যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। বন্দর আব্বাস শহরের একটি রাষ্ট্রীয় বেতার কেন্দ্রে হামলায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে খোররামাবাদে বিমান হামলার পর ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পাশাপাশি পুরো এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং রাজধানী তেহরানের পূর্বাঞ্চলে বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি জানান, প্রণালি উন্মুক্ত থাকলেও যুদ্ধের আশঙ্কায় বাণিজ্যিক জাহাজগুলো ওই জলপথ ব্যবহার করতে দ্বিধা করছে। নৌপথে এমন অস্থিতিশীলতা তৈরির জন্য তিনি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছেন।
এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের ছোড়া আরও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। একই ধরনের দাবি করেছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত এবং বাহরাইন। এর বাইরে লেবাননেও অভিযান অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল, সেখানে কাসিমিয়া সেতু ধ্বংস করার খবর পাওয়া গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুতর বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা। অন্যদিকে, চলমান এই যুদ্ধের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা করতে একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী।