• রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
Headline
বাবার হাজার কোটি টাকায় মোহ নেই, লন্ডনে সাধারণ চাকরি করেন অক্ষয়-পুত্র প্রধানমন্ত্রী ও জাইমা রহমানকে বাফুফেতে আমন্ত্রণ জানালেন অধিনায়ক আফিদা হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে কাল থেকে সারা দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু আ. লীগকেও পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত: রাশেদ খান জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে আইএমএফের শর্তের কোনো সম্পর্ক নেই: অর্থমন্ত্রী সংসদে সরকারি দলের এমপিদের অঙ্গভঙ্গি: তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জামায়াত আমিরের ‘সরকার জ্বালানি সংকট নিয়ে মিথ্যাচার করছে’: সংসদে রুমিন ফারহানা কিউবার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একজোট মেক্সিকো, স্পেন ও ব্রাজিল ইসরায়েলের অকুণ্ঠ প্রশংসায় ট্রাম্প, ঘনাচ্ছে নতুন বিতর্ক ‘ইরানকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করার ট্রাম্প কে?’: পেজেশকিয়ান

টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়া মা-ছেলেসহ ৫ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর

Reporter Name / ১৯ Time View
Update : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মহাসড়কের পাশে রেললাইনে বসে থাকার সময় ট্রেনের ধাক্কায় নিহত মা-ছেলেসহ পাঁচজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এ সময় দাফন ও আনুষঙ্গিক খরচের জন্য নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে রেলওয়ের পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

যেভাবে ঘটে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা

শুক্রবার রাত আটটার দিকে উপজেলার ধলাটেঙ্গর এলাকায় এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা ঘটে। বাসযাত্রী ও নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটি শেষে গাইবান্ধা থেকে গাজীপুরের কর্মস্থলে ফিরছিলেন পোশাক কারখানার ওই কর্মীরা। পথে কালিহাতীর ধলাটেঙ্গর এলাকায় পৌঁছালে বাসটির জ্বালানি তেল শেষ হয়ে যায়। এ সময় চালক ও হেলপার মহাসড়কের পাশে বাস দাঁড় করিয়ে তেল আনতে যান। বাসের ভেতরে গরম থাকায় বেশ কয়েকজন যাত্রী নিচে নেমে আসেন। এদের মধ্যে কয়েকজন মহাসড়কের পাশের রেললাইনে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন এবং মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। ঠিক সে সময়ই টাঙ্গাইল থেকে ছেড়ে আসা ‘সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি তাদের সজোরে ধাক্কা দেয়, ফলে ঘটনাস্থলেই মা-ছেলেসহ ওই পাঁচজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।

নিহতদের পরিচয়

এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো সবাই গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার পূরাব নিজপাগা গ্রামের বাসিন্দা ও একে অপরের আত্মীয়। নিহতরা হলেন—ওই গ্রামের হামিদুল ইসলামের স্ত্রী নার্গিস (৩৫), তাঁর ১২ বছর বয়সী ছেলে নীরব, নার্গিসের বড় ছেলের শাশুড়ি দোলা (৩৫), একই এলাকার রাইজেল মিয়ার ছেলে সুলতান (৩৩) এবং আব্দুর রশিদের মেয়ে রিফা আক্তার (২৩)। নিহত রিফা আক্তারের বড় ভাই আব্দুল মোমিন জানান, নিহতরা সবাই তাঁদের পরিবারের সদস্য ও নিকটাত্মীয়। আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাঁরা মরদেহগুলো বুঝে পেয়েছেন।

পুলিশের বক্তব্য ও আইনি পদক্ষেপ

টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেলস্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান দুর্ঘটনার সার্বিক তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়া বাসটি থেকে নেমে যাত্রীরা অসতর্কতাবশত রেললাইনে বসে থাকার কারণেই এই মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শনিবার সকালে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category