• মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
Headline
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন আয় ‘খোকা’ আয়: হেমন্তের গানটি যখন উল্টে যায় সারাক্ষণ ঘুম ঘুম ভাব কেন হয়? আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী কাশিমপুর কারাগার থেকে নারী বন্দির পলায়ন: জেলার শিরিন সাময়িক বরখাস্ত ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ মেজর মোজাফফরের বিচার হবে কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সব পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জুলাইয়ের তাৎপর্য অত্যন্ত গভীরভাবে উপলব্ধি করতে হবে: রিজভী ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ, অভিজিৎ দীপকে আটক

২০২৬ সালের মধ্যে হাম নির্মূলে বদ্ধপরিকর সরকার: কক্সবাজারে জরুরি টিকাদান শুরু

কক্সবাজার প্রতিনিধি / ১৩০ Time View
Update : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় ২০২৬ সালের মধ্যেই এই রোগ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে হামজনিত শিশুমৃত্যু শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা ১১টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এই ঘোষণা দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

উদ্বোধনী বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে হবে যাতে এই সংক্রামক রোগ মহামারি আকারে ছড়িয়ে না পড়ে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় যথাযথ মনোযোগ ও প্রচারণার অভাবে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে এক ধরণের স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই গ্যাপ পূরণ করে সারাদেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় প্রাথমিকভাবে এই বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে, যা পর্যায়ক্রমে সব জেলায় বিস্তৃত করা হবে।

কক্সবাজারের উদ্বেগজনক পরিস্থিতি

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারে হামের প্রকোপ এখন চরমে।

  • মৃত্যু: গত ২৪ ঘণ্টায় রামু উপজেলার রাজিয়া নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট ৫ শিশুর প্রাণহানি ঘটলো।

  • আক্রান্ত ও ভর্তি: গত এক সপ্তাহে জেলায় ১৩২ জন শিশু আক্রান্ত হয়েছে। বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ৭৫ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।

  • পরিসংখ্যান: চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত জেলায় হাম-রুবেলায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮৫ জনে।

জরুরি চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. শহিদুল আলম জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালে জরুরি ভিত্তিতে পৃথক ‘আইসোলেশন ওয়ার্ড’ চালু করা হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর পাশাপাশি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। আশার কথা হলো, এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে কোনো শিশু আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category