• বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন
Headline
ধাক্কা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াল মোবাইল ইন্টারনেট বাজার ১৬ আগস্ট সরকারের ছয় মাস: গতি ফেরাতে মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের হাওয়া আদর্শ ও ক্ষমতার টানাপোড়েনে রাজনৈতিক অনাস্থা: চব্বিশের রাজপথের মিত্রদের দূরত্ব বাতিল প্রকল্পে আটকে জ্বালানি খাত: অতীত অনিয়ম ও তড়িঘড়ি চুক্তিলোপের ফল মরক্কোর ফুটবলারের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন বিশ্রামের সময়ে বাড়ে ব্যথা কারামুক্তির পর এখন চার্চের স্বেচ্ছাসেবক প্যারালিম্পিক জয়ী পিস্টোরিয়াস জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে ঢাকায় আজ দুই কনসার্ট দেশব্যাপী নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস অর্জিত গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : তথ্যমন্ত্রী

রিজার্ভ ফের ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

Reporter Name / ৩৪৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফের ৩১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (২৭ আগস্ট) দিন শেষে গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম–৬ অনুযায়ী রিজার্ভ হয়েছে ২৬ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে গত ২৪ আগস্ট গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম–৬ অনুযায়ী ২৫ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার।

মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়। তবে এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, তা হ‌লো ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ। এ তথ্য আনুষ্ঠানিক প্রকাশ ক‌রে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেখানে আইএমএফের এসডিআর খাতে থাকা ডলার, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাবে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা এবং আকুর বিল বাদ দিয়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের হিসাব করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সেই হিসাবে দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। প্রতি মাসে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার হিসেবে এ রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে তিন মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ২০২১ সালের আগস্টে সর্বোচ্চ উঠেছিল ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার (৪৮ বিলিয়ন)। তখন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নজিরবিহীন অর্থপাচার ও বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা কারণে কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বড় ধরনের চাপের মুখে পড়ে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ন (রিজার্ভ)। বড় ধরনের বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়ে ক্রমাগত চলতি হিসাবের ঘাটতিও বেড়েছিল বাংলাদেশের। ডলারের বিপরীতে টাকা দর অবনমন হতে থাকলে প্রভাব পড়ে জ্বালানির দর ও আমদানিতে। সংকটে মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি শুরু করে। ফলে আস্তে আস্তে তলানিতে নামে রিজার্ভ। ওই সময় রিজার্ভ বাড়াতে বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রার সহায়তা নিতে আইএমএফ এর কাছে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তা চেয়ে ২০২২ সালের জুলাইতে আবেদন করে বাংলাদেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category