• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন
Headline
‘দ্য রিং’ খ্যাত মার্কিন অভিনেত্রী ডেভেই চেজ আর নেই অতীত সাগরে ডুবসাঁতার- হাতে তিনটি স্বর্ণপদ্ম আধুনিক যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর উন্নয়ন পরিকল্পনা চলছে: সেনাপ্রধান আদালতের সমন উপেক্ষা: সময় টিভির সাবেক এমডি আহমেদ জোবায়ের কারাগারে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভারসাম্য রক্ষার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সাগর-রুনি হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ১২৭ বার ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোকসানে দেশের ব্যাংক খাত পুশইনে বিএসএফের নতুন কৌশল ও রুট পঞ্চগড়ে সেনানিবাস স্থাপনের দাবি তুললেন সারজিস আলম মাতারবাড়ী সংযোগ সড়ক প্রকল্পে সাড়ে৪শ কোটি টাকার হরিলুট

জাপানের সঙ্গে ঐতিহাসিক ইপিএ স্বাক্ষর: শুল্কমুক্ত সুবিধা পেল ৭,৩৭৯ বাংলাদেশি পণ্য

Reporter Name / ১২২ Time View
Update : শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো কোনো দেশের সঙ্গে ‘অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি’ (ইপিএ) স্বাক্ষর করল বাংলাদেশ। ৬ ফেব্রুয়ারি জাপানের টোকিওতে স্বাক্ষরিত এই ঐতিহাসিক চুক্তির ফলে জাপানের বাজারে তৈরি পোশাকসহ ৭,৩৭৯টি বাংলাদেশি পণ্য ১০০ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে নিজ নিজ সরকারের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হোরি ইওয়াও। এ সময় বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান, জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচিসহ উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যিক সুবিধা ও শর্ত শিথিল

এই চুক্তির ফলে পণ্য ও সেবা উভয় বাণিজ্যে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সুবিধা পাবে। বিশেষ করে পোশাক খাতে ‘সিঙ্গেল স্টেজ ট্রান্সফরমেশন’ সুবিধা যুক্ত হওয়ায় এখন থেকে কাঁচামাল নিয়ে কোনো জটিল শর্ত ছাড়াই বাংলাদেশি পোশাক খুব সহজে জাপানে রপ্তানি করা যাবে। বিনিময়ে বাংলাদেশও জাপানের জন্য বাজার সম্প্রসারিত করছে। এর ফলে ১,০৩৯টি জাপানি পণ্য বাংলাদেশে পর্যায়ক্রমে শুল্কমুক্ত বা অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পাবে।

কর্মসংস্থান ও সেবা খাত

চুক্তির আওতায় জাপানে বাংলাদেশি দক্ষ পেশাজীবীদের কর্মসংস্থানের বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে। আইটি, ইঞ্জিনিয়ারিং, শিক্ষা, কেয়ারগিভিং এবং নার্সিংয়ের মতো ১৬টি বিভাগে ১২০টি সেবা খাতে (Trade in service) বাংলাদেশিরা কাজ করার সুযোগ পাবেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জাপানের জন্য ১২টি বিভাগের আওতায় ৯৮টি উপখাত উন্মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে।

বিনিয়োগ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এই চুক্তিকে দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রতিফলন হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, “এটি কেবল একটি বাণিজ্যিক দলিল নয়; এটি বাংলাদেশের উজ্জ্বল অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং দুই দেশের গভীর পারস্পরিক আস্থার বহিঃপ্রকাশ।” আশা করা হচ্ছে, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশে উৎপাদন, অবকাঠামো, জ্বালানি ও লজিস্টিকস খাতে জাপানি বিনিয়োগ (এফডিআই) বৃদ্ধি পাবে। জাপানি প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের ফলে দেশীয় পণ্যের মান বাড়ার পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (এসএমই) বিকাশ ঘটবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category