• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
Headline
আমাদের মোহিত কামাল ভাই জেলা পরিষদের প্রশাসক-চেয়ারম্যানদের রাষ্ট্রীয় প্রটোকল নিশ্চিতে ডিসিদের নির্দেশ পাবনায় চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু বরিশালের বাকেরগঞ্জে বোমাসদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব এককভাবে কারও নয়: রিজভী স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের নির্দেশনার অপেক্ষায় ইসি: ইসি সচিব প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানেই উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা: প্রতিমন্ত্রী জুলাইয়ে রেকর্ড বৃষ্টির পর আগস্টে তাপপ্রবাহ ও বন্যার ঝুঁকি খেলাধুলার মাধ্যমে মাদক-অপরাধ থেকে দূরে থাকবে তরুণরা: ত্রাণমন্ত্রী ওজন কমাতে কোন ব্যায়ামে মিলবে বেশি উপকার

প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানেই উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা: প্রতিমন্ত্রী

Reporter Name / ১ Time View
Update : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬

প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা সুরক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির অন্যতম কার্যকর ও টেকসই উপায় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে ‘প্রায়োরিটাইজিং নেচার-বেসড ইন্টারভেনশনস ফর রেজিলিয়েন্ট কোস্টাল বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় কারিগরি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। কর্মশালার আয়োজন করে ফ্রেন্ডশিপ ও কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনাল।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন, জলাভূমি, উপকূলীয় উদ্ভিদবেষ্টনী এবং সমন্বিত কৃষি-বনায়ন ব্যবস্থা শুধু পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখে না; এগুলো প্রাণিসম্পদের জন্য পশুখাদ্যের প্রাপ্যতা বাড়ায়, প্রাণিস্বাস্থ্যের উন্নয়ন ঘটায় এবং মানবস্বাস্থ্য, প্রাণিস্বাস্থ্য ও পরিবেশগত স্বাস্থ্যের সমন্বিত ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণাকে শক্তিশালী করে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি অর্জন করলেও দেশের উপকূলীয় অঞ্চল এখনো বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততার বিস্তার ও উপকূলীয় ভাঙন পরিবেশের পাশাপাশি অর্থনীতি, খাদ্যব্যবস্থা এবং কোটি মানুষের জীবন-জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকার কোটি মানুষের জীবিকার প্রধান ভিত্তি। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে এ দুই খাতই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

তিনি বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের লাখ লাখ পরিবার গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও হাঁস-মুরগির ওপর নির্ভরশীল। প্রাণিসম্পদ নিয়মিত আয়, পুষ্টি, কর্মসংস্থান ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় অনেক পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পদ হয়ে ওঠে প্রাণিসম্পদ।

তিনি আরও বলেন, টেকসই প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং তথ্য-প্রমাণভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের জাতীয় উদ্যোগ বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সচিব ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান এবং কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৌরভ মালহোত্রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category