• সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন
/ ফিচার
ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই শান্তি ও ভ্রাতৃত্বের উৎসব। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুসলিম বিশ্বে যখন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দঘন মুহূর্ত নেমে এসেছে, তখন মধ্যপ্রাচ্যের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। read more
গত ১৭ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা একটি প্রজ্ঞাপন রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের অনুপস্থিতিতে কে দায়িত্ব পালন করবেন, তা নির্ধারণ
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের এক মাস পূর্ণ
বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতির পদটি যেন এক বিশাল নাটকমঞ্চের কেন্দ্রবিন্দু। এই মঞ্চে নায়ক আছেন, খলনায়ক আছেন, আছেন অসংখ্য দর্শকও। কিন্তু যিনি সবচেয়ে বড় পদটিতে আসীন, সেই রাষ্ট্রপতির নিজস্ব কোনো দৃশ্যমান
বিশ্বজুড়ে সম্পদের নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষমতার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চরম অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। ক্রাইসিস গ্রুপ, আলজাজিরা, দ্য গার্ডিয়ান এবং লা মঁদ-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সংবাদমাধ্যমের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে,
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নাম বারবার ফিরে আসে — জিয়াউর রহমান। স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারক, ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর রূপকার এবং একটি তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নদ্রষ্টা — শহীদ
নদী, খাল ও জলাভূমির দেশ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন এবং পানি ব্যবস্থাপনাকে পুনরুজ্জীবিত করতে দেশব্যাপী এক বিশাল খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। ক্ষমতার প্রথম ৩০ দিনেই তিনি প্রমাণ করেছেন যে, তার সরকার