সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় নির্ধারণে সংস্থাভেদে ভিন্ন ভিন্ন দর ব্যবহারের অবসান ঘটাতে যাচ্ছে সরকার। এখন থেকে সব সরকারি প্রকৌশল সংস্থার জন্য নির্মাণসামগ্রী, যন্ত্রপাতি ও শ্রমিকের মজুরি নির্ধারণে অভিন্ন দর চালুর সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যয় প্রাক্কলন ও দর অনুমোদনে চালু হবে ডিজিটাল ব্যবস্থা। প্রতি তিন বছর পর হালনাগাদ করা হবে দর তফসিল। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এসব সংস্কার বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এই পরিবর্তন কার্যকর হলে একই কাজের জন্য এক সংস্থায় এক দর আর অন্য সংস্থায় আরেক দর দেওয়ার পুরোনো প্রবণতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
একনেকের নির্দেশনায় গঠিত সরকারি ভৌত কাজের দর তফসিল মূল্যায়নপূর্বক পুনর্নির্ধারণ কমিটির প্রতিবেদনে এসব সুপারিশ করা হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর স্বাক্ষরিত সরকারি ভৌত কাজের দর তফসিল হালনাগাদ ও সংস্কার প্রতিবেদন ২০২৬-এ নির্মাণকাজের ব্যয় নির্ধারণে এসব পরিবর্তনের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক নির্বাহী কমিটির সভায় প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। গত ১৩ মে একনেকের সভায় রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে আহ্বায়ক করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, সব সংস্থার প্রধান প্রকৌশলী ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের রাখা হয়েছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি প্রকৌশল সংস্থা নিজস্ব দর তফসিল অনুসরণ করে নির্মাণকাজের ব্যয় প্রাক্কলন করে। ফলে একই ধরনের নির্মাণসামগ্রী ও কাজের ক্ষেত্রে সংস্থাভেদে দরের পার্থক্য তৈরি হয়। আবার বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দর তফসিল নিয়মিত হালনাগাদ না হওয়ায় প্রকল্পের ব্যয় প্রাক্কলনেও অসংগতি দেখা দেয়। সরকারি কেনাকাটায় একই পণ্যের দরে কতটা পার্থক্য হতে পারে, তার একটি উদাহরণ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের বালিশ কেনা। সেই ঘটনা সারা দেশে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এ পরিস্থিতি দূর করতে সব সংস্থার জন্য অভিন্ন ভিত্তি দর ও দর বিশ্লেষণের সমন্বিত কাঠামো চালুর সুপারিশ করেছে কমিটি।
প্রতিটি নির্মাণ উপকরণ ও কাজের জন্য আলাদা ইউনিক কোড চালুর প্রস্তাবও রয়েছে। এতে একই কাজের বিপরীতে সংস্থাভেদে ভিন্ন দর নির্ধারণের প্রবণতা কমবে এবং ব্যয় প্রাক্কলনে স্বচ্ছতা বাড়বে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সরকারের অনেক সংস্থার নিজস্ব কোনো দরতালিকা নেই। যেমন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও সেতু বিভাগের নিজস্ব তালিকা নেই। নতুন অভিন্ন তালিকা চালু হলে এসব সংস্থাকেও একই তালিকা অনুসরণ করে পণ্য ও উপকরণ কেনাকাটা করতে হবে। কমিটির সদস্যসচিব পরিকল্পনা কমিশনের অতিরিক্ত সচিব কবির আহামদ জানিয়েছেন, ইট, রড, সিমেন্ট ও বালুর মতো যেসব পণ্য ও উপকরণ সব প্রকৌশল সংস্থা সাধারণত ব্যবহার করে থাকে, সেগুলোর একক তালিকা থাকবে।
বর্তমানে সাধারণত তিন থেকে চার বছর পরপর দর তফসিল হালনাগাদ করা হয়। ফলে নির্মাণসামগ্রীর বাজারদর, পরিবহন ব্যয় ও শ্রমিকের মজুরি পরিবর্তনের সঙ্গে সরকারি প্রাক্কলনের অসামঞ্জস্য তৈরি হয়। এ সমস্যা সমাধানে প্রতি তিন বছর পর বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দর তফসিল হালনাগাদের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে জ্বালানি, বিদ্যুৎ কিংবা গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণসামগ্রীর দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে নির্ধারিত সময়ের আগেও দর সমন্বয় করা যাবে। বাজারদর, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার, ভ্যাট ও করহার পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দরতালিকা নিয়মিত হালনাগাদ করা যেতে পারে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। দরতালিকায় অন্তর্ভুক্ত সব নির্মাণসামগ্রীর বাজারদর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো নিয়মিত সংগ্রহ করে তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে। প্রতিটি সংস্থার ব্যবহৃত পণ্য ও উপকরণসামগ্রীর একক মূল্য সেই ওয়েবসাইটে থাকবে।
