বিগত এক দশক ধরে বাংলাদেশের প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা সরকারি ব্যবস্থা এবং নীতি নির্ধারণের পাঠ নিতে নিয়মিত উড়াল দিতেন ভারতে। উত্তরাখণ্ডের মুসৌরির মনোরম পাহাড়ি বাতাসে লাল বাহাদুর শাস্ত্রী জাতীয় প্রশাসন একাডেমির read more
একটা সময় ছিল যখন ‘শৈশব’ শব্দটির সমার্থক ছিল ধুলোমাখা শরীর, বিকেলের সোনা রোদ, মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে হইচই আর ঘুড়ি ওড়ানোর আনন্দ। মায়ের বকুনি খেয়ে সন্ধ্যাবেলা ঘরে ফেরার সেই দিনগুলো আজ
২০১০ সালে ভারত সফর শেষে দেশে ফিরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত গর্বভরে একটি কথা বলেছিলেন, “আমরা ভারতকে যা দিয়েছি, সেটা ভারত সারাজীবন মনে রাখবে।” সেদিনের সেই মন্তব্যের মধ্যে কোনো
দেশের অর্থনীতি যখন কঠিন সংকটের মুখে এবং রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ধস নেমেছে, ঠিক তখনই আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার এক উচ্চাভিলাষী বা ‘বিলাসী’ বাজেট
দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, পরিবেশগত বিপর্যয় এবং প্রতি বছর ফিরে আসা দুর্যোগের হাত থেকে দেশকে রক্ষার জন্য অবশেষে এক যুগান্তকারী ও সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। ভারতের ফারাক্কা বাঁধের বিরূপ প্রভাব এবং
বাংলাদেশ সচিবালয় রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কার্যক্রমের মূল কেন্দ্রবিন্দু। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের মন্ত্রী, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে দেশি-বিদেশি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা প্রতিদিন এখানে যাতায়াত করেন। এমন একটি সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর স্থাপনার নিরাপত্তা
ভারতের রাজনীতিতে, বিশেষ করে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে বিজেপির নিরঙ্কুশ বিজয় ঢাকার জন্য এক মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে দীর্ঘদিনের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির পতনকে ঢাকার ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার একদিক থেকে
বোরো মৌসুম কৃষকের জন্য সারা বছরের অন্নের জোগান দেওয়ার সময়। কিন্তু বৈরী আবহাওয়া, আগাম বন্যা এবং শ্রমিক সংকটের কারণে হাওরাঞ্চল থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গের কৃষকদের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ। একদিকে