• বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৮ অপরাহ্ন
Headline
মতুয়া চমক: ভোটের অংকে সংরক্ষিত আসনে এমপি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: ৫৬ হাজার কোটির দায় কেন জনগণের কাঁধে? লোগো নকল, দাম আকাশছোঁয়া: সংসদের কেনাকাটায় এ কোন জাদুকরি হিসাব? তীব্র গরমে হঠাৎ ঘাম বন্ধ? হিট স্ট্রোক নয় তো! অবশেষে বোনদের পথ ধরে হজে যাচ্ছেন চম্পা অনুমতি ছাড়া ভিডিও করলে দ্রুত বিচার আইনে ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী ইরানের তেল বাণিজ্য সম্পূর্ণ অচল করার কড়ার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি কি কৌশল না ইসলামাবাদের মধ্যস্থতা ‘অবৈধ যুদ্ধ’ আড়াল করতেই হুমকি: ইরানি-মার্কিন কংগ্রেসওম্যান ইয়াসামিন আনসারি বিশ্বমঞ্চে ‘শান্তিদূত’ পাকিস্তান: আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতার আড়ালে ধুঁকছে ঘরোয়া রাজনীতি

যুদ্ধবিধ্বস্ত ৭৭৫টি স্কুল মেরামত করল ইরান

Reporter Name / ৩ Time View
Update : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের সাম্প্রতিক হামলায় বিধ্বস্ত হওয়ার পরও নিজেদের শিক্ষাব্যবস্থাকে দ্রুততম সময়ে পুনর্গঠন করে দারুণ এক ঘুরে দাঁড়ানোর দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে ইরান। দেশটির শিক্ষামন্ত্রী আলিরেজা কাজেমি জানিয়েছেন, চলমান সংঘাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া স্কুলগুলোর মধ্যে ইতোমধ্যে ৭৭৫টির মেরামত কাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএ-এর (IRNA) বরাত দিয়ে জানা যায়, দেশব্যাপী চলা এই সামরিক সংঘাতে ইরানের প্রায় ১,৩০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিভিন্ন মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি, অর্থাৎ ৭৭৫টি স্কুল দ্রুততম সময়ে সংস্কার করে পুনরায় পাঠদানের উপযোগী করা হয়েছে এবং বাকিগুলোর কাজও জোরকদমে এগিয়ে চলছে।

শিক্ষামন্ত্রী আলিরেজা কাজেমি ক্ষতির বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরে জানান, হামলায় দেশের প্রায় ২০টি স্কুল সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হওয়া প্রদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে—তেহরান, কেরমানশাহ, ইসফাহান এবং হরমোজগান। তিনি আশ্বস্ত করেন, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্ষতির মাত্রা অত্যন্ত বেশি, সেগুলোর সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ কাজ আগামী অক্টোবরের মধ্যেই শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

আশার কথা হলো, এত বড় যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞের মাঝেও দেশটিতে শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। যেসব এলাকায় সরাসরি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান সম্ভব হয়নি, সেখানে বিকল্প মাধ্যম ব্যবহার করা হয়েছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং টেলিভিশনভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রচারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা নিরবচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

ভৌত অবকাঠামো মেরামতের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও বিশেষ নজর দিচ্ছে ইরান সরকার। যুদ্ধের ভয়াবহ ট্রমা এবং আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে স্কুলগুলোতে বিভিন্ন সাইকোলজিক্যাল কাউন্সেলিং বা মানসিক সহায়তা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

বিশেষ করে, মিনাব শহরের ‘শাজারেহ তাইয়েবেহ বালিকা বিদ্যালয়’-এ হওয়া মর্মান্তিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১৭০ জনের স্মরণে দেশের বিভিন্ন স্কুলে বিশেষ শোকসভা ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। ওই হামলায় নিহতদের অধিকাংশই ছিল স্কুলের নিষ্পাপ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক। স্বজন হারানোর এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডি কাটিয়ে উঠে শিক্ষাঙ্গনে ফের স্বাভাবিক পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের মনে সাহস ফিরিয়ে আনাই এখন দেশটির প্রধান লক্ষ্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category