• শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
Headline
তেলতেলে বিশ্বনীতি: আবারও কি বিদ্যুৎ যন্ত্রণায় বাংলাদেশ! এনসিপিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন স্রেফ গুজব, আদর্শ বিকিয়ে জোটে যাব না: রুমিন ফারহানা কোচিং বাণিজ্য রোধ ও স্কুল সংস্কারে বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: ববি হাজ্জাজ ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে জেদ্দায় পৌঁছাল প্রথম হজ ফ্লাইট আইএমএফের ঋণ স্থগিতের গুঞ্জন ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’: বিভ্রান্তি উড়িয়ে দিল সরকার পর্যাপ্ত মজুদের পরও দেশজুড়ে জ্বালানির হাহাকার: ঢাকা ছাড়িয়ে আরও ১০ জেলায় ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের বিস্তৃতি ৪ মে পর্দা উঠছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের: থাকছে আন্তর্জাতিক মানের উইকেট ও রিজার্ভ ডে বায়ুদূষণে ২৩ নম্বরে ঢাকা হ্যারি কেইনের অনন্য কীর্তি: ৯৫ বছরের রেকর্ড ভেঙে এক মৌসুমে ৫০ গোল

তেলতেলে বিশ্বনীতি: আবারও কি বিদ্যুৎ যন্ত্রণায় বাংলাদেশ!

রিন্টু আনোয়ার / ৩ Time View
Update : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

বুঝতে এখন আর কারোই বাকি নেই যে, গোটা বিশ্বই কোনো না কোনোভাবে হয় তেলের যুদ্ধে শরীক, নইলে আক্রান্ত। ইরান যুদ্ধও তেলের অর্থনীতি। তেল কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয়, গোটা বিশ্বের জন্যই একটা অর্থনীতি। ইতিহাসের প্রয়োজনে উল্লেখ করতেই হয়,  প্রথম বড় ধরনের তেলের খনি ১৯০৮ সালে পারস্যে (বর্তমান ইরান) আবিষ্কৃত হয়। এরপর ১৯৩৮ সালে সৌদি আরবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম তেল পাওয়া যায়, যা এই অঞ্চলের অর্থনীতি সম্পূর্ণ বদলে দেয়। ভবিষ্যতের বিশ্ব রাজনীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ব্রিটেন এবং যুক্তরাষ্ট্র দৃষ্টি নিবদ্ধ করে এ অঞ্চলে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষের সঙ্গে সঙ্গে (১৯৪৬ সালে) ইউরোপকে নিজ নিজ বলয়ে নিতে গিয়ে পুঁজিবাদের নেতা যুক্তরাষ্ট্র এবং সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হয় এবং এ পরিস্থিতির মধ্যে ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের অবসান ঘটিয়ে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতা ঘোষণার পরদিনই মিসর, জর্ডান, সিরিয়া, লেবানন ও ইরাকের সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে ইসরাইল জয়ী হয় এবং বিভাজন পরিকল্পনায় ইহুদিদের জন্য নির্ধারিত এলাকার চেয়েও বেশি ভূমি দখল করে নেয়। বিগত স্নায়ুযুদ্ধের সময় মধ্যপ্রাচ্য ছিল অন্যতম প্রধান অস্থিরতার ক্ষেত্র। এ অঞ্চলটি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিদ্বন্দ্বিতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল।

বিপুল তেলসম্পদ, ইউরোপ-এশিয়ার সংযোগস্থল হিসাবে ভূরাজনৈতিক কৌশলগত অবস্থান, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংবেদনশীলতার কারণে এ এলাকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিজম মতবাদ ঠেকাতে ইসলামি চেতনা কাজে লাগাতে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামি দেশগুলোকে কাছে টেনে নেয়। তেলসমৃদ্ধ অঞ্চলে প্রভাব বজায় রাখা, সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব ঠেকানো এবং আঞ্চলিক রাজনীতিতে মোড়লগিরি করার জন্য স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে একটি স্থায়ী কৌশলগত ঘাঁটি স্থাপনের লক্ষ্যে পশ্চিমা শক্তিগুলো  মধ্যপ্রাচ্যে একটি মিত্ররাষ্ট্র হিসাবে ইসরাইলকে বেছে নেয়। তারা ইসরাইলের সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করতে করতে ২০১৭ সালের পর মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা আবারও বিশ্ব রাজনীতিকে এক অনিশ্চিত ও উত্তেজনাপূর্ণ পর্যায়ে নিয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকটে বিশ্ব জুড়ে ত্রাহি অবস্থা। এর রেশ এখন দেশে দেশে, বাংলাদেশেও। যানবাহনে প্রয়োজনীয় জ্বালানি দিতে হিমশিম খাচ্ছে দেশের পাম্পগুলো। গ্রীষ্মকাল শুরু হওয়ায় বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা। বাড়তি এই চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানির ওপর নতুন করে চাপ বাড়বে। এরইমধ্যে অনেক এলাকায় ঘন ঘন লোডশেডিং শুরু হয়ে গেছে। সামনে তা আরো বাড়বে সেই লক্ষণ স্পষ্ট।

বৈশ্বিক রাজনৈতিক অস্থিরতা, মুদ্রাস্ফীতি এবং অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনার কারণে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ব এক ভয়াবহ জ্বালানি সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিদ্যমান  প্রেক্ষাপটে এই সংকট শুধু বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা লোডশেডিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি কৃষি, শিল্প উৎপাদন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর চরম নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ সংকট মূলত আমদানিনির্ভরতার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। দেশের চাহিদার একটি বড় অংশ মেটাতে হয় আমদানিকৃত এলএনজি এবং কয়লার মাধ্যমে। আন্তর্জাতিক বাজারে যখনই এসব জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পায় কিংবা ডলারের সংকট প্রকট হয়, তখনই দেশের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো জ্বালানি সংকটে পড়ে। এ ছাড়া অভ্যন্তরীণভাবে নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে গত কয়েক দশকে প্রত্যাশিত গতি না আসা এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। জ্বালানি সংকটের সবচেয়ে বড় ধাক্কা লাগছে শিল্প কারখানায়।

গ্যাসের ঘাটতি ও বড় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় আশঙ্কা। চাহিদার সর্বোচ্চ সময় অর্থাৎ পিক আওয়ারে দুই হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায়, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের ব্যবহার কমাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়ার কথা ভাবছে সরকার।  পাওয়ার সেলের তথ্য মতে, ক্যাপটিভসহ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩২ হাজার ৩২২ মেগাওয়াট। গ্রাহক সংখ্যা ৪ কোটি ৯৬ লাখ। তবে এখন জাতীয় সঞ্চালন লাইনে প্রতিদিন যোগ হচ্ছে মাত্র ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন মূলত গ্যাস, কয়লা ও ফার্নেস অয়েলের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বৈশ্বিক যেকোনো অস্থিরতায় দেশের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রতিদিন ৯০০ থেকে ৯৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। যা দিয়ে দিনে প্রায় ৫ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। তবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) এক অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গ্যাস সরবরাহ যদি ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নেমে আসে, তবে উৎপাদন সাড়ে ৪ হাজার মেগাওয়াটের নিচে নেমে যেতে পারে।

এলপিজির ক্ষেত্রে বিইআরসি ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে মাসভিত্তিক দর নির্ধারণ শুরু করে। তার আগে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের মতো করে দাম ঠিক করত। পরে আন্তর্জাতিক বাজারদরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে নতুন মূল্য ঘোষণার ব্যবস্থা চালু হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আরেক ধাপে ‘জেট এ ১’ ও ফার্নেস অয়েলের মূল্য নির্ধারণের দায়িত্বও বিইআরসির হাতে যায়। ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর জারি করা গেজেটে এই ক্ষমতা স্থানান্তরের কথা জানানো হয়েছিল। এর আগে এসব পণ্যের দাম নির্ধারণ করত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন-বিপিসি। অন্যদিকে ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোলের দাম এখনও প্রশাসনিকভাবে সরকার নির্ধারণ করে; কার্যকর করে বিপিসি। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে এসব পণ্যে স্বয়ংক্রিয় মূল্য সমন্বয় পদ্ধতি চালু করা হয়েছে, তবে চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ সরকারের হাতেই আছে।  পিডিবি’র বিশ্লেষণ অনুযায়ী, জ্বালানির সরবরাহ স্থিতিশীল থাকলেও এপ্রিলে-মে মাসে দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা দাঁড়াতে পারে ১৮ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। আর এর বিপরীতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে মোট উৎপাদন হতে পারে মাত্র ১৬ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত এলএনজি, কয়লা ও তেলের উচ্চমূল্যের কারণে সরকারকে প্রতিদিন আনুমানিক ২০০ কোটিরও বেশি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার ৬০ শতাংশের বেশি আমদানিনির্ভর হওয়ায় মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ বিঘ্ন উভয়ের চাপ একসঙ্গে পড়ছে। সরবরাহ ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় ধরনের সংকটের শঙ্কা ঘুরছে। এখন নতুন গ্যাস কূপ অনুসন্ধানের উদ্যোগ নিলেও এর ফলাফল আসতে কমপক্ষে তিন-চার বছর সময় লেগে যাবে।

কৃষিপ্রধান এই দেশে সেচ কাজের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের বিকল্প নেই। জ্বালানি সংকটে ডিজেলের দাম বৃদ্ধি বা বিদ্যুতের ঘাটতি সরাসরি খাদ্য নিরাপত্তার ওপর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সার উৎপাদন থেকে শুরু করে পণ্য পরিবহন সবখানেই জ্বালানির উচ্চমূল্য দিন দিন সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামকে আকাশচুম্বী করে তুলছে। এই সংকট থেকে উত্তরণ কোনো সাময়িক পদক্ষেপ বা জোড়াতালি দেওয়া সিদ্ধান্তে সম্ভব নয়। দেশে বরাবরই চুরি-লুণ্ঠনের বড় খাত জ্বালানি খাত। এ খাতে দীর্ঘদিনের চুরি- লুণ্ঠনের খেসারত জাতিকে দিতে হয়, হচ্ছে। সময়ে সময়ে সরকার বদল হয়, আর এ চুরির ধরণ বদলায়। একে চুরি না বলে বলা হয়, সিস্টেম লস। আর পরিস্থিতি সামলানো হয় জোড়াতালি বা এডহকে। সিস্টেম লসের নামে যে অপচয় হয় এবং অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে যে লুণ্ঠন চলে, তা কঠোর হাতে দমন হলে অবস্থা এ পর্যায়ে যায় না।

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ছাড়া জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিশ্ববাজারের অস্থিরতাকে দোষ দেয়া যাবে, ফয়সালা আসবে না। চলমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান সংকট মোকাবিলায় বিদ্যুতের পাইকারি এবং খুচরা মূল্যহার সমন্বয়ের প্রস্তাব তৈরি করতে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার। এই কমিটি এমন এক প্রেক্ষাপটে গঠিত হল, যখন বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম নির্ধারণের আইনি কাঠামো গত কয়েক বছরে একাধিকবার বদলেছে। এ কমিটি জ্বালানির হাল পরিস্থিতি বিস্তারিত পর্যালোচনার পর বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার সমন্বয়ের বিষয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেবে এই কমিটি। মোটকথা বিদ্যুতের দাম আবার বাড়বে। সরকারি ভাষায় বাড়বে বা বৃদ্ধি বলা হয় না। একে বলা হবে, সমন্বয়। তা করতে গিয়ে কাউকে কিছু জিজ্ঞাসা করতে হবে না। কারো কথা শুনতেও হবে না।

২০২২ সালের শেষে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসি, আইন সংশোধন করে ৩৪(ক) ধারা যোগ করা হয়। ওই ধারার মাধ্যমে গণশুনানি ছাড়াই নির্বাহী আদেশে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানির দাম সমন্বয়ের ক্ষমতা সরকারের হাতে যায়। ২০২৩ সালের শুরুতে সরকার ওই ক্ষমতা ব্যবহার করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার যুক্তি দেখিয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৪ সালের ২৭ অগাস্ট বাংলাদেশ অ্যানার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ জারি করে ওই ৩৪(ক) ধারা বিলোপ করা হয়। তখন সরকার বলেছিল, এর ফলে গণশুনানি ছাড়া নির্বাহী আদেশে দাম নির্ধারণের ব্যবস্থা তুলে দেওয়া হচ্ছে এবং বিষয়টি আবার বিইআরসির প্রক্রিয়ায় ফিরছে। এতে প্রায় দেড় বছর পর গ্যাস, বিদ্যুৎসহ অন্যান্য জ্বালানির দাম বাড়ানো বা কমানোর ক্ষমতা আবার বিইআরসির কাছে ফিরে যায়। এ ক্ষমতা কার কাছে ছিল বা গেল মানুষের এতোসব ভাবনা বা বিশ্লেষণের ফুসরত নেই।  নৈতিকতার বোধ ফাঁকা হয়ে গেলে অভিযান, ধরপাকড়, জেল-জরিমানা বা আরো বড় সাজা দিয়েও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। জ্বালানি তেল নিয়ে ক’দিনের তেলেসমাতিতে তা আবারো প্রমাণিত। জ্বালানি তেলের পর সয়াবিন তেল মজুদও করছে যার যার সাধ্য মতো। এতে অবধারিতভাবে তৈরি হবে সংকট।

লেখকঃ সাংবাদিক ও কলামিস্ট
rintu108@gmail.com


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category