• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
/ ফিচার
২০২৪ সাল। জুলাই অভ্যুত্থানে ফুঁসে ওঠা রাজপথ। আন্দোলন দমাতে সারাদেশে নজিরবিহীন ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট। ডিজিটাল যোগাযোগের পথ বন্ধ করে চলে নির্মম হত্যাযজ্ঞ। সারাদেশ বিচ্ছিন্ন হলেও গণভবনে থামেনি ইন্টারনেটের গতি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের read more
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসসহ সরকারি চাকুরিতে কোটা পদ্ধতির সুষম সংস্কারের দাবিতে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এই জটিল সমস্যার কোনো স্থায়ী বা গ্রহণযোগ্য সমাধান এখনো অর্জিত হয়নি। বিগত সরকারের
পরিবর্তিত বিশ্ব প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশে রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তনের পর দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক দৃশ্যপটে এক বৈপ্লবিক মোড় পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশেষ করে মার্কিন বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত দূত সার্জিও গোরের ঢাকা সফর, ভারতীয় হাইকমিশনার
জাতীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানকারী প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের সাথে আজারবাইজানের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সকারের (SOCAR) বড় অংকের আইনি ও আর্থিক বিরোধ আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এই জটিল পরিস্থিতির মাঝেই বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে
দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) অর্থায়নে পরিচালিত শত শত গবেষণা প্রকল্পে চরম উদাসীনতা ও জবাবদিহিহীনতার এক আশঙ্কাজনক চিত্র ফুটে উঠেছে। সরকারি কোষাগারের বিপুল অংকের অর্থ অনুদান
ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামোর দ্রুত বিকাশ এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) বহুল ব্যবহারের পরও দেশে নগদ কাগুজে টাকার ব্যবহার না কমে উল্টো সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে। ব্যাংকিং
বিগত সরকারগুলোর রাজনৈতিক অপশাসন, চরম সামাজিক অসঙ্গতি কিংবা শাসনব্যবস্থার শীর্ষ ব্যক্তিদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সাধারণ নাগরিক যখন সরাসরি ক্ষোভ উগড়ে দিতে বা সমালোচনা করতে পারতেন না, তখন ক্ষোভ প্রকাশের রাজনৈতিক
হাজার টাকায় ১৮ টাকা ৫০ পয়সার হিসাবটা খালি চোখে অত্যন্ত সামান্য বা অনুল্লেখযোগ্য মনে হতে পারে। তবে এই খুচরো সার্ভিস চার্জের ওপর ভর করেই বর্তমানে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশের প্রায় ২০০