বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও দায়মুক্তির এক প্রাতিষ্ঠানিক প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ বা অলস বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভাড়া। চুক্তির মারপ্যাঁচে আপাত-নিয়মতান্ত্রিক আইনি রূপ দেওয়া হলেও, অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা শুরু থেকেই
বাংলাদেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে এক চরম ও নজিরবিহীন তথ্য জালিয়াতির ঘটনা উন্মোচন হয়েছে। বেসরকারি খাতের এনআরবিসি (নন-রেসিডেনসিয়াল বাংলাদেশি কমার্শিয়াল) ব্যাংক তাদের হাজার কোটি টাকার ভয়াবহ লুটপাট, জালিয়াতি এবং অনিয়ম ধামাচাপা দিতে
রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানা এলাকা যেন কিশোর গ্যাং ও সশস্ত্র অপরাধী চক্রের এক মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি আদাবরের ব্যস্ত সড়কে দিনে-দুপুরে এক বিকাশ ব্যবসায়ীকে চার-পাঁচজন সন্ত্রাসী মিলে চাপাতি দিয়ে
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমান্বয়ে অবনতি ঘটায় জনমনে গভীর শঙ্কা, ভয় ও চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য ডেইলি স্টার’-এর একটি বিশেষ প্রতিবেদনে দেশের অপরাধচিত্রের এক লোমহর্ষক ও ভয়াবহ
বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে জনসংখ্যার কাঠামোগত পরিবর্তনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এক নজিরবিহীন ও বড় ধরনের প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু করেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কর্তৃক উত্থাপিত ‘অস্বাভাবিক
দেশের ৫৪টি জেলার ভূগর্ভস্থ পানিতে সহনশীল মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে বিষাক্ত আর্সেনিক ও অতিরিক্ত আয়রনের (লোহা) উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার সাম্প্রতিক
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স সম্পূর্ণ বাতিল করা হলেও প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য শাখার চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম সচল রাখতে কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