দর নির্ধারণ ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে সফটওয়্যারভিত্তিক ওয়েব পোর্টাল তৈরির প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি প্রকৌশল সংস্থাগুলো একই প্ল্যাটফর্মে দরসংক্রান্ত তথ্য ব্যবহার ও সমন্বয় করতে পারবে। সব প্রকৌশল সংস্থা যাতে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তাদের রেট শিডিউল তৈরি, পর্যালোচনা ও হালনাগাদ করতে পারে, সেজন্যই এই পোর্টালের প্রস্তাব। দর নির্ধারণ ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেও এই ব্যবস্থা কাজে আসবে বলে মনে করছে কমিটি। কাগজে কলমে দর অনুমোদনের বদলে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু হলে অনুমোদন প্রক্রিয়ায় সময়ও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অঞ্চলভেদে আলাদা দর রাখার বিষয়টিও প্রতিবেদনে গুরুত্ব পেয়েছে। দেশের সব এলাকায় নির্মাণসামগ্রী পরিবহন ও সরবরাহের ব্যয় সমান নয়। বিশেষ করে পার্বত্য, উপকূলীয়, দ্বীপ ও দুর্গম এলাকায় এসব সামগ্রী পৌঁছাতে বেশি খরচ হয়। এ বাস্তবতা বিবেচনায় অভিন্ন ভিত্তি দরের পাশাপাশি অঞ্চলভিত্তিক দরসূচক বা জোনাল ইনডেক্স চালুর সুপারিশ করেছে কমিটি। এতে ভৌগোলিক অবস্থান, যাতায়াত ব্যবস্থা ও পরিবহন ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্পের ব্যয় প্রাক্কলন করা যাবে। অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেছেন, একক দরতালিকা মানে দেশের সব এলাকায় একই দরে কাজ করতে হবে, এমন নয়। দেশের দুর্গম, পাহাড়ি, উপকূলীয় ও দ্বীপাঞ্চলের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, দূরত্ব ও যাতায়াত ব্যয় বিবেচনায় অঞ্চলভিত্তিক দর রাখার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া প্রিকাস্ট ও প্রিফেব্রিকেটেড নির্মাণসামগ্রী, আধুনিক নির্মাণপদ্ধতি এবং পরিবেশবান্ধব ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ দর তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
নির্মাণসামগ্রীর দাম বাড়ার পেছনে শুল্ক-কর, পরিবহন ব্যয় ও সরবরাহ ব্যবস্থার অনিয়মকে দায়ী করেছে কমিটি। প্রতিবেদনে অসাধু পরিবহন ব্যবসায়ীদের চাঁদাবাজি, মধ্যস্বত্বভোগী আমদানিকারকদের কারসাজি এবং বাজারে একচেটিয়া আধিপত্যের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় রড, পাথর ও বিটুমিনের ওপর আরোপিত শুল্ক-কর এবং ঠিকাদারি কাজের ভ্যাট ও কর কাঠামো পর্যালোচনা করে যৌক্তিক করার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে রডের ক্ষেত্রে ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ এবং পাথরের ক্ষেত্রে ৬২ দশমিক ৭ শতাংশ শুল্ক-করের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাথরের ওপর এই বিপুল শুল্ক-কর নির্মাণ ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে মনে করছে কমিটি।
এই সংস্কার কেন জরুরি, তা বোঝা যায় সরকারি প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বৃদ্ধির চিত্র দেখলে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লি অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-৩ এর কথা ধরা যাক। প্রকল্পটি ২০২০ সালের জুনে অনুমোদনের সময় ব্যয় ধরা হয়েছিল ৬ হাজার ৪৭৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। বাস্তবায়নের সময়সীমা ছিল ওই বছরের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত। প্রথম সংশোধনে ব্যয় সামান্য বাড়িয়ে ৬ হাজার ৫২৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা করা হয়। সময় বাড়ানো হয় ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত। এরপর দ্বিতীয় সংশোধনে একই ব্যয় রেখে সময় আরও এক বছর বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। এখন তৃতীয় সংশোধনে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ১০ হাজার ৫২৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। ব্যয় বাড়ছে ৪ হাজার ৪৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা, যা মূল পরিকল্পনার প্রাক্কলিত ব্যয়ের তুলনায় ৬৩ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ চার বছরের প্রকল্প নয় বছরে গিয়ে ঠেকেছে।
এই ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ। সংস্থাটির প্রতিনিধি প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভায় সরাসরি মত দিয়েছেন, নতুন করে অঙ্গ বৃদ্ধি ও ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় না বাড়িয়ে প্রকল্পটি শেষ করে প্রয়োজনে নতুন প্রকল্প নেওয়াই যুক্তিসংগত। সাবেক পরিকল্পনা সচিব মামুন আল রশীদ বলেছেন, বাস্তবায়নের শেষপ্রান্তে এসে প্রকল্পে নতুন করে ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানো এবং মেয়াদ সম্প্রসারণের প্রস্তাব সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ইতিমধ্যে ৯৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৯৩ দশমিক ৫৪ শতাংশে পৌঁছেছে। এই উদাহরণই বলে দিচ্ছে, ব্যয় প্রাক্কলনে শুরু থেকে স্বচ্ছতা না থাকলে শেষ পর্যন্ত জনগণের করের টাকার অপচয় হয়।
উন্নয়ন প্রকল্পে মেয়াদ বৃদ্ধি ঠেকাতে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে মেয়াদ বৃদ্ধি এবং ব্যয় বৃদ্ধি সাধারণত একটিমাত্র কারণে হয় না, বরং অনেকগুলো কারণ থাকে। প্রকল্প প্রণয়ন, অনুমোদন, ভূমি অধিগ্রহণ, অর্থায়ন, ক্রয় প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থাপনার একাধিক দুর্বলতা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই সমস্যা তৈরি হয়। তাঁর মতে, দুর্বল প্রকল্প প্রণয়ন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় ঘাটতি, সঠিক ব্যয় নির্ধারণে সমস্যা, ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব, ক্রয় প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা এবং পর্যাপ্ত তদারকির অভাবের কারণে প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বেড়ে যায়। যেসব প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি ৩০ শতাংশের নিচে, সেগুলোর প্রয়োজনীয়তা ও কার্যকারিতা নতুন করে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও সরকারি নির্মাণকাজে একই ধরনের ডিজিটাল সংস্কার হয়েছে। ভারতে কেন্দ্রীয় গণপূর্ত বিভাগের দর তফসিল রয়েছে, যা সরকারি প্রকল্পের ব্যয় প্রাক্কলনে ব্যবহার করা হয়। সেখানে ফাইভডি বিআইএম নামের প্রযুক্তিতে ভবনের ত্রিমাত্রিক মডেলের সঙ্গে ব্যয়ের তথ্য যুক্ত করা হয়। ফলে নকশা বদলালেই পরিমাণ ও ব্যয়ের হিসাব নিজে থেকে হালনাগাদ হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সরকারি প্রকল্পে বিআইএম ব্যবহার ক্রমেই বাধ্যতামূলক হচ্ছে। যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ডেনমার্কে সরকারি চুক্তিতে বিআইএম লেভেল ২ বা তার বেশি মান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরে ৫ হাজার বর্গমিটারের বেশি আয়তনের সব প্রকল্পে বিআইএম জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ঠিকাদাররা বিআইএম ব্যবহার করে প্রকল্প শেষ করার সময় ১০ থেকে ২০ শতাংশ কমিয়েছেন।
তবে সংস্কারের সাফল্য নির্ভর করবে বাস্তবায়নের ওপর। প্রতিবেদনে এসব সংস্কার আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো যদি বাজারদরের সঠিক তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ ও প্রকাশ না করে, তবে অভিন্ন দরতালিকাও পুরোনো দরের মতোই বাজার থেকে পিছিয়ে পড়বে। আবার ওয়েব পোর্টাল তৈরি হলেও সব সংস্থা যদি সেটি ব্যবহার না করে, তবে স্বচ্ছতার লক্ষ্য পূরণ হবে না। চাঁদাবাজি ও একচেটিয়া আধিপত্যের মতো সমস্যা শুধু দরতালিকা বদলে দূর হবে না, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা ও বাজার তদারকিও জরুরি। তবু একক দরতালিকা, ইউনিক কোড, জোনাল ইনডেক্স ও ডিজিটাল পোর্টাল একসঙ্গে চালু হলে সরকারি নির্মাণকাজে দীর্ঘদিনের অস্বচ্ছতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। জনগণের করের টাকায় তৈরি প্রতিটি সড়ক, সেতু ও ভবনের ব্যয়ের হিসাব তখন আরও পরিষ্কার হবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন