• মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
Headline
বাফার স্টক না থাকায় বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ও সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি দেশের অর্থনীতি আমলাতান্ত্রিক গ্যাঁড়াকলে রাষ্ট্রায়ত্ত জাহাজ: দেশি ট্যাংকার ভাড়ায় বিদেশে, চড়া প্রদেয় মূল্যে বিদেশি জাহাজে আসছে জ্বালানি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসকদের রমরমা বাণিজ্য হাজব্যান্ড থিংস! অনাহার ও তোষণনীতি: রাজনৈতিক কাঠামোর কাছেই জিম্মি সাধারণ মানুষ আসন্ন বৈশ্বিক খাদ্যসংকটের পদধ্বনি: ফোর-এফ সংকটের মুখে কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ? লোকসানের ফাঁদে আউশ: কেবল প্রণোদনা নয়, কৃষকের লাভ নিশ্চিত করা জরুরি দাঁড়িয়ে থাকার ফলে কোমর ব্যথা হলে কী করবেন? ১০১ শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা পদক প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রিজন ভ্যান খুলে দেন এসআই প্রদীপ, প্রাইভেট কারে পালান পিচ্চি রাজা

কুমিল্লায় ২০ কার্টন সৌদি খেজুর উধাও: কর্তৃপক্ষের দাবি ‘তথ্যগত ভুল’

Reporter Name / ১৭৬ Time View
Update : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

সৌদি আরবের কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের উপহার হিসেবে আসা খেজুরের ২০ কার্টনের হিসাব মিলছে না কুমিল্লায়। সরকারি নথিতে কুমিল্লার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে বিতরণ করা হয়েছে ৫০০ কার্টন। এ নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

অসামঞ্জস্যের প্রেক্ষাপট: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি যুবরাজের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে মোট ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর উপহার হিসেবে আসে, যার মধ্যে কুমিল্লার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ ছিল। গত ১ মার্চ জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে খেজুরগুলো পাঠানো হয়। তবে ৮ মার্চ কুমিল্লায় বিতরণের সময় দেখা যায়, মাত্র ৫০০ কার্টন বিতরণ করা হয়েছে।

সম্প্রতি দেবিদ্বার আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর ফেসবুক লাইভে দেবিদ্বার উপজেলায় ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার তথ্য প্রকাশের পর এই অসামঞ্জস্যের বিষয়টি সামনে আসে। এরপরই জনমনে ব্যাপক কৌতূহল ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য: এ বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী জানান, তাদের কাছে ৫০০ কার্টনই পৌঁছেছিল এবং সেটিই বিতরণ করা হয়েছে। তার দাবি, বরাদ্দের সংখ্যা সংশোধন করে ৫০০ কার্টন করা হয়েছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে কুমিল্লার জন্য ৫২০ কার্টন খেজুর বরাদ্দের তথ্যই রয়ে গেছে।

ঘটনাটির বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (সার্বিক) সাথে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category