• মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন
Headline
বডিশেমিংয়ের উত্তর তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ হিসেবেই ভারত থেকে ফিরেছি: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা দিনে ১০ খুন: জনমনে বাড়ছে আতঙ্ক ও উদ্বেগ নৌকাযোগে নারীকে পুশইনের চেষ্টা, রোকনপুর সীমান্তে বিএসএফের অপচেষ্টা রুখল বিজিবি সীমান্তে ‘অস্বাভাবিক জনসংখ্যাগত পরিবর্তন’ খতিয়ে দেখতে দিল্লির উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন ৫৪ জেলার পানিতে বিষাক্ত আর্সেনিক ও আয়রন, বাড়ছে ক্যানসারের ঝুঁকি আদ-দ্বীনের অন্য শাখা চলতে বাধা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দুবাইয়ে ধৃত বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ৩৩ মামলা, প্রত্যর্পণে নথিপত্র অনুবাদ হচ্ছে আরবিতে রামিসা হত্যা মামলা: আসামিদের পক্ষে ‘স্টেট ডিফেন্স’ নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের গ্যালারিতে ট্রুডো ও কেটি পেরি, নতুন করে বিশ্বমিডিয়ায় সম্পর্কের গুঞ্জন

রেড ক্রিসেন্টের রিপোর্ট: ইরানে ৬,৬৬৮টি বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ৯২ Time View
Update : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

ইরানে চলমান সামরিক অভিযানে বেসামরিক স্থাপনাগুলো কি নিরাপদ? এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া গেল ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যান থেকে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানের ৬ হাজার ৬৬৮টি বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।

শনিবার (৭ মার্চ) আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ ক্ষতির চিত্র উঠে এসেছে।

ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, হামলার শিকার স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • আবাসিক ভবন: ৫,৫৩৫টি (ঘরবাড়ি ও ফ্ল্যাট)।

  • বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান: ১,০৪১টি।

  • চিকিৎসা কেন্দ্র: ১৪টি।

  • বিদ্যালয়: ৬৫টি।

  • রেড ক্রিসেন্ট স্থাপনা: ১৩টি কেন্দ্র।

উদ্ধারকর্মীদের ওপর আঘাত

প্রতিবেদনে আরও ভয়াবহ তথ্য এসেছে উদ্ধার তৎপরতার ক্ষেত্রে। যুদ্ধের মাঝখানে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্ধারকারী ও ত্রাণবাহী যানবাহনগুলোও হামলার শিকার হয়েছে। বেশ কয়েকজন রেড ক্রিসেন্ট কর্মী ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ পরিচালনার সময় আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের আশঙ্কা

যুদ্ধক্ষেত্রে বেসামরিক স্থাপনা ও মানবিক সহায়তাকারী সংস্থার ওপর হামলা আন্তর্জাতিক যুদ্ধ আইন বা জেনেভা কনভেনশনের পরিপন্থী। চিকিৎসা কেন্দ্র এবং ত্রাণবাহী যানে আঘাত করায় মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি সামরিক ঘাঁটির বাইরে আবাসিক ভবন ও বিদ্যালয়ের ওপর এই বিপুল পরিমাণ হামলা প্রমাণ করে যে, যুদ্ধটি এখন সামরিক সীমানা ছাড়িয়ে সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার মৌলিক জায়গাগুলোতে আঘাত করছে।


একনজরে বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ

স্থাপনার ধরন সংখ্যা (ক্ষতিগ্রস্ত)
আবাসিক ভবন ৫,৫৩৫টি
বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ১,০৪১টি
বিদ্যালয় ৬৫টি
চিকিৎসা কেন্দ্র ১৪টি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category