• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন
Headline
২০৩০ সালের মধ্যে ১০৬.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের নিখোঁজ শিশুর লাশ মিলল সীমান্তের ওপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন কতজন, তালিকায় যারা জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান জাতিসংঘে নতুন সরকারের বার্তা দেবেন তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী কাল নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন সরকার স্টার্টআপ, উদ্যোক্তা তৈরি ও উদ্ভাবনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে : জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বাংলাদেশ সফরে আগ্রহী চীনা কমিউনিস্ট পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতা: রাষ্ট্রদূত মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন
/ উক্তি ও যুক্তি
১) ক্লাস এইটে স্কুল পালিয়ে ধরা খেলাম। প্রতিদিন বাসা থেকে বেরিয়ে চট্টগ্রামের বাটালি হিল চলে যেতাম। স্কুল টাইম শেষ হলে ফিরতাম। ব্যাপারটা ধরা পড়ল বার্ষিক পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ করার পর। read more
‘চল্লিশ পেরোলে বদলে যায় আয়না চেনা চেনা লাগে, কিন্তু চেনা যায় না।’ আপনার বয়স যদি ৪০-এর ওপারে হয়, তবে উপরের কবিতাটি আপনার জন্য। কারণ আপনার আয়না বদলে গেছে। শুরু হয়েছে
একজন বড় ব্যবসায়ী। বিশাল ব্যবসা। শত কোটি টাকার মালিক। শানশওকতে চোখ ধাঁধিয়ে যায়। সব মিলিয়ে বিশাল ব্যাপার। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো—তিনি এক দরিদ্র বৃদ্ধকে খুব শ্রদ্ধা করেন। তাঁকে গ্রামে বাড়ি করে
তারা একসাথে থাকছেন, খাচ্ছেন, ঘুমাচ্ছেন, বেড়াচ্ছেন— কিন্তু এত কাছে থেকেও দুজনের মাঝে যোজন দূরত্ব। এটিই স্লিপ ডিভোর্স— যে ডিভোর্স ঘুমিয়ে থাকে, বাইরে থেকে বোঝা যায় না। যে ডিভোর্স কাগজেপত্রে হয়
ছোটবেলায় ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত স্কুল শেষ হতো বেলা বারোটায়। বাসায় আসার পর আম্মা গোসল করাতেন, তারপর খাইয়ে ঘুম পাড়াতেন। এখনো চোখে ভাসে, আমি বিছানায় আম্মার বুকে শুয়ে আছি। আম্মা আমার
ইদানীং কিছু খুব উদ্বেগজনক খবর পাই। তা হলো, কিশোরীরা বয়স্ক লোকের ফাঁদে পড়ছে। এরচেয়ে সর্বনাশা ব্যাপার আর হতে পারে না। তাই আমি কিশোরী এবং তাদের মা-বাবাদের সাবধান হওয়ার জন্য কিছু
১৯৮৫ সাল। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি। লোক প্রশাসন বিভাগে। এসএসসি/এইচএসসির রেজাল্টের গরম- বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীন জীবনের উত্তাপ- সাম্প্রতিক কবিত্ব লাভের আগুন- সব মিলিয়ে মনে হচ্ছে, দুনিয়া পায়ের নিচে গড়াগড়ি দিচ্ছে। পড়ালেখা
আমার বাবা কখনো সামনে বসিয়ে গম্ভীরমুখে উপদেশ দিতেন না। তিনি দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজকর্মের ফাঁকে ফাঁকে কিছু কথা বলতেন। এখন মনে হয়, এগুলোর চেয়ে শ্রেষ্ঠ উপদেশ আর কিছু হয় না।