চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৮ নম্বর আসামি আশরাফুল হক ডনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা সিআইডির আবেদন মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরআগে আশরাফুল হক ডনকে জামিনে মুক্তি দিলে তদন্তে বিঘ্ন সৃষ্টি এবং পুনরায় পলাতক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে জানিয়ে তাকে জেলহাজতে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
আদালতের আদেশের পর আশরাফুল হক ডনকে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
রোববার ভোর ৫টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ আশরাফুল হক ডনকে আটক করে। পরে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের হাজতখানায় রাখার পর বিকেলে তাকে এজলাসে তোলা হয়।
আদালতে পাঠানো সিআইডির প্রতিবেদনে বলা হয়, আশরাফুল হক ডন দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। তাকে পুলিশ হেফাজতে এনে মামলার বিষয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া চলছিল। জামিনে মুক্তি পেলে তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি তিনি পুনরায় পলাতক হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে সিআইডি। এ কারণে তার জামিনের বিরোধিতা করে তাকে জেলহাজতে আটক রাখার আবেদন করা হয়।
ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহকে এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামি ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করেন।
মামলার তদন্ত কার্যক্রম বর্তমানে সিআইডিতে চলমান রয়েছে। এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ এরই মধ্যে আটবার পিছিয়েছে। সর্বশেষ আগামী ৩০ আগস্ট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেছেন আদালত।