• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন
Headline
‘দ্য রিং’ খ্যাত মার্কিন অভিনেত্রী ডেভেই চেজ আর নেই অতীত সাগরে ডুবসাঁতার- হাতে তিনটি স্বর্ণপদ্ম আধুনিক যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর উন্নয়ন পরিকল্পনা চলছে: সেনাপ্রধান আদালতের সমন উপেক্ষা: সময় টিভির সাবেক এমডি আহমেদ জোবায়ের কারাগারে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভারসাম্য রক্ষার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সাগর-রুনি হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ১২৭ বার ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোকসানে দেশের ব্যাংক খাত পুশইনে বিএসএফের নতুন কৌশল ও রুট পঞ্চগড়ে সেনানিবাস স্থাপনের দাবি তুললেন সারজিস আলম মাতারবাড়ী সংযোগ সড়ক প্রকল্পে সাড়ে৪শ কোটি টাকার হরিলুট

পেঁয়াজ-রসুনসহ যেসব নিত্যপণ্যের দাম কমেছে অভ্যুত্থানের পর

Reporter Name / ১৪২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬

গণঅভ্যুত্থানের পর পেঁয়াজ ও রসুনসহ ২০টি নিত্য প্রয়োজনীয় কৃষি পণ্যের দাম কমেছে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর এ কথা জানিয়েছে।

বাংলাদেশে নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক কৃষি পণ্যের উৎপাদন হলেও, বাজারে দামের চিত্র ছিল সব সময় ঊর্ধ্বমুখী।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের নিত্য প্রয়োজনীয় কৃষি পণ্যের বাজারদরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের আগে আলুর কেজি প্রতি খুচরা দাম ছিল ৬০ টাকা। এ বছরে সবজিটির দাম ৫৮ শতাংশ কমে হয়েছে ২৫ টাকা।

দেশে গণঅভ্যুত্থানের আগে দেশি পেঁয়াজের দাম ছিল ১২০ টাকা। এ বছর পেঁয়াজের দাম ১২ শতাংশ কমে হয়েছে ১০৫ টাকা। আমদানীকৃত পেঁয়াজের দাম ছিল ১০০ টাকা। এ বছর ২৫ শতাংশ দাম কমে হয়েছে ৭৫ টাকা।

গণঅভ্যুত্থানের আগে দেশি রসুনের দাম ছিল ২২০ টাকা। এ বছর রসুনের দাম ৪৫ শতাংশ কমে হয়েছে ১২০ টাকা। চায়না রসুনের দাম ছিল ২২০ টাকা। এ বছর ২২ শতাংশ দাম কমে তা হয়েছে ১৭০ টাকা।

গণঅভ্যুত্থানের আগে মোটা জাতের মসুরি ডালের দাম ছিল ১১০ টাকা। এ বছর ১০ শতাংশ দাম কমে হয়েছে ১০০ টাকা। মোটা জাতের মুগডালের মূল্য ছিল ১৫০ টাকা। এ বছর ২৩ শতাংশ দাম কমে তা হয়েছে ১১৫ টাকা।

খেসারি ডালের মূল্য ছিল ১২০ টাকা। এবছর ১২ শতাংশ দাম কমে তা হয়েছে ১০৫ টাকা। মাশকলাই কেজি প্রতি মূল্য ছিল ২০০ টাকা। এ বছর ২০ শতাংশ দাম কমে তা হয়েছে ১৮০ টাকা

গণঅভ্যুত্থানের আগে দেশে ছোলার কেজি প্রতি মূল্য ছিল ১২০ টাকা। এ বছর ১২ শতাংশ দাম কমে তা হয়েছে ১০৫ টাকা।

গণঅভ্যুত্থানের আগে খোলা চিনির মূল্য ছিল ১৩৫ টাকা। এ বছর ২২ শতাংশ দাম কমে তা হয়েছে ১০৫ টাকা।

এ ছাড়া গণঅভ্যুত্থানের আগে আমদানীকৃত আদার মূল্য ছিল ৩০০ টাকা। এ বছর ৪০ শতাংশ দাম কমে তা হয়েছে ১৮০ টাকা। শুকনা মরিচের মূল্য ছিল ৩৫০ টাকা। এ বছর ২৮ শতাংশ দাম কমে তা হয়েছে ২৫০ টাকা।

কাঁচা মরিচের মূল্য ছিল ১৮০ টাকা। এ বছর ২২ শতাংশ দাম কমে হয়েছে ১৪০ টাকা।

আগে টমেটোর মূল্য ছিল ১৬০ টাকা। এ বছর ২৫ শতাংশ দাম কমে হয়েছে ১২০ টাকা।

আগে গাজরের দাম ছিল ১০০ টাকা। এ বছর ৪০ শতাংশ দাম কমে তা হয়েছে ৬০ টাকা।

এছাড়া দেশি মুরগীর কেজি প্রতি মূল্য ছিল ৬০০ টাকা। এ বছর তা কমে হয়েছে ৫৮০ টাকা।

ব্রয়লার মুরগীর মূল্য ছিল ১৮০ টাকা। এ বছর তা কমে হয়েছে ১৭০ টাকা।

ডিমের পিস প্রতি মূল্য ছিল ১২.১০ টাকা। এ বছর তা কমে হয়েছে ১০ টাকা।

উপরে উল্লিখিত তথ্যগুলো কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের খুচরা বাজারদরের হালনাগাদ তথ্য ও ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের ৮ তারিখের বাজারদরের হালনাগাদ তথ্য থেকে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) এই প্রতিবেদক গত দুই দিন সরেজমিন বাজার ঘুরে ভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

হাতিরপুল কাঁচা বাজারে বাসস-এর সঙ্গে কথা বলেন অ্যাডভোকেট সোহেল রহমান।

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে নিত্য প্রয়োজনীয় কৃষি পণ্যের দাম অনেক সময় সাধারণ নাগরিকদের নাগালের বাইরে চলে যায়।

সোহেল রহমান আরও বলেন, ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট নিয়ে বিগত সময়ে কথা হলেও, সরকারের পক্ষ থেকে আমরা কোন উদ্যেগ দেখিনি। গণঅভ্যুত্থানের পর স্বল্প পরিসরে হলেও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম সরকার কমাতে পেরেছে।

দেশে একটি নির্বাচিত সরকার আসলে নিত্য প্রয়োজনীয় এ সব দ্রব্যের দাম আরও কমবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রাজধানীর পলাশী মার্কেটে কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী উম্মে আফসারার সঙ্গে। হলে থাকা হলেও তিনি নিয়মিত বাজার করে নিজেই রান্না করেন।

তিনি বাসসকে বলেন, ফ্যাসিস্ট শাসকদের জনগণকে প্রয়োজন নেই। তাই তারা জনগণকে কখনো প্রাধান্যই দেননি। যে কারণে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আমাদের নাগালের বাইরে ছিল।

তিনি আরও বলেন, রান্নার জন্য কাঁচা মরিচ একটি প্রয়োজনীয় পণ্য। কিন্তু বিগত সময়ে কাঁচা মরিচের কেজি দেড় হাজারেরও বেশি ছিল। সরকারের সদিচ্ছা ছিল বলেই এখন অনেক পণ্যের দাম কমেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category