• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
/ উক্তি ও যুক্তি
ইদানিং শিশুরা গা শিউড়ে ওঠার মতো বিপদে পড়ছে। প্রতিটি ঘটনা আমাদের বুকে শেলের মতো বিঁধে। আমি মনে করি, প্রত্যেক মা- বাবা ও অন্যান্য অভিভাবকের এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সতর্ক থাকা উচিত। read more
১ ) ১৯৮৬ সাল। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম এবং অনেকদিন পর পুস্প আপার যন্ত্রণা আমার উপর আবার নাজেল হলো। ও আমাকে ছোটবেলায় স্কুলে নিয়ে যেতো। মাঝখানে রক্ষা পেয়েছিলাম। এখন আবার
আব্বার সহকর্মীদের মধ্যে একজনের সাথে আমাদের এখনো খুব ভালো সম্পর্ক আছে। যদিও তিনি বয়সে আব্বার অনেক ছোটো ছিলেন কিন্তু তাদের সম্পর্ক ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্নেহের। তাঁর নাম আমিনুর রশিদ।
১ ) কয়েকদিন আগে হর্ন ইফেক্ট নিয়ে লিখেছিলাম- মানে একটি আচরণ দিয়ে একজন মানুষকে ভুলভাবে বিচার করা। আজ লিখছি তার বিপরীত হ্যালো ইফেক্ট নিয়ে। ২ ) বাইরে প্রচণ্ড তুষারপাত হচ্ছে।
আপনারা যারা নিয়মিত আমার লেখা পড়েন তাঁদের অনেকের ধারণা হতে পারে আমি মোটামুটি ত্রুটিমুক্ত মানুষ। বাস্তবতা হচ্ছে, লেখক তাঁর লেখার মতো চমৎকার নাও হতে পারেন। আমার ক্ষেত্রেও তাই। আপনাদের জানার
যারা ভাড়া বাড়িতে থাকেন তাঁরা ঠিক বাড়ি পছন্দ করতে না পারলে মোটামুটি দুনিয়াতেই দোযখবাস হয়ে যায়। এর চেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতা খুব আছে। শুধু তাই নয়, বাড়ি নির্বাচনে ভুল হলে সন্তানদের
‘শরতে বৃক্ষপাতা মাটিতে গড়ায় দিনগুলো নিমিষে স্মৃতি হয়ে যায় সুকণ্ঠী একসময় কণ্ঠ হারায় চল্লিশে যৌবন ধুলায় মিলায়।’ চল্লিশের পর সময় বিদ্যুৎগতিতে ছুটে চলে। এটি তখন অতি দ্রুতগামী একটি ট্রেন। বুঝে
(পুরোটা না পড়লে বিভ্রান্ত হতে পারেন) ১ )বিভ্রান্তি পর্ব- ১৯৮৪ সাল । কুমিল্লায় বড়মামার বাড়ি গিয়েছি। তিনি সেখানে একটি ব্যাংকের আঞ্চলিক প্রধান ছিলেন। কয়েকদিন খুব মজা করলাম। তারপর একদিন সকালে