের সফলতা নির্ভর করবে সরকারের দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর। ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমেদ উল্লেখ করেন, কওমি মাদ্রাসার বিষয়টি সবসময়ই দেশে একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। বিগত সরকারগুলো রক্ষণশীল গোষ্ঠীর ভোটব্যাংক হারানোর ভয়ে অথবা রাজনৈতিক স্বার্থহানির আশঙ্কায় এই খাতটিকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের বদলে আপসের পথ বেছে নিয়েছে। কিন্তু একটি আধুনিক ও কল্যাণকামী রাষ্ট্র তার লাখ লাখ শিশুকে যুগের চেয়ে পিছিয়ে থাকা একটি অনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার হাতে ছেড়ে দিতে পারে না। দেশের জনমিতিক লভ্যাংশকে (Demographic Dividend) কাজে লাগাতে হলে কওমি ধারার এই বিশাল শিক্ষার্থী শ্রেণিকে সাধারণ ও কারিগরি শিক্ষার সঙ্গে সমন্বয় করে একটি উৎপাদনশীল দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের কোনো বিকল্প নেই। এজন্য প্রয়োজন সুস্পষ্ট ডেটা বিশ্লেষণ, গঠনমূলক সংলাপ এবং কোনো রাজনৈতিক আপস ছাড়াই একটি সুদৃঢ় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় শিক্ষানীতির বাস্তবায়ন।

সূত্র: নিউ এজ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category