• মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৬:০০ অপরাহ্ন
Headline
বডিশেমিংয়ের উত্তর তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ হিসেবেই ভারত থেকে ফিরেছি: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা দিনে ১০ খুন: জনমনে বাড়ছে আতঙ্ক ও উদ্বেগ নৌকাযোগে নারীকে পুশইনের চেষ্টা, রোকনপুর সীমান্তে বিএসএফের অপচেষ্টা রুখল বিজিবি সীমান্তে ‘অস্বাভাবিক জনসংখ্যাগত পরিবর্তন’ খতিয়ে দেখতে দিল্লির উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন ৫৪ জেলার পানিতে বিষাক্ত আর্সেনিক ও আয়রন, বাড়ছে ক্যানসারের ঝুঁকি আদ-দ্বীনের অন্য শাখা চলতে বাধা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দুবাইয়ে ধৃত বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ৩৩ মামলা, প্রত্যর্পণে নথিপত্র অনুবাদ হচ্ছে আরবিতে রামিসা হত্যা মামলা: আসামিদের পক্ষে ‘স্টেট ডিফেন্স’ নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের গ্যালারিতে ট্রুডো ও কেটি পেরি, নতুন করে বিশ্বমিডিয়ায় সম্পর্কের গুঞ্জন

রোজায় পানি অভাব পূরণে কি করবেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক / ৯৪ Time View
Update : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি হয়। বর্তমানে গরমের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে শরীরে পানির চাহিদা আরও বাড়ছে। শরীরকে সচল ও ক্লান্তিহীন রাখতে সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি।

ইফতার থেকে সেহরি: পানি পানের সঠিক নিয়ম

ইফতারের সময় একবারে অনেক বেশি পানি পান করবেন না। এতে পাকস্থলীর ওপর চাপ পড়ে এবং হজমে সমস্যা হতে পারে। এর পরিবর্তে—

  • ইফতারের শুরুতেই: খেজুর বা ফলের রসের পাশাপাশি ১-২ গ্লাস কুসুম গরম বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি পান করুন।

  • রাতের বেলা: ইফতারের পর থেকে সেহরি পর্যন্ত প্রতি ঘণ্টায় অন্তত এক গ্লাস করে পানি পান করার অভ্যাস করুন। ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস পানি পান করা শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

  • সেহরিতে: সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পান করুন, তবে অতিরিক্ত চা বা কফি এড়িয়ে চলুন। চা-কফি মূত্রবর্ধক (diuretic), যা শরীর থেকে পানি বের করে দেয়।

খাদ্যাভ্যাসে যে পরিবর্তন আনবেন

শুধু পানি পান করলেই হবে না, শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে খাবারের তালিকায়ও পরিবর্তন আনতে হবে:

  • ফল ও সবজি: শসা, তরমুজ, মাল্টা, আপেল এবং আঙুরের মতো বেশি পানিযুক্ত ফল ইফতারে রাখুন। এগুলো শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে দারুণ কার্যকর।

  • লবণাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন: ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত তেল ও মশলাযুক্ত এবং অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার তৃষ্ণা বাড়িয়ে দেয়। তাই ইফতারে মুড়ি-ছোলা বা বাড়িতে তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিন।

  • মিষ্টি পানীয় থেকে সাবধান: কৃত্রিম বা চিনির সিরাপযুক্ত শরবত পরিহার করে ডাবের পানি, লেবুর শরবত (অল্প চিনি) বা ফলের তাজা রস পান করুন।

  • দই ও মাঠা: ইফতার বা সেহরিতে দই বা মাঠা রাখতে পারেন। এটি শরীরকে শীতল রাখে এবং হজমে সহায়তা করে।

অতিরিক্ত ঘাম ও পরিশ্রম এড়িয়ে চলুন

রমজানের এই সময়ে দিনের বেলায় কড়া রোদে বেশিক্ষণ থাকা বা ভারী শারীরিক পরিশ্রম করা থেকে বিরত থাকুন। সম্ভব হলে দুপুরের দিকে ঠান্ডা পরিবেশে বিশ্রাম নিন। যদি বাইরে বের হতেই হয়, তবে ছাতা ব্যবহার করুন এবং ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরুন।

পানিশূন্যতার লক্ষণ চিনে রাখুন

শরীরে পানির অভাব হলে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হওয়া বা ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। এমনটা অনুভব করলে সেহরি ও ইফতারের মাঝের সময়ে আরও বেশি পরিমাণে পানি পান করুন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মনে রাখবেন, রোজা রেখে সুস্থ থাকা আপনার নিজের হাতেই। সচেতন খাদ্যাভ্যাস ও পর্যাপ্ত পানি পান আপনার রমজানকে করবে সহজ ও আরামদায়ক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category