সার্ববিক বিশ্ব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল রাখা সরকারের একটি বড় সাফল্য বলে দাবি করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি। তিনি বলেন, বর্তমানে যে পরিস্থিতি চলছে, তাতে অন্য কোনো দল ক্ষমতায় থাকলে তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা থাকত না।
শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার আইন শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক এক নীতি সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ হুইপ বলেন, “সারা বিশ্বে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও বাংলাদেশে আমরা তা বাড়াইনি। আমাদের কাছে বর্তমানে দুই লাখ মেট্রিক টন তেল মজুদ আছে এবং আরও দুই লাখ মেট্রিক টন তেল আসার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।”
এ সময় সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “পত্রিকা খুললে দেখা যায় ১০টি খবরের মধ্যে ৯টিই নেতিবাচক। ইতিবাচক খবরগুলো সেভাবে সামনে আসে না।” তিনি দেশের অর্জিত সাফল্যগুলোকে সঠিকভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান।
তামাকজাত দ্রব্যের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নুরুল ইসলাম মণি বলেন, একজন ধূমপান করলে চারপাশের আরও ১০ জন পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। মানবসম্পদই দেশের প্রধান সম্পদ, তাই মানুষকে বাঁচাতে সিগারেট ও বিশেষ করে ই-সিগারেটের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, ই-সিগারেট নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণার ফলেও অনেক সময় এর কৌতূহল ও বিস্তৃতি বাড়ছে। তাই কেবল সভা-সেমিনার নয়, বরং নীতি-নির্ধারকদের কাছে সরাসরি বার্তা পৌঁছে দিয়ে এর আইনি সমাধান নিশ্চিত করতে হবে।
সংলাপে চিফ হুইপ দাবি করেন, তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণে প্রচার ও বিপণন বন্ধে বিএনপি সরকারই অতীতে সবচাইতে কার্যকর ভূমিকা রেখেছিল। বর্তমান সরকারও জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে তিনি জানান।