শীতের আগমনী বার্তার সাথে সাথে দেশের সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের ওপর যেন নতুন করে এক মহাদুর্যোগের কালো ছায়া নেমে এসেছে। প্রাকৃতিক গ্যাসের পাইপলাইন সংযোগ বন্ধ থাকায় দেশের শহর থেকে গ্রাম—কোটি কোটি মানুষের রান্নাঘরের একমাত্র ভরসা এখন তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি। অথচ জীবনধারণের এই অত্যন্ত জরুরি অনুষঙ্গটিকে কেন্দ্র করে বাজারে সৃষ্টি হয়েছে চরম অস্থিরতা, হাহাকার ও সীমাহীন নৈরাজ্য। নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যের তোয়াক্কা না করে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ও আমদানিকারক সিন্ডিকেট সাধারণ ভোক্তাদের জিম্মি করে হাতিয়ে নিচ্ছে শত শত কোটি টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই আর সম্ভাব্য সরবরাহ ঘাটতির কৃত্রিম ভীতি তৈরি করে সিলিন্ডার প্রতি অতিরিক্ত পাঁচশো থেকে সাতশো টাকা পর্যন্ত বাড়তি আদায় করা হচ্ছে। এর মধ্যেই আসন্ন তীব্র শীতে ইউরোপীয় বাজারে জ্বালানির চাহিদা বৃদ্ধি ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে চরম প্রস্তুতিহীনতা আর প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে এলপিজি খাতটি এখন সাধারণ মানুষের পকেট কাটার এক স্থায়ী উন্মুক্ত চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে।
খুচরা বাজারের বাস্তব চিত্র পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, সরকারের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্দেশনার কোনো বাস্তব অস্তিত্ব নেই। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি অক্টোবর মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক ধাক্কায় ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। কিন্তু এই ঘোষণার পর এক দিনের জন্যও দেশের কোনো প্রান্তে সরকারি দামে সিলিন্ডার মেলেনি। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের খুচরা বাজারে প্রতিটি ১২ কেজির সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ২০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, আজিমপুর, মিরপুর কিংবা মালিবাগের মতো জনবহুল এলাকাগুলোতে ভোক্তাদের কোনো দরদাম করার সুযোগ থাকছে না। দোকানিরা সাফ জানিয়ে দিচ্ছেন, বাড়তি দামে কিনতে না চাইলে গ্যাস দেওয়া সম্ভব নয়। পরিস্থিতি আরও শোচনীয় রূপ নিয়েছে পুরনো সিলিন্ডার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে। অনেক ডিলার নির্দিষ্ট কোম্পানির পুরনো খালি সিলিন্ডার জমা নিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন এবং গ্রাহকদের বাধ্য করছেন নতুন সিলিন্ডার কিনতে, যার কারণে একজন গ্রাহককে এককালীন কয়েক হাজার টাকার অতিরিক্ত আর্থিক বোঝায় পড়তে হচ্ছে। রাজধানীর তুলনায় ঢাকার বাইরের পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় বলে দাবি করা হলেও সেখানেও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বহু গুণ বেশি দাম আদায় করা নিত্যদিনের নিয়মে দাঁড়িয়েছে।
বাজারে কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের বিষয়টি খোদ সরকারি নথিপত্রেই স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। গত ২৩শে অক্টোবর ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো একটি বাজার তদারকি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রাজধানীতে কোনো ব্র্যান্ডই সরকারি দামে পণ্য বিক্রি করছে না। প্রশাসনের নিজস্ব অনুসন্ধানেই উঠে এসেছে যে, ওমেরা এলপিজি বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০ টাকায়, বসুন্ধরা ২ হাজার ৩০০ টাকায়, ফ্রেশ ২ হাজার ১০০ টাকায়, ডেল্টা, তীর ও ইউনি এলপিজি ২ হাজার ২০০ টাকায় এবং পেট্রোম্যাক্স ও আই গ্যাস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৯০০ টাকায়। অর্থাৎ সরকারি নির্ধারিত ১ হাজার ৮৩৭ টাকার সিলিন্ডারের কোনো অস্তিত্ব খোদ রাজধানীর বুকেই নেই। যদিও জেলা প্রশাসন দাবি করছে যে তারা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে, অতিরিক্ত দামের বিরুদ্ধে বিক্রেতাদের সতর্ক করছে এবং পুরো অক্টোবর মাসে অন্তত ১০টি সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে, তবে বাস্তবতা হলো এসব অভিযান কোনো স্থায়ী স্বস্তি বয়ে আনতে পারছে না। ভ্রাম্যমাণ আদালত চলে যাওয়ার সাথে সাথেই বাজার আবারও ফিরে যাচ্ছে তার চেনা সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে।
এই চলমান সংকটের পেছনের মূল রহস্য লুকিয়ে আছে আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থার চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে। এলপিজি আমদানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন লোয়াব এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসি-র তথ্যানুযায়ী, দেশে নিজস্ব অবকাঠামো ব্যবহার করে এলপিজি আমদানি করার সক্ষমতা রয়েছে অন্তত ২৩টি বেসরকারি কোম্পানির। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, বিগত আগস্ট মাসে মাত্র ১৩টি কোম্পানি এবং সেপ্টেম্বর মাসে মাত্র ১০টি কোম্পানি বিদেশ থেকে গ্যাস আমদানি করেছে। অর্ধেকেরও বেশি প্রতিষ্ঠান নানা অজুহাতে এলসি খোলা কিংবা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে গ্যাস আনা থেকে বিরত রয়েছে। ফলে যারা আমদানি করছে, তাদের কাছ থেকে অন্য কোম্পানিগুলো গ্যাস কিনে কোনোমতে নামমাত্র সরবরাহ চালু রাখছে। এতে করে বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহের এক বিশাল কৃত্রিম ঘাটতি তৈরি হয়েছে। দেশে প্রতি মাসে গৃহস্থালি ব্যবহারের জন্য অন্তত ১ লাখ ২০ হাজার টন এলপিজি প্রয়োজন হয়, যা দিয়ে প্রায় ৮৩ লাখ ১২ কেজির সিলিন্ডারের চাহিদা মেটানো সম্ভব। কিন্তু এই বিশাল সরবরাহ বজায় রাখার জন্য চক্রাকারে যে ৩ কোটি ৩২ লাখ সিলিন্ডার মাঠে সক্রিয় থাকা প্রয়োজন, তার অন্তত ৬০ লাখ সিলিন্ডার এখন বিভিন্ন কারণে নিষ্ক্রিয় বা ব্যবহারহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ সিলিন্ডার নিয়মিত রিফিলের আওতায় থাকলে বাজারে প্রতি মাসে অন্তত ১৫ লাখ অতিরিক্ত সিলিন্ডারের জোগান নিশ্চিত হতো, যা কৃত্রিম সংকটকে অনেকটাই রুখে দিতে পারতো।
আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ভূকৌশলগত সংঘাতের অজুহাত তুলে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছেন সংশ্লিষ্ট খাতের উদ্যোক্তারা। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের তীব্রতা যখন সৌদি আরবসহ আশেপাশের তেল উৎপাদনকারী অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে, তখন আন্তর্জাতিক বাজারে কার্গো মূল্য ও সমুদ্রপথে জাহাজভাড়া বৃদ্ধি পায়। কিন্তু বাংলাদেশে সংকট শুরু হয়েছে অভ্যন্তরীণ মজুদদারির অনৈতিক মানসিকতা থেকে। গত ৪ঠা অক্টোবর সরকারি পর্যায়ে দাম সমন্বয় করার আগেই, সেপ্টেম্বর মাসের ২২ তারিখ থেকে আমদানিকারক, পরিবেশক এবং পাইকারি ব্যবসায়ীরা একযোগে এলপিজি মজুদ করতে শুরু করে। কৃত্রিমভাবে সরবরাহ আটকে দিয়ে আগেভাগেই দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে বিইআরসি মূল্যবৃদ্ধি করার পরও সেই অতিরিক্ত দামের লাগাম আর টেনে ধরা যায়নি। বর্তমানে আমদানিকারকরা দাবি করছেন যে, গত পাঁচ বছরে ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি, জাহাজের ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম এবং অভ্যন্তরীণ পরিচালন ব্যয় অনেক বেড়েছে। তাই তারা কমিশনের হার ও সিলিন্ডারের দাম আবারও বাড়ানোর আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। তাদের এই দাবির প্রেক্ষিতে আগামী ২৯শে অক্টোবর বিইআরসি এক গণশুনানির আয়োজন করেছে, যা স্পষ্টভাবেই ইঙ্গিত দেয় যে শীতের আগেই এলপিজির দাম কমার বদলে আরেক দফা বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রবল।
নীতিনির্ধারক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকাকে তীব্র সমালোচনার মুখে দাঁড় করিয়েছেন দেশের ভোক্তা অধিকার বিশ্লেষকরা। কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে অভিযোগ তুলেছেন যে, গোটা এলপিজি বাজারটি মূলত গুটিকয়েক আমদানিকারকের লুণ্ঠনের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। তারা পরিকল্পিতভাবে মজুতদারি করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে এবং কেবল গত এক মাসেই সাধারণ ভোক্তাদের পকেট থেকে ৬০০ কোটি টাকারও বেশি অতিরিক্ত অর্থ লুটে নিয়েছে। এমন প্রকাশ্য ডাকাতির পরও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসি কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো ব্যবসায়ীদের চাপে আবারও দাম বাড়ানোর শুনানির আয়োজন করছে, যা ভোক্তাদের সাথে এক ধরনের উপহাসের শামিল। ক্যাবের মতে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা যেখানে সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেখানে তারা এখন ব্যবসায়ীদের মুনাফা সুরক্ষার যন্ত্রে রূপান্তরিত হয়েছে।
এদিকে বিইআরসি চেয়ারম্যানের বক্তব্য পরিস্থিতির গভীর সংকটের দিকেই ইঙ্গিত করছে। তিনি স্বীকার করেছেন যে দেশের পরিস্থিতি মোটেও স্বাভাবিক নয় এবং এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে ডলার সংকট ও ঋণপত্র বা এলসি খোলার জটিলতা বড় ধরনের বাধা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে অনেক কোম্পানি এখন বাধ্য হয়ে সুদূর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলপিজি আমদানি করছে। আমেরিকা থেকে দীর্ঘ সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে জাহাজ আসতে বিপুল সময় ব্যয় হচ্ছে, পাশাপাশি জাহাজভাড়া এবং যুদ্ধঝুঁকির ইন্স্যুরেন্স বাবদ অতিরিক্ত অর্থ খরচ হচ্ছে। তবে এর চেয়েও বড় শঙ্কার বিষয় হলো আসন্ন শীত মৌসুম। বিইআরসি চেয়ারম্যান নিজেই উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, শীত মৌসুমে তীব্র ঠান্ডার কারণে পুরো ইউরোপজুড়ে গ্যাসের চাহিদা অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাবে। বিশ্ববাজারে যখন ইউরোপ বিপুল পরিমাণ তরল জ্বালানি কিনতে শুরু করবে, তখন আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রচণ্ড চাপ তৈরি হবে এবং দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। এমন বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দেশে এলপিজির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের জন্য এক বিশাল পরীক্ষা হয়ে দাঁড়াবে। অথচ অতীতে যেখানে দেশে প্রতি মাসে ১ লাখ ৮০ হাজার টন পর্যন্ত এলপিজি আমদানি হতো, এখন তা নেমে এসেছে ১ লাখ ৬০ হাজার টনে।
রান্নাঘরের এই অসহনীয় সংকটের মুখে পড়ে বহু মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার বাধ্য হয়ে বিদ্যুৎচালিত ইনডাকশন বা ইনফ্রারেড চুলার দিকে ঝুঁকছেন। কিন্তু এই বিকল্প ব্যবস্থা সামগ্রিক জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর আরেক ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে। লোডশেডিংয়ের ঘনঘটার মধ্যে রান্নার কাজে বিদ্যুতের অতিরিক্ত ব্যবহার জাতীয় গ্রিডের ওপর বাড়তি বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, যার ফলে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায়ও নতুন সংকটের সৃষ্টি হচ্ছে। অন্যদিকে যাদের বিদ্যুৎচালিত চুলা কেনার আর্থিক সংগতি নেই, সেই নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো কাঠ-খড় কিংবা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে কেরোসিন ও কয়লার চুলায় ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
একটি উন্নয়নশীল দেশের গৃহস্থালি অর্থনীতি যখন রান্নার গ্যাসের মতো অপরিহার্য জ্বালানির সংকটে অচল হয়ে পড়ে, তখন বুঝতে হবে সংকটটি আর কেবল নীতিমালার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, এটি জাতীয় ব্যবস্থাপনার চরম ব্যর্থতা। শীতের তীব্রতা বাড়ার আগে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাস নিয়ে কাড়াকাড়ি শুরু হওয়ার আগেই সরকারকে অবিলম্বে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আমদানিকারকদের ডলার প্রাপ্তি ও এলসি খোলার প্রক্রিয়া সহজতর করার পাশাপাশি আমদানি প্রক্রিয়ায় যে অচলাবস্থা চলছে তা দ্রুত দূর করতে হবে। একই সাথে বিইআরসি-র গণশুনানিকে কেবল ব্যবসায়ীদের দাম বাড়ানোর হাতিয়ার না বানিয়ে, আমদানি খরচ ও মুনাফার একটি স্বচ্ছ নিরীক্ষা পরিচালনা করতে হবে। ঢাকা জেলা প্রশাসনসহ দেশজুড়ে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতকে লোকদেখানো তদারকি থেকে বের করে এনে পাইকারি মজুদদার ও সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। অন্যথায়, কনকনে শীতের রাতে কোটি পরিবারের রান্নাঘর শীতল হয়ে যাবে এবং সেই ক্ষোভ পুরো দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক শৃঙ্খলার ওপর মারাত্মক আঘাত হানবে।
তথ্যসূত্র: মানবজমিন